গাজীপুর প্রতিনিধি

একটি খেলাপি ঋণের জামিনদার হওয়ায় বাতিল হয়েছে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আলোচিত মেয়র পদপ্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের মনোনয়ন। মনোনয়ন বাতিলের পর এখন তিনি আপিলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে জাহাঙ্গীরের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাফ্ফাত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বঙ্গতাজ অডিটোরিয়ামে স্থাপিত রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে অ্যাডভোকেট সাফ্ফাত বলেন, ‘আমরা এখনো মনোনয়ন বাতিল আদেশের সার্টিফায়েড কপি পাইনি। আপিল করার জন্য সার্টিফায়েড কপি প্রয়োজন। আমরা সার্টিফায়েড কপির জন্য আজ সকালে আবেদন করেছি। আমরা আজ আদেশের কপি পেলে আজই আপিল আবেদন জমা দেব।’
রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের সার্টিফায়েড কপির আবেদন পেয়েছি। আদেশ লেখা হচ্ছে। আজ বিকেলের মধ্যেই সবাইকে তাঁদের সার্টিফায়েড কপি প্রদান করা হবে।’
উল্লেখ্য, গত রোববার (৩০ এপ্রিল) মনোনয়ন বাছাইকালে একটি খেলাপি ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের ঋণের জামিনদার হওয়ার কারণে জাহাঙ্গীর আলমের মনোনয়ন বাতিল করেন গাজীপুর সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম। জাহাঙ্গীর আলমের উপস্থিতিতে ওই কর্মকর্তা এই আদেশ দেন। তবে তাঁর মা জায়েদা খাতুনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।
জাহাঙ্গীর আলমের মনোনয়ন ফরম বাছাইকালে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, ‘জাহাঙ্গীর আলম এই নির্বাচনে যে সমস্ত কাগজপত্র দাখিল করেছেন, তার সবকিছু সঠিক পাওয়া গেছে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি রিপোর্ট অনুযায়ী তিনি যে প্রতিষ্ঠানের জন্য জামিনদার হয়েছিলেন, সেই প্রতিষ্ঠান ঋণখেলাপি হওয়ায় তাঁর মনোনয়ন বাতিল করা হলো।’
এ সময় উপস্থিত জাহাঙ্গীর আলম ও তাঁর আইনজীবী রিটার্নিং কর্মকর্তার উদ্দেশে বলেন, ‘উচ্চ আদালতের আদেশ অনুযায়ী জামিনদার কখনো ঋণখেলাপি হয় না। তা ছাড়া খেলাপি ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠান ঋণ পুনঃতফসিলিকরণের জন্য ইতিমধ্যে কিস্তির টাকা জমা দিয়েছে এবং আবেদন করেছে। আমি একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে বাঁচানোর জন্য মানবিক কারণে আমার নিজের জমি বন্ধক রেখেছিলাম। আমি ওই টাকা নিজের জন্য নিইনি এবং প্রতিষ্ঠানটি ঋণের টাকা পরিশোধ করেছে।’

একটি খেলাপি ঋণের জামিনদার হওয়ায় বাতিল হয়েছে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আলোচিত মেয়র পদপ্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের মনোনয়ন। মনোনয়ন বাতিলের পর এখন তিনি আপিলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে জাহাঙ্গীরের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাফ্ফাত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বঙ্গতাজ অডিটোরিয়ামে স্থাপিত রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে অ্যাডভোকেট সাফ্ফাত বলেন, ‘আমরা এখনো মনোনয়ন বাতিল আদেশের সার্টিফায়েড কপি পাইনি। আপিল করার জন্য সার্টিফায়েড কপি প্রয়োজন। আমরা সার্টিফায়েড কপির জন্য আজ সকালে আবেদন করেছি। আমরা আজ আদেশের কপি পেলে আজই আপিল আবেদন জমা দেব।’
রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের সার্টিফায়েড কপির আবেদন পেয়েছি। আদেশ লেখা হচ্ছে। আজ বিকেলের মধ্যেই সবাইকে তাঁদের সার্টিফায়েড কপি প্রদান করা হবে।’
উল্লেখ্য, গত রোববার (৩০ এপ্রিল) মনোনয়ন বাছাইকালে একটি খেলাপি ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের ঋণের জামিনদার হওয়ার কারণে জাহাঙ্গীর আলমের মনোনয়ন বাতিল করেন গাজীপুর সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম। জাহাঙ্গীর আলমের উপস্থিতিতে ওই কর্মকর্তা এই আদেশ দেন। তবে তাঁর মা জায়েদা খাতুনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।
জাহাঙ্গীর আলমের মনোনয়ন ফরম বাছাইকালে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, ‘জাহাঙ্গীর আলম এই নির্বাচনে যে সমস্ত কাগজপত্র দাখিল করেছেন, তার সবকিছু সঠিক পাওয়া গেছে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি রিপোর্ট অনুযায়ী তিনি যে প্রতিষ্ঠানের জন্য জামিনদার হয়েছিলেন, সেই প্রতিষ্ঠান ঋণখেলাপি হওয়ায় তাঁর মনোনয়ন বাতিল করা হলো।’
এ সময় উপস্থিত জাহাঙ্গীর আলম ও তাঁর আইনজীবী রিটার্নিং কর্মকর্তার উদ্দেশে বলেন, ‘উচ্চ আদালতের আদেশ অনুযায়ী জামিনদার কখনো ঋণখেলাপি হয় না। তা ছাড়া খেলাপি ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠান ঋণ পুনঃতফসিলিকরণের জন্য ইতিমধ্যে কিস্তির টাকা জমা দিয়েছে এবং আবেদন করেছে। আমি একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে বাঁচানোর জন্য মানবিক কারণে আমার নিজের জমি বন্ধক রেখেছিলাম। আমি ওই টাকা নিজের জন্য নিইনি এবং প্রতিষ্ঠানটি ঋণের টাকা পরিশোধ করেছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে