শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের শ্রীপুরে পাওনা টাকা চাইতে গেলে চুরির অপবাদ দিয়ে মারধর করা এক ব্যক্তি এক সপ্তাহ পর মারা গেছেন। আজ শুক্রবার সকালে উপজেলার বরমী ইউনিয়নের পোষাইদ গ্রামে তিনি মারা যান।
ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেন (৫০) পোষাইদ গ্রামের মো. সাইদুর রহমানের ছেলে। স্বজনদের দাবি, পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে তিনি দুই দফা মারধরের শিকার হয়েছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন একই গ্রামের মো. কাজল মিয়া, শাহিন, কবির হোসেন ও আকরাম হোসেন।
আনোয়ারের ছেলে রিয়াদ হোসেন বলেন, ‘কাজল বাবার কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকা ধার নিয়েছে। পাওনা টাকা চাইতে পরপর কয়েক দিন তাদের বাড়িতে যায় বাবা। কিন্তু কাজল টাকা দিতে গড়িমসি শুরু করে। এই ক্ষোভে বাবা আমাদের বাড়ির পাশে বেঁধে রাখা কাজলের একটি মহিষ নিয়ে রওনা করে। প্রতিবেশীদের মাধ্যমে কাজল খবর পেয়ে দৌড়ে এসে বাবাকে ধরে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। অভিযুক্ত কাজলের ছেলে শাহিন বাবাকে মারতে মারতে তাদের বাড়িতে নিয়ে যায়। বাড়িতে নিয়ে শাহিন বাবার বুকে ওঠে লাফিয়ে আঘাত করতে থাকে। এরপর আমাদের খবর দিলে আমরা তাদের বাড়িতে গেলে সালিসি বৈঠক বসে। জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে সই-স্বাক্ষর নিয়ে বাবাকে আমাদের হাতে তুলে দেয়। এরপর বাবার চিকিৎসা করি। বাবা শুধু বলতেন বুকে প্রচণ্ড ব্যথা হতো। আজ বাবা মারা গেছে। আমরা তাদের হুমকির ভয়ে বাবাকে ভালো চিকিৎসাও করাতে পারিনি। বাবা মৃত্যুর আগে সবকিছু বলে গেছে। আমি বাবার হত্যাকারীদের বিচার চাই।’
স্থানীয় বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘টাকা লেনদেনের বিষয়টি সঠিক। এর জেরে পাশের মাঠে বেঁধে রাখা কাজলের মহিষ নিয়ে যেতে চেষ্টা করেন আনোয়ার হোসেন। এটা হয়তোবা ভয় দেখানোর জন্য। চুরি করা তাঁর উদ্দেশ্য না। তিনি তো চোর না। এরপর কোনো ব্যক্তির মাধ্যমে কাজল খবর পায় আনোয়ার হোসেন মহিষ নিয়ে যাচ্ছেন। এমন খবর পেয়ে কাজল ও তার লোকজন এসে তাঁকে ধরে নিয়ে যায়। শুনেছি হালকা মারধর করেছে।’
সালিসে উপস্থিত থাকা স্থানীয় আরেক বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন, ‘জানতে পারি, আনোয়ার হোসেন কাজলের কাছে ৬০ হাজার টাকা পাবে। সেই কারণে মহিষ নিয়ে রওনা করলে তারা ধরে আনে। এরপর সালিসি বৈঠক বসে সমাধানের পর আনোয়ার হোসেনকে নিয়ে যায় তার স্বজনেরা। কেমন মারধর করছে, এটা তো আমি বলতে পারব না। মারধরের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে কি না, এটাও বলতে পারব না।’
জানতে চাইলে কাজল বলেন, ‘সে আমার কাছে ৬০ হাজার টাকা পাবে, এটা সঠিক। আমি টাকা দিয়ে দেব বলছি। তবু বাড়ি থেকে চলে গিয়ে মাঠে বেঁধে রাখা মহিষ নিয়ে রওনা হয়। আমরা দৌড়ে গিয়ে তাকে আটক করি। মারধর করিনি। এটি মিথ্যা অভিযোগ। এরপর সালিস বৈঠক বসে ওখানেই সমাধান হয়।’
এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহম্মদ আব্দুল বারিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এক সপ্তাহ আগে পাওনা টাকা ও মহিষ-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মারধরের ঘটনা ঘটে। সে বিষয়ে সালিস বৈঠকে মীমাংসা হয়। আজ ভুক্তভোগী মারা যাওয়ার পর অভিযোগ করেছে যে মারধরের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

গাজীপুরের শ্রীপুরে পাওনা টাকা চাইতে গেলে চুরির অপবাদ দিয়ে মারধর করা এক ব্যক্তি এক সপ্তাহ পর মারা গেছেন। আজ শুক্রবার সকালে উপজেলার বরমী ইউনিয়নের পোষাইদ গ্রামে তিনি মারা যান।
ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেন (৫০) পোষাইদ গ্রামের মো. সাইদুর রহমানের ছেলে। স্বজনদের দাবি, পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে তিনি দুই দফা মারধরের শিকার হয়েছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন একই গ্রামের মো. কাজল মিয়া, শাহিন, কবির হোসেন ও আকরাম হোসেন।
আনোয়ারের ছেলে রিয়াদ হোসেন বলেন, ‘কাজল বাবার কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকা ধার নিয়েছে। পাওনা টাকা চাইতে পরপর কয়েক দিন তাদের বাড়িতে যায় বাবা। কিন্তু কাজল টাকা দিতে গড়িমসি শুরু করে। এই ক্ষোভে বাবা আমাদের বাড়ির পাশে বেঁধে রাখা কাজলের একটি মহিষ নিয়ে রওনা করে। প্রতিবেশীদের মাধ্যমে কাজল খবর পেয়ে দৌড়ে এসে বাবাকে ধরে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। অভিযুক্ত কাজলের ছেলে শাহিন বাবাকে মারতে মারতে তাদের বাড়িতে নিয়ে যায়। বাড়িতে নিয়ে শাহিন বাবার বুকে ওঠে লাফিয়ে আঘাত করতে থাকে। এরপর আমাদের খবর দিলে আমরা তাদের বাড়িতে গেলে সালিসি বৈঠক বসে। জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে সই-স্বাক্ষর নিয়ে বাবাকে আমাদের হাতে তুলে দেয়। এরপর বাবার চিকিৎসা করি। বাবা শুধু বলতেন বুকে প্রচণ্ড ব্যথা হতো। আজ বাবা মারা গেছে। আমরা তাদের হুমকির ভয়ে বাবাকে ভালো চিকিৎসাও করাতে পারিনি। বাবা মৃত্যুর আগে সবকিছু বলে গেছে। আমি বাবার হত্যাকারীদের বিচার চাই।’
স্থানীয় বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘টাকা লেনদেনের বিষয়টি সঠিক। এর জেরে পাশের মাঠে বেঁধে রাখা কাজলের মহিষ নিয়ে যেতে চেষ্টা করেন আনোয়ার হোসেন। এটা হয়তোবা ভয় দেখানোর জন্য। চুরি করা তাঁর উদ্দেশ্য না। তিনি তো চোর না। এরপর কোনো ব্যক্তির মাধ্যমে কাজল খবর পায় আনোয়ার হোসেন মহিষ নিয়ে যাচ্ছেন। এমন খবর পেয়ে কাজল ও তার লোকজন এসে তাঁকে ধরে নিয়ে যায়। শুনেছি হালকা মারধর করেছে।’
সালিসে উপস্থিত থাকা স্থানীয় আরেক বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন, ‘জানতে পারি, আনোয়ার হোসেন কাজলের কাছে ৬০ হাজার টাকা পাবে। সেই কারণে মহিষ নিয়ে রওনা করলে তারা ধরে আনে। এরপর সালিসি বৈঠক বসে সমাধানের পর আনোয়ার হোসেনকে নিয়ে যায় তার স্বজনেরা। কেমন মারধর করছে, এটা তো আমি বলতে পারব না। মারধরের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে কি না, এটাও বলতে পারব না।’
জানতে চাইলে কাজল বলেন, ‘সে আমার কাছে ৬০ হাজার টাকা পাবে, এটা সঠিক। আমি টাকা দিয়ে দেব বলছি। তবু বাড়ি থেকে চলে গিয়ে মাঠে বেঁধে রাখা মহিষ নিয়ে রওনা হয়। আমরা দৌড়ে গিয়ে তাকে আটক করি। মারধর করিনি। এটি মিথ্যা অভিযোগ। এরপর সালিস বৈঠক বসে ওখানেই সমাধান হয়।’
এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহম্মদ আব্দুল বারিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এক সপ্তাহ আগে পাওনা টাকা ও মহিষ-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মারধরের ঘটনা ঘটে। সে বিষয়ে সালিস বৈঠকে মীমাংসা হয়। আজ ভুক্তভোগী মারা যাওয়ার পর অভিযোগ করেছে যে মারধরের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

গ্রামীণ পর্যায়ে স্বাস্থ্য সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করবে বিএনপি। মানুষ যাতে ঘরে বসে মৌলিক চিকিৎসাসেবা নিতে পারে, সে জন্য তৃণমূলে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হবে।
৩ মিনিট আগে
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, আগামী দিনে কোনো ফ্যাসিবাদ যেন না সৃষ্টি হয়, সে জন্যই গণভোট। আগামী দিনে যেন কোনো ফ্যাসিস্ট সৃষ্টি না হয়, সেটার জন্যই জুলাই সনদ। আজ সোমবার দুপুরে পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় মাঠে গণভোট প্রচার ও উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে এক সুধী সমাবেশে...
১৪ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানে গিয়ে দুর্বৃত্তদের হামলায় র্যাব-৭-এর এক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া অভিযানে যাওয়া র্যাবের তিন সদস্যকে দুর্বৃত্তরা জিম্মি করে রেখেছে। ঘটনার পর সন্ধ্যায় র্যাবের অতিরিক্ত ফোর্স ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে অভিযান শুরু করেছে।
১৯ মিনিট আগে
পিরোজপুরে একটি হত্যা মামলায় ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন পিরোজপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালত। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে পিরোজপুরের বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুজিবুর রহমান এ রায় দেন।
২৬ মিনিট আগে