গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে আলোচিত তিন সাঁওতাল হত্যা মামলার নারাজি শুনানি শেষ করেছেন আদালত। আজ বুধবার গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল হাসানের বিচারিক আদালতে মামলার নারাজির ওপর শুনানির দিন ধার্য ছিল।
অন্যদিকে দুপুর ১২টা থেকে আদালত সংলগ্ন সড়কের সামনের ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করেছে সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম ভূমি পুনরুদ্ধার সংগ্রাম কমিটি।
মলার শুনানি শেষে আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আদালত নারাজির ওপর তিন দফা সময় পিছিয়ে দীর্ঘ শুনানি শেষ আজ করেছেন। আদেশের দিন পরবর্তীতে জানাবেন আদালত।’
আলোচিত তিন সাঁওতাল নাগরিক হত্যার বিচার, বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর, লুটপাট ও সাঁওতালদের নামে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সাঁওতাল ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর যৌথ উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম ভূমি পুনরুদ্ধার সংগ্রাম কমিটির আয়োজনে বুধবার দুপুর ১২টা থেকে ঘণ্টাব্যাপী গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালত সংলগ্ন উপজেলার সামনের সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ‘সাঁওতাল হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায় কিন্তু তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয় না। উল্টো তাঁরা ঘটনার এলাকায় গিয়ে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ করেন। তাদের অবাধ বিচরণে সাঁওতালদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। হত্যাকাণ্ডের ৭ বছর পেরিয়ে গেলেও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আজও গ্রেপ্তার করা হয়নি। মামলার মূল ১১ আসামিকে বাদ দিয়ে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। আসামিরা দম্ভের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।’
সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম ভূমি পুনরুদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সভাপতি ফিলিমন বাস্কের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন—গাইবান্ধা আদিবাসী-বাঙালি সংহতি পরিষদ আহ্বায়ক আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম বাবু, আইনজীবী ফারুক কবির, সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম ভূমি পুনরুদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম মাস্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপন শেখ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সুফল হেমব্রম, কোষাধ্যক্ষ প্রিসিলা মুরমু ও মামলার বাদী থমাস হেমব্রম প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বর চিনিকল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম ইক্ষু খামারে আখ কাটতে যান। এ সময় সাঁওতালেরা তাদের পৈতৃক সম্পত্তি দাবি করে বাধা দিলে পুলিশ সাঁওতালদের ওপর গুলি চালায়। এতে শ্যামল হেমব্রম, মঙ্গল মার্ডি ও রমেশ টুডু নামে তিন সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর যুবক নিহত হন।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে আলোচিত তিন সাঁওতাল হত্যা মামলার নারাজি শুনানি শেষ করেছেন আদালত। আজ বুধবার গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল হাসানের বিচারিক আদালতে মামলার নারাজির ওপর শুনানির দিন ধার্য ছিল।
অন্যদিকে দুপুর ১২টা থেকে আদালত সংলগ্ন সড়কের সামনের ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করেছে সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম ভূমি পুনরুদ্ধার সংগ্রাম কমিটি।
মলার শুনানি শেষে আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আদালত নারাজির ওপর তিন দফা সময় পিছিয়ে দীর্ঘ শুনানি শেষ আজ করেছেন। আদেশের দিন পরবর্তীতে জানাবেন আদালত।’
আলোচিত তিন সাঁওতাল নাগরিক হত্যার বিচার, বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর, লুটপাট ও সাঁওতালদের নামে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সাঁওতাল ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর যৌথ উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম ভূমি পুনরুদ্ধার সংগ্রাম কমিটির আয়োজনে বুধবার দুপুর ১২টা থেকে ঘণ্টাব্যাপী গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালত সংলগ্ন উপজেলার সামনের সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ‘সাঁওতাল হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায় কিন্তু তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয় না। উল্টো তাঁরা ঘটনার এলাকায় গিয়ে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ করেন। তাদের অবাধ বিচরণে সাঁওতালদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। হত্যাকাণ্ডের ৭ বছর পেরিয়ে গেলেও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আজও গ্রেপ্তার করা হয়নি। মামলার মূল ১১ আসামিকে বাদ দিয়ে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। আসামিরা দম্ভের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।’
সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম ভূমি পুনরুদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সভাপতি ফিলিমন বাস্কের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন—গাইবান্ধা আদিবাসী-বাঙালি সংহতি পরিষদ আহ্বায়ক আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম বাবু, আইনজীবী ফারুক কবির, সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম ভূমি পুনরুদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম মাস্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপন শেখ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সুফল হেমব্রম, কোষাধ্যক্ষ প্রিসিলা মুরমু ও মামলার বাদী থমাস হেমব্রম প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বর চিনিকল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম ইক্ষু খামারে আখ কাটতে যান। এ সময় সাঁওতালেরা তাদের পৈতৃক সম্পত্তি দাবি করে বাধা দিলে পুলিশ সাঁওতালদের ওপর গুলি চালায়। এতে শ্যামল হেমব্রম, মঙ্গল মার্ডি ও রমেশ টুডু নামে তিন সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর যুবক নিহত হন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে