গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের শেষ মুহূর্তের প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন চলচ্চিত্রের কয়েকজন তারকা। আজ রোববার অভিনেতা ফেরদৌস, রিয়াজ, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ, চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি, জেসমিনসহ অনেকে মহানগরীতে নৌকা প্রার্থীর প্রচারণায় অংশ নেন।
২৫ মে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন। আগামীকাল সোমবার মধ্যরাত থেকে বন্ধ হয়ে যাবে সব ধরনের প্রচারণা। তাই শেষ মুহূর্তে ভোটারদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করতে আজ বিকেলে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আজমত উল্লার পক্ষে ভোটারদের কাছে ভোট চেয়েছেন চলচ্চিত্রের তারকারা।
সরেজমিন জানা গেছে, আজ ফেরদৌস-রিয়াজরা গাজীপুরের টঙ্গী এলাকা থেকে প্রচার শুরু করেন। তাঁরা খোলা গাড়িতে করে টঙ্গী থেকে ধীরাশ্রম, জয়দেবপুর, রথখোলা, কৃষি গবেষণা, চান্দনা চৌরাস্তা, বাইপাস ও কোনাবাড়ী এলাকায় যেতে যেতে ভোটের প্রচারে অংশ নেন। এ সময় পথে পথে ভিড় জমান স্থানীয় ভোটাররা। খোলা ট্রাকে উন্নয়নের নানা গান গেয়ে ও নেচে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং নৌকা প্রতীকে ভোট চান। এ সময় চলচ্চিত্র শিল্পীরা কয়েকটি পথসভায় বক্তব্য দেন।
পথসভায় চিত্রনায়ক ফেরদৌস বলেন, ‘নানা কারণে গাজীপুর শহরের গুরুত্ব রয়েছে। এখানে শিল্পকারখানা রয়েছে, লাখ লাখ মানুষ বসবাস করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেখে-শুনে-বুঝে আজমত উল্লাকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে মনোনয়ন দিয়েছেন। তিনি একজন ভালো মানুষ, নৌকা প্রতীকের জয় মানে শেখ হাসিনার জয়, বাংলাদেশের জয়।’
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ বলেন, ‘আপনারা সবাই যেভাবে আমাকে এবং কাঞ্চন ভাইকে সহযোগিতা করেছেন, তেমনি নৌকা ও আজমত উল্লা ভাইকে সহযোগিতা করবেন। ২৫ মে আপনারা নৌকা প্রতীকে ভোট দিন; যাতে আজমত উল্লা বিজয়ী হয়ে উন্নয়নের কাজ এগিয়ে নিতে পারেন। এ বার্তা দিতেই গাজীপুরে এসেছি।’

বিদ্যুৎ, গ্যাস ও ডিজেলের তীব্র সংকটে দেশের প্রধান শিল্পাঞ্চল চট্টগ্রামের শিল্প খাত গভীর চাপের মুখে পড়েছে। ঘন ঘন লোডশেডিং, গ্যাসের নিম্নচাপ, জেনারেটরনির্ভর উৎপাদন এবং পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির ফলে শিল্পকারখানাগুলোর উৎপাদন গড়ে ২৫ শতাংশ কমে গেছে বলে উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য মতে, একই সময়ে পরিচালন
২৯ মিনিট আগে
কোনাপাড়া গ্রামের বালকি বিলে গিয়ে দেখা যায়, কষ্টের ফসল রক্ষায় কেউ কেউ হাঁটুসমান পানিতে নেমে, কেউ কেউ ডুবুরির মতো, আবার অনেকেই নৌকায় করে আধা পাকা ধান কাটার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। কেউ কেউ কোনো উপায় না পেয়ে হতাশ হয়ে তাকিয়ে আছেন ডুবে যাওয়া ফসলের দিকে।
৩৭ মিনিট আগে
ভুক্তভোগীদের দাবি, স্থানীয় স্বপন শরীফ. রমজান শরীফসহ কয়েক ব্যক্তি মিলে জনস্বার্থে ব্যবহৃত এই পথটি বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে ৩২টি পরিবারের প্রায় ৩০০ মানুষ কার্যত নিজ বাড়িতেই অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
হরিণাবাড়ী গ্রামের কৃষক মিন্টু মিয়া বলেন, ‘এবার ধানের ফলন ভালো হওয়ার আশা ছিল। কিন্তু টানা বৃষ্টিতে জমিতে পানি জমে ধান নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। প্রায় ৪০ শতক জমির ধান পানিতে লুটিয়ে পড়েছে। আগে এক বিঘা জমির ধান কাটতে তিন-চার হাজার টাকা লাগত, এখন লাগছে সাত-আট হাজার টাকা। টাকা দিয়েও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না।
২ ঘণ্টা আগে