গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুর জেলা বিএনপির অধীনস্থ ৫টি উপজেলা ও ৩ পৌরসভা ইউনিটের ৪১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক আইডিতে প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
শনিবার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় গাজীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এ কে এম ফজলুল হক মিলন, ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু ও সদস্যসচিব ব্যারিস্টার চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত পৃথক চিঠিতে জেলার মোট ৮টি ইউনিটের প্রতিটি ৪১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে নেতারা জানান, সাংগঠনিক পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে এ কমিটিগুলো গঠন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপির কার্যক্রম আরও সুসংহত ও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি, আগামীর রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে এসব ইউনিট অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে দলটি আশা করছে।
নবগঠিত কমিটিগুলোর মধ্যে গাজীপুর সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে মো. আবু তাহের মুসুল্লী, সদস্যসচিব হিসেবে আবু বক্কর সিদ্দিক; শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে মো. আব্দুল মোতালেব, সদস্যসচিব হিসেবে খায়রুল কবির মণ্ডল আজাদ, শ্রীপুর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে মো. হুমায়ন কবির সরকার, সদস্যসচিব বিল্লাল হোসেন ব্যাপারী; কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে শাহ রিয়াজুল হান্নান, সদস্যসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আজিজুর রহমান পেরা; কালিয়াকৈর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে মো. নুরুল ইসলাম সিকদার, সদস্যসচিব হিসেবে এম আনোয়ার হোসেন, কালিয়াকৈর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে মো. মামুদ সরকার, সদস্যসচিব হিসেবে মো. মহসিন উজ্জামান; কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে মাস্টার হুমায়ুন কবির, সদস্যসচিব হিসেবে খালেকুজ্জামান বাবলু, কালীগঞ্জ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে মো. হোসেন আরমান, সদস্যসচিব হিসেবে ইব্রাহীম প্রধানকে মনোনীত করা হয়েছে।

গাজীপুর জেলা বিএনপির অধীনস্থ ৫টি উপজেলা ও ৩ পৌরসভা ইউনিটের ৪১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক আইডিতে প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
শনিবার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় গাজীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এ কে এম ফজলুল হক মিলন, ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু ও সদস্যসচিব ব্যারিস্টার চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত পৃথক চিঠিতে জেলার মোট ৮টি ইউনিটের প্রতিটি ৪১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে নেতারা জানান, সাংগঠনিক পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে এ কমিটিগুলো গঠন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপির কার্যক্রম আরও সুসংহত ও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি, আগামীর রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে এসব ইউনিট অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে দলটি আশা করছে।
নবগঠিত কমিটিগুলোর মধ্যে গাজীপুর সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে মো. আবু তাহের মুসুল্লী, সদস্যসচিব হিসেবে আবু বক্কর সিদ্দিক; শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে মো. আব্দুল মোতালেব, সদস্যসচিব হিসেবে খায়রুল কবির মণ্ডল আজাদ, শ্রীপুর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে মো. হুমায়ন কবির সরকার, সদস্যসচিব বিল্লাল হোসেন ব্যাপারী; কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে শাহ রিয়াজুল হান্নান, সদস্যসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আজিজুর রহমান পেরা; কালিয়াকৈর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে মো. নুরুল ইসলাম সিকদার, সদস্যসচিব হিসেবে এম আনোয়ার হোসেন, কালিয়াকৈর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে মো. মামুদ সরকার, সদস্যসচিব হিসেবে মো. মহসিন উজ্জামান; কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে মাস্টার হুমায়ুন কবির, সদস্যসচিব হিসেবে খালেকুজ্জামান বাবলু, কালীগঞ্জ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে মো. হোসেন আরমান, সদস্যসচিব হিসেবে ইব্রাহীম প্রধানকে মনোনীত করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে