
গাজীপুরের শ্রীপুরে মৎস্য খামারে মিলল পৌনে দুই কেজি ওজনের একটি চিত্রিত মাছ। মাছটি ধরার পরপরই উৎসুক জনতা মৎস্য খামারের পাশে ভিড় করেন। এরই মধ্যে গবেষণার জন্য মাছটি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মৎস্য ও বিজ্ঞান অনুষদে পাঠিয়েছে গাজীপুর মৎস্য অধিদপ্তর।
গতকাল রোববার সকালে উপজেলার বরমী ইউনিয়নের গোলাঘাট গ্রামের স্থানীয় মো. আবু তালেব নামের মৎস্য খামারির জালে ধরা পড়েছে বিচিত্র এই মাছ। মাছটি সংগ্রহের পর রাতেই বাকৃবির মৎস্য ও বিজ্ঞান অনুষদে পাঠানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বরমী ইউনিয়নের গোলাঘাট বাজারের দক্ষিণ পাশে বড় মাছের খামার থেকে পানি সেচে সেটি খননের কাজ চলছিল। এরপর খামার থেকে এই বিচিত্র মাছটি ধরা হয়। মাছটির বিশাল আকারের মুখ, শরীরের রং দেখতে কিছুটা কালচে। ঢোঁড়া সাপের মতো গায়েহলুদ রঙের ছোপ ছোপ দাগ রয়েছে সমস্ত দেহে। মাথা থেকে লেজ পর্যন্ত গায়ের রং একই ধরনের। বুকের পাশে রং কিছুটা সাদাটে। চোখের পেছনেই এক জোড়া ছোট আকৃতির পাখনা। পুরো মুখ জুড়েই ধারালো ছোট ছোট দাঁতের সারি। শরীর অপেক্ষাকৃত নরম। খুবই শান্ত প্রকৃতির মাছটির ওজন পৌনে দুই কেজি।
খামারটির মালিক আবু তালেব। তিনি দুই যুগ ধরে মাছের খামারের ব্যবসায় জড়িত। আবু তালেব বলেন, খামার খনন করার জন্য পানি সেচে ফেলা হয়েছে। অল্প পানিতে সব মাছ ধরতে জাল ফেলা হয়। জাল টেনে পাড়ে তুলতেই অন্যান্য মাছের সঙ্গে উঠে আসে অদ্ভুত এই মাছটি।
তিনি বলেন, ‘এমন মাছ আমি আর কখনো দেখিনি। বিচিত্র এই মাছটি গ্রামের বয়স্করাও চিনতে পারছে না। আমি মাছটি যত্ন সহকারে জিইয়ে রেখেছি।’
শ্রীপুর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. বদিউজ্জামাল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মাছটি আমি দেখেছি। এ সম্পর্কে হঠাৎ করে বিস্তারিত বলা যাবে না। দেখে মনে হচ্ছে এটি গবি মাছ। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইনসহ বেশ কিছু দেশে এ মাছ পাওয়া যায়।’
তিনি বলেন, ‘বিচিত্র এই মাছটি খামারির কাছ থেকে সংগ্রহ করে গবেষণার জন্য গাজীপুর মৎস্য অধিদপ্তরে সংরক্ষণ করা হয়। পরে মাছটি গবেষণার জন্য বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য ও বিজ্ঞান অনুষদে পাঠানো হয়েছে।’

গাজীপুরের শ্রীপুরে মৎস্য খামারে মিলল পৌনে দুই কেজি ওজনের একটি চিত্রিত মাছ। মাছটি ধরার পরপরই উৎসুক জনতা মৎস্য খামারের পাশে ভিড় করেন। এরই মধ্যে গবেষণার জন্য মাছটি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মৎস্য ও বিজ্ঞান অনুষদে পাঠিয়েছে গাজীপুর মৎস্য অধিদপ্তর।
গতকাল রোববার সকালে উপজেলার বরমী ইউনিয়নের গোলাঘাট গ্রামের স্থানীয় মো. আবু তালেব নামের মৎস্য খামারির জালে ধরা পড়েছে বিচিত্র এই মাছ। মাছটি সংগ্রহের পর রাতেই বাকৃবির মৎস্য ও বিজ্ঞান অনুষদে পাঠানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বরমী ইউনিয়নের গোলাঘাট বাজারের দক্ষিণ পাশে বড় মাছের খামার থেকে পানি সেচে সেটি খননের কাজ চলছিল। এরপর খামার থেকে এই বিচিত্র মাছটি ধরা হয়। মাছটির বিশাল আকারের মুখ, শরীরের রং দেখতে কিছুটা কালচে। ঢোঁড়া সাপের মতো গায়েহলুদ রঙের ছোপ ছোপ দাগ রয়েছে সমস্ত দেহে। মাথা থেকে লেজ পর্যন্ত গায়ের রং একই ধরনের। বুকের পাশে রং কিছুটা সাদাটে। চোখের পেছনেই এক জোড়া ছোট আকৃতির পাখনা। পুরো মুখ জুড়েই ধারালো ছোট ছোট দাঁতের সারি। শরীর অপেক্ষাকৃত নরম। খুবই শান্ত প্রকৃতির মাছটির ওজন পৌনে দুই কেজি।
খামারটির মালিক আবু তালেব। তিনি দুই যুগ ধরে মাছের খামারের ব্যবসায় জড়িত। আবু তালেব বলেন, খামার খনন করার জন্য পানি সেচে ফেলা হয়েছে। অল্প পানিতে সব মাছ ধরতে জাল ফেলা হয়। জাল টেনে পাড়ে তুলতেই অন্যান্য মাছের সঙ্গে উঠে আসে অদ্ভুত এই মাছটি।
তিনি বলেন, ‘এমন মাছ আমি আর কখনো দেখিনি। বিচিত্র এই মাছটি গ্রামের বয়স্করাও চিনতে পারছে না। আমি মাছটি যত্ন সহকারে জিইয়ে রেখেছি।’
শ্রীপুর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. বদিউজ্জামাল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মাছটি আমি দেখেছি। এ সম্পর্কে হঠাৎ করে বিস্তারিত বলা যাবে না। দেখে মনে হচ্ছে এটি গবি মাছ। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইনসহ বেশ কিছু দেশে এ মাছ পাওয়া যায়।’
তিনি বলেন, ‘বিচিত্র এই মাছটি খামারির কাছ থেকে সংগ্রহ করে গবেষণার জন্য গাজীপুর মৎস্য অধিদপ্তরে সংরক্ষণ করা হয়। পরে মাছটি গবেষণার জন্য বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য ও বিজ্ঞান অনুষদে পাঠানো হয়েছে।’

রাজধানীর মগবাজার মোড়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে লোহার পাইপ মাথায় পড়ে তাইজুল ইসলাম (২০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
১৪ মিনিট আগে
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, চন্দ্রদ্বীপসহ বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কর্মসূচিতে বাধা, দোকানে চাঁদা দাবি, চাঁদা না দিলে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া কয়েকটি ঘটনায় হত্যাচেষ্টার ও সাক্ষীদের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
২২ মিনিট আগে
নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা-দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তাঁর চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে নলকূপের...
১ ঘণ্টা আগে
জানাজা শেষে ডাবলুর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘গতকাল জানাজায় সবাই সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। আমরা শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী না, জড়িতদের বিচার চাই। কেউ যেন ছাড় না পায়। আমরা যেন বিচার দেখে যেতে পারি।’
১ ঘণ্টা আগে