সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে টেন্ডার ছাড়াই পুরোনো ভালো সেতু খুলে নিয়ে যাওয়া সেই ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোকলেছুর রহমান মণ্ডলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে এর সন্তোষজনক জবাব চাওয়া হয়েছে ওই নোটিশে।
আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি।
মোকলেছুর রহমান উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ওই ইউনিয়নের বজরা হলদিয়া গ্রামের মৃত নুরুল হক মণ্ডলের ছেলে।
ইউএনও বলেন, ‘ওই চেয়ারম্যান টেন্ডার ছাড়াই পুরোনো সেতু ভেঙে ইট ও লোহা তার বাড়িতে নিয়ে গেছেন। বিষয়টি আমরাও জানি না। আপনাদের মাধ্যমে জানলাম। আইনগতভাবে কাজটি উনি ঠিক করেননি। সে কারণে তাঁকে এ নোটিশ করা হয়েছে। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে এ জবাব চাওয়া হয়েছে। জবাব সন্তোষজনক না হলে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ হবে ওই ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।’
শোকজ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ইউপি চেয়ারম্যান মোকলেছুর রহমান বলেন, ‘কী বলি ভাই, সরকারের কোটি কোটি টাকা অপচয় হচ্ছে। সেখানে কিছুই নেই। আর এটা এমনটা নয় যে আমি রাতের আঁধারে নিয়ে এসেছি। বিষয়টি সবাই জানেন। তা ছাড়া তছরুপও করি না। যাতে করে না হারায় সে কারণে বাড়িতে রেখেছিলাম। স্যার এখন পরিষদে রাখতে বলেছেন। সে কারণে মালামালগুলো ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যাচ্ছি।’
উল্লেখ্য, ওই ইউনিয়নের দক্ষিণ রাজীবপুর গ্রামের উত্তরপাড়ার আলম মিয়ার বাড়িসংলগ্ন একটি সেতু ছিল। পুরাতন হলেও ওই সেতু দিয়ে মানুষ ও যানবাহন চলাচল করত। কিন্তু মাসখানেক আগে টেন্ডার ছাড়াই ওই সেতুর অর্ধেকের বেশি অংশ ভেঙে ইট ও লোহাগুলো চেয়ারম্যান মোকলেছুর রহমান তাঁর বাড়িতে নিয়ে আসেন। বর্তমানে সেতুটি শূন্যে ঝুলে থাকায় মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। করা হয়নি কোনো সংযোগ সড়কও। সে কারণে চার গ্রামের প্রায় ২০ হাজার লোকের যাতায়াতে দুর্ভোগ হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আজ মঙ্গলবার দৈনিক আজকের পত্রিকার শেষ পাতায় ‘সেতুর ইট-রড খুলে নিলেন ইউপি চেয়ারম্যান, দুর্ভোগ’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে টেন্ডার ছাড়াই পুরোনো ভালো সেতু খুলে নিয়ে যাওয়া সেই ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোকলেছুর রহমান মণ্ডলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে এর সন্তোষজনক জবাব চাওয়া হয়েছে ওই নোটিশে।
আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি।
মোকলেছুর রহমান উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ওই ইউনিয়নের বজরা হলদিয়া গ্রামের মৃত নুরুল হক মণ্ডলের ছেলে।
ইউএনও বলেন, ‘ওই চেয়ারম্যান টেন্ডার ছাড়াই পুরোনো সেতু ভেঙে ইট ও লোহা তার বাড়িতে নিয়ে গেছেন। বিষয়টি আমরাও জানি না। আপনাদের মাধ্যমে জানলাম। আইনগতভাবে কাজটি উনি ঠিক করেননি। সে কারণে তাঁকে এ নোটিশ করা হয়েছে। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে এ জবাব চাওয়া হয়েছে। জবাব সন্তোষজনক না হলে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ হবে ওই ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।’
শোকজ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ইউপি চেয়ারম্যান মোকলেছুর রহমান বলেন, ‘কী বলি ভাই, সরকারের কোটি কোটি টাকা অপচয় হচ্ছে। সেখানে কিছুই নেই। আর এটা এমনটা নয় যে আমি রাতের আঁধারে নিয়ে এসেছি। বিষয়টি সবাই জানেন। তা ছাড়া তছরুপও করি না। যাতে করে না হারায় সে কারণে বাড়িতে রেখেছিলাম। স্যার এখন পরিষদে রাখতে বলেছেন। সে কারণে মালামালগুলো ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যাচ্ছি।’
উল্লেখ্য, ওই ইউনিয়নের দক্ষিণ রাজীবপুর গ্রামের উত্তরপাড়ার আলম মিয়ার বাড়িসংলগ্ন একটি সেতু ছিল। পুরাতন হলেও ওই সেতু দিয়ে মানুষ ও যানবাহন চলাচল করত। কিন্তু মাসখানেক আগে টেন্ডার ছাড়াই ওই সেতুর অর্ধেকের বেশি অংশ ভেঙে ইট ও লোহাগুলো চেয়ারম্যান মোকলেছুর রহমান তাঁর বাড়িতে নিয়ে আসেন। বর্তমানে সেতুটি শূন্যে ঝুলে থাকায় মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। করা হয়নি কোনো সংযোগ সড়কও। সে কারণে চার গ্রামের প্রায় ২০ হাজার লোকের যাতায়াতে দুর্ভোগ হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আজ মঙ্গলবার দৈনিক আজকের পত্রিকার শেষ পাতায় ‘সেতুর ইট-রড খুলে নিলেন ইউপি চেয়ারম্যান, দুর্ভোগ’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

জামায়াত আমিরকে উদ্দেশ্য করে জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেছেন, ‘যে মা-বোনেরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কাজ করে, সংসার বাঁচান, নিজেদের মর্যাদা বাঁচান, বাচ্চাদের বড় করেন, আর আপনি তাঁদের পতিতা বললেন?
২ ঘণ্টা আগে
নওগাঁয় জামায়াত ইসলামী ও বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়নের মাখনা কোমলগোটা গ্রামে এ সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
দল থেকে বহিষ্কারের খবরে দিনাজপুরের বিএনপি নেতা মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন নেতা-কর্মীদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করেছেন। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে সর্বত্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি ‘রাজার ছেলে রাজা’-এই ধারার অবসান ঘটাতে হবে। একজন শ্রমিকের সন্তান যদি মেধাবী হয়, রাষ্ট্র তার মেধা বিকাশের দায়িত্ব নেবে। তাদের মধ্য থেকে আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী উঠে আসুক, এটাই স্বপ্ন।
২ ঘণ্টা আগেসুন্দরগঞ্জ ও গাইবান্ধা প্রতিনিধি

জামায়াত আমিরকে উদ্দেশ্য করে জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেছেন, ‘যে মা-বোনেরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কাজ করে, সংসার বাঁচান, নিজেদের মর্যাদা বাঁচান, বাচ্চাদের বড় করেন, আর আপনি তাঁদের পতিতা বললেন? আসলে নারীদের প্রতি আপনাদের সম্মানের ঘাটতি আছে। আপনাদের একাত্তরের চেতনার ঘাটতি আছে।’
আজ মঙ্গলবার উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের ধুবনী কঞ্চিবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, ‘জামায়াতের আমির সাহেব একজন সজ্জন মানুষ। বিশাল একটা হাসপাতাল চালান। উনি কিন্তু এ আন্দোলনের সময় বলেছিলেন, আমরা সবাইকে নিয়ে দেশ গড়ব এবং সবাইকে আমরা ক্ষমা করে দেব। আমরাও আশান্বিত হয়েছিলাম। হয়তোবা দেশে গণতন্ত্র রক্ষা পাবে, হয়তোবা দেশ বাঁচবে।
কিন্তু আমরা দেখলাম আওয়ামী লীগকে ব্যান্ড করা হলো দুদিনের একটা ফেক আন্দোলনে। তখন জামায়াতের কোনো লোক কথা বললেন না, বিএনপিও কোনো কথা বললেন না। কিন্তু আমরা কথা বলেছি।
কারণ জাতীয় পার্টি দেশ বাঁচানোর রাজনৈতিক করে। মানুষের বাঁচানোর রাজনীতি করে। মানুষের কল্যাণের রাজনীতি করে। যে জামায়াত এখন কথা রাখতে পারছে না তারা পরে কীভাবে কথা রাখবে?’
মো. আমিনুল ইসলাম মুকুটের সভাপতিত্বে ও মো. রেজাউল ইসলাম রানার সঞ্চালনায় পথসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন– সাবেক এমপি মো. ওয়াহিদুজ্জামান সরকার বাদশা, জাতীয় পার্টির উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মো আবদুল মান্নান মণ্ডল।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার সাধারণ সম্পাদক মো. যোবাইদুর রহমান চাদ, উপজেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম সাজু, কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক মো নুরুল হক, উপজেলা জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি মো. সাইদুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সভাপতি মো. সরওয়ার হোসেন বাবু প্রমুখ।

জামায়াত আমিরকে উদ্দেশ্য করে জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেছেন, ‘যে মা-বোনেরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কাজ করে, সংসার বাঁচান, নিজেদের মর্যাদা বাঁচান, বাচ্চাদের বড় করেন, আর আপনি তাঁদের পতিতা বললেন? আসলে নারীদের প্রতি আপনাদের সম্মানের ঘাটতি আছে। আপনাদের একাত্তরের চেতনার ঘাটতি আছে।’
আজ মঙ্গলবার উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের ধুবনী কঞ্চিবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, ‘জামায়াতের আমির সাহেব একজন সজ্জন মানুষ। বিশাল একটা হাসপাতাল চালান। উনি কিন্তু এ আন্দোলনের সময় বলেছিলেন, আমরা সবাইকে নিয়ে দেশ গড়ব এবং সবাইকে আমরা ক্ষমা করে দেব। আমরাও আশান্বিত হয়েছিলাম। হয়তোবা দেশে গণতন্ত্র রক্ষা পাবে, হয়তোবা দেশ বাঁচবে।
কিন্তু আমরা দেখলাম আওয়ামী লীগকে ব্যান্ড করা হলো দুদিনের একটা ফেক আন্দোলনে। তখন জামায়াতের কোনো লোক কথা বললেন না, বিএনপিও কোনো কথা বললেন না। কিন্তু আমরা কথা বলেছি।
কারণ জাতীয় পার্টি দেশ বাঁচানোর রাজনৈতিক করে। মানুষের বাঁচানোর রাজনীতি করে। মানুষের কল্যাণের রাজনীতি করে। যে জামায়াত এখন কথা রাখতে পারছে না তারা পরে কীভাবে কথা রাখবে?’
মো. আমিনুল ইসলাম মুকুটের সভাপতিত্বে ও মো. রেজাউল ইসলাম রানার সঞ্চালনায় পথসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন– সাবেক এমপি মো. ওয়াহিদুজ্জামান সরকার বাদশা, জাতীয় পার্টির উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মো আবদুল মান্নান মণ্ডল।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার সাধারণ সম্পাদক মো. যোবাইদুর রহমান চাদ, উপজেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম সাজু, কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক মো নুরুল হক, উপজেলা জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি মো. সাইদুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সভাপতি মো. সরওয়ার হোসেন বাবু প্রমুখ।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে টেন্ডার ছাড়াই পুরোনো ভালো সেতু খুলে নিয়ে যাওয়া সেই ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোকলেছুর রহমান মণ্ডলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে এর সন্তোষজনক জবাব চাওয়া হয়েছে ওই নোটিশে।
১২ ঘণ্টা আগে
নওগাঁয় জামায়াত ইসলামী ও বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়নের মাখনা কোমলগোটা গ্রামে এ সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
দল থেকে বহিষ্কারের খবরে দিনাজপুরের বিএনপি নেতা মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন নেতা-কর্মীদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করেছেন। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে সর্বত্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি ‘রাজার ছেলে রাজা’-এই ধারার অবসান ঘটাতে হবে। একজন শ্রমিকের সন্তান যদি মেধাবী হয়, রাষ্ট্র তার মেধা বিকাশের দায়িত্ব নেবে। তাদের মধ্য থেকে আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী উঠে আসুক, এটাই স্বপ্ন।
২ ঘণ্টা আগেনওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁয় জামায়াত ইসলামী ও বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়নের মাখনা কোমলগোটা গ্রামে এ সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে। বিএনপির দাবি, প্রচারণা চালাতে গিয়ে জামায়াত কর্মীরা রান্নাবান্নার আয়োজন করেছিল। সেটির ভিডিও করতে গেলে সংর্ঘষ বাঁধে। অন্যদিকে জামায়াতের দাবি, খাবারের কোন আয়োজন ছিল না।
স্থানীয় সূত্র জানায়, জামায়াতের প্রার্থী আ স ম সায়েম আজ মাখনা কোমলগোটা গ্রামে প্রচারণা চালাতে যান। সেখানে জামায়াতের কর্মী শহীদ মোল্লার বাড়িতে দুপুরের খাবারের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রচারণা শেষে জামায়াত প্রার্থীসহ কর্মী-সমর্থকরা সেখানে বিশ্রাম করছিলেন। এ সময় গোপাই গ্রামের বিএনপির কর্মী-সমর্থকরা তাদের খাবারের ভিডিও ধারণ করতে গেলে দুইপক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ নেতা-কর্মী আহত হন। ঘটনার খবর পেয়ে হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়নের বিএনপি নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে জামায়াত নেতা-কর্মীদের আটকে রাখেন। পরে থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে তাদের উদ্ধার করেন।
এ ঘটনায় আহত বিএনপি কর্মী রাকিব হাসান বলেন, জামায়াতের কর্মীরা খাবারের রান্নাবান্নার আয়োজন করে। আমরা দুই তিনজন রান্নার ভিডিও করতে গেলে তারা আমাদেরকে বাধা দেয়। পরে জামায়াতের ৫০-৬০ জন এসে আমাদের উপর আক্রমণ করে। কয়েকদিন আগে আমরা আমাদের এমপি প্রার্থীর আগমনকে কেন্দ্র করে খাবারের আয়োজন করেছিলাম। সেখানে গিয়ে জামায়াতের নেতারা বাধা প্রদান করে এবং আমাদেরকে আয়োজন করতে দেয় না।
আহত জামায়াত কর্মী হাসান প্রামানিক বলেন, আমাদের প্রার্থী প্রচারণা শেষে বিশ্রাম নিচ্ছিল। এ সময় পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকজন ছেলে বাড়ির আশেপাশে ভিডিও করে। তারা দাবি করে, আমরা নাকি খাবারের আয়োজন করেছি। কিন্তু ওখানে কোন খাবারের আয়োজন ছিল না। তারা এসব বলে পরিবেশ উত্তপ্ত করে।
নওগাঁ সদর উপজেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম বলেন, গণসংযোগ শেষে বিকেলে জামায়াতের প্রার্থী একটি বাড়িতে বিশ্রাম করছিলেন। এসময় বিএনপির সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যার উদ্যেশ্যে পাইপ নিয়ে অতর্কিতভাবে হামলা করে। হামলায় জামায়াতের ৮ কর্মী আহত হয়েছে। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নওগাঁ জেলা বিএনপির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু বলেন, জামায়াতের লোকেরা হামলা করে আমাদের দুইজনকে আহত করাসহ মোবাইল ফোন ভাঙচুর করেছে। বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে আমাদের ছেলেদের কাছ থেকে ঘটনার সত্যতা জানতে পারি। তিনি আরও বলেন, এলাকাটি প্রত্যন্ত। কিছুদিন আগে ধানের শীষ প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম ধলু ওই এলাকায় প্রচারনায় গিয়েছিলেন। সেখানে স্থানীয় বিএনপি নেতা জালাল খাবারের আয়োজন করেছিল। কিন্তু জামায়াতের লোকজন প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করায় ম্যাজিস্ট্রেট আসে। প্রায় ২০০ লোক খাবারগুলো না খাওয়া নষ্ট হয়ে যায়। জামায়াতের লোকজন আজ খাবারের আয়োজন করে। সেখানে আমাদের ছেলেরা গিয়ে খাবারের ভিডিও করার সময় জামায়াতের লোকজন মারধর করে এবং মোবাইল ভাঙচুর করে। এতে দুইজন আহত হয়েছে।
এ বিষয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিয়ামুল হক বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। যে যার মতো ঘটনাস্থল থেকে চলে গেছে। এঘটনায় কোন পক্ষই অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নওগাঁয় জামায়াত ইসলামী ও বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়নের মাখনা কোমলগোটা গ্রামে এ সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে। বিএনপির দাবি, প্রচারণা চালাতে গিয়ে জামায়াত কর্মীরা রান্নাবান্নার আয়োজন করেছিল। সেটির ভিডিও করতে গেলে সংর্ঘষ বাঁধে। অন্যদিকে জামায়াতের দাবি, খাবারের কোন আয়োজন ছিল না।
স্থানীয় সূত্র জানায়, জামায়াতের প্রার্থী আ স ম সায়েম আজ মাখনা কোমলগোটা গ্রামে প্রচারণা চালাতে যান। সেখানে জামায়াতের কর্মী শহীদ মোল্লার বাড়িতে দুপুরের খাবারের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রচারণা শেষে জামায়াত প্রার্থীসহ কর্মী-সমর্থকরা সেখানে বিশ্রাম করছিলেন। এ সময় গোপাই গ্রামের বিএনপির কর্মী-সমর্থকরা তাদের খাবারের ভিডিও ধারণ করতে গেলে দুইপক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ নেতা-কর্মী আহত হন। ঘটনার খবর পেয়ে হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়নের বিএনপি নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে জামায়াত নেতা-কর্মীদের আটকে রাখেন। পরে থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে তাদের উদ্ধার করেন।
এ ঘটনায় আহত বিএনপি কর্মী রাকিব হাসান বলেন, জামায়াতের কর্মীরা খাবারের রান্নাবান্নার আয়োজন করে। আমরা দুই তিনজন রান্নার ভিডিও করতে গেলে তারা আমাদেরকে বাধা দেয়। পরে জামায়াতের ৫০-৬০ জন এসে আমাদের উপর আক্রমণ করে। কয়েকদিন আগে আমরা আমাদের এমপি প্রার্থীর আগমনকে কেন্দ্র করে খাবারের আয়োজন করেছিলাম। সেখানে গিয়ে জামায়াতের নেতারা বাধা প্রদান করে এবং আমাদেরকে আয়োজন করতে দেয় না।
আহত জামায়াত কর্মী হাসান প্রামানিক বলেন, আমাদের প্রার্থী প্রচারণা শেষে বিশ্রাম নিচ্ছিল। এ সময় পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকজন ছেলে বাড়ির আশেপাশে ভিডিও করে। তারা দাবি করে, আমরা নাকি খাবারের আয়োজন করেছি। কিন্তু ওখানে কোন খাবারের আয়োজন ছিল না। তারা এসব বলে পরিবেশ উত্তপ্ত করে।
নওগাঁ সদর উপজেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম বলেন, গণসংযোগ শেষে বিকেলে জামায়াতের প্রার্থী একটি বাড়িতে বিশ্রাম করছিলেন। এসময় বিএনপির সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যার উদ্যেশ্যে পাইপ নিয়ে অতর্কিতভাবে হামলা করে। হামলায় জামায়াতের ৮ কর্মী আহত হয়েছে। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নওগাঁ জেলা বিএনপির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু বলেন, জামায়াতের লোকেরা হামলা করে আমাদের দুইজনকে আহত করাসহ মোবাইল ফোন ভাঙচুর করেছে। বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে আমাদের ছেলেদের কাছ থেকে ঘটনার সত্যতা জানতে পারি। তিনি আরও বলেন, এলাকাটি প্রত্যন্ত। কিছুদিন আগে ধানের শীষ প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম ধলু ওই এলাকায় প্রচারনায় গিয়েছিলেন। সেখানে স্থানীয় বিএনপি নেতা জালাল খাবারের আয়োজন করেছিল। কিন্তু জামায়াতের লোকজন প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করায় ম্যাজিস্ট্রেট আসে। প্রায় ২০০ লোক খাবারগুলো না খাওয়া নষ্ট হয়ে যায়। জামায়াতের লোকজন আজ খাবারের আয়োজন করে। সেখানে আমাদের ছেলেরা গিয়ে খাবারের ভিডিও করার সময় জামায়াতের লোকজন মারধর করে এবং মোবাইল ভাঙচুর করে। এতে দুইজন আহত হয়েছে।
এ বিষয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিয়ামুল হক বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। যে যার মতো ঘটনাস্থল থেকে চলে গেছে। এঘটনায় কোন পক্ষই অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে টেন্ডার ছাড়াই পুরোনো ভালো সেতু খুলে নিয়ে যাওয়া সেই ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোকলেছুর রহমান মণ্ডলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে এর সন্তোষজনক জবাব চাওয়া হয়েছে ওই নোটিশে।
১২ ঘণ্টা আগে
জামায়াত আমিরকে উদ্দেশ্য করে জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেছেন, ‘যে মা-বোনেরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কাজ করে, সংসার বাঁচান, নিজেদের মর্যাদা বাঁচান, বাচ্চাদের বড় করেন, আর আপনি তাঁদের পতিতা বললেন?
২ ঘণ্টা আগে
দল থেকে বহিষ্কারের খবরে দিনাজপুরের বিএনপি নেতা মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন নেতা-কর্মীদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করেছেন। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে সর্বত্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি ‘রাজার ছেলে রাজা’-এই ধারার অবসান ঘটাতে হবে। একজন শ্রমিকের সন্তান যদি মেধাবী হয়, রাষ্ট্র তার মেধা বিকাশের দায়িত্ব নেবে। তাদের মধ্য থেকে আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী উঠে আসুক, এটাই স্বপ্ন।
২ ঘণ্টা আগেফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

দল থেকে বহিষ্কারের খবরে দিনাজপুরের বিএনপি নেতা মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন নেতা-কর্মীদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করেছেন। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে সর্বত্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এর আগে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এতে বলা হয়, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য দিনাজপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ফুলবাড়ী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন সাহাজুলকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
জানা গেছে, আসন্ন সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় দল থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
তবে সংগঠনবিরোধী অভিযোগ অস্বীকার করে শাহাদাত হোসেন সাহাজুল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাকে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার জন্য কেউ আহ্বান জানায়নি। সে কারণে আমি বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছি। সংগঠনবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড আমি করিনি।’

দল থেকে বহিষ্কারের খবরে দিনাজপুরের বিএনপি নেতা মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন নেতা-কর্মীদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করেছেন। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে সর্বত্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এর আগে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এতে বলা হয়, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য দিনাজপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ফুলবাড়ী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন সাহাজুলকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
জানা গেছে, আসন্ন সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় দল থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
তবে সংগঠনবিরোধী অভিযোগ অস্বীকার করে শাহাদাত হোসেন সাহাজুল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাকে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার জন্য কেউ আহ্বান জানায়নি। সে কারণে আমি বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছি। সংগঠনবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড আমি করিনি।’

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে টেন্ডার ছাড়াই পুরোনো ভালো সেতু খুলে নিয়ে যাওয়া সেই ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোকলেছুর রহমান মণ্ডলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে এর সন্তোষজনক জবাব চাওয়া হয়েছে ওই নোটিশে।
১২ ঘণ্টা আগে
জামায়াত আমিরকে উদ্দেশ্য করে জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেছেন, ‘যে মা-বোনেরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কাজ করে, সংসার বাঁচান, নিজেদের মর্যাদা বাঁচান, বাচ্চাদের বড় করেন, আর আপনি তাঁদের পতিতা বললেন?
২ ঘণ্টা আগে
নওগাঁয় জামায়াত ইসলামী ও বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়নের মাখনা কোমলগোটা গ্রামে এ সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি ‘রাজার ছেলে রাজা’-এই ধারার অবসান ঘটাতে হবে। একজন শ্রমিকের সন্তান যদি মেধাবী হয়, রাষ্ট্র তার মেধা বিকাশের দায়িত্ব নেবে। তাদের মধ্য থেকে আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী উঠে আসুক, এটাই স্বপ্ন।
২ ঘণ্টা আগেগাজীপুর প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি ‘রাজার ছেলে রাজা’-এই ধারার অবসান ঘটাতে হবে। একজন শ্রমিকের সন্তান যদি মেধাবী হয়, রাষ্ট্র তার মেধা বিকাশের দায়িত্ব নেবে। তাদের মধ্য থেকে আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী উঠে আসুক, এটাই স্বপ্ন।
আজ মঙ্গলবার বিকালে গাজীপুরের ঐতিহাসিক ভাওয়াল রাজবাড়ী মাঠে ১১ দলীয় জোটের জনসভায় এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। সমাবেশে মায়ের সম্মান, শ্রমিকের অধিকার, নারীর মর্যাদা এবং ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার করেন তিনি।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘জীবন দেবো, কিন্তু মায়ের সম্মান নিয়ে কাউকে টানাটানি করতে দেবো না। যারা মায়ের গায়ে হাত তোলে, মায়ের সন্তানেরা তাদের ক্ষমা করবে না।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘গাজীপুর একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল হলেও শ্রমিকদের শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবায় মারাত্মক ঘাটতি রয়েছে। শিল্প যেখানে থাকবে, পরিকল্পনাও সেখানে থাকতে হবে। ইনসাফের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হলে গাজীপুরকে প্রকৃত শিল্পাঞ্চলের মর্যাদায় সাজানো হবে।’ তিনি বলেন, ‘শ্রমিকরা বিশেষ করে নারী শ্রমিকরা চরম বৈষম্যের শিকার। একই কাজ করেও পুরুষ ও নারীর বেতন ভিন্ন—এই বৈষম্য আর চলবে না।’
নারীর মর্যাদা ও মাতৃত্ব সুরক্ষার বিষয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘সন্তান গর্ভে আসার পর থেকে জন্ম ও লালন-পালনের জন্য দুই থেকে আড়াই বছর নারীদের দৈনিক কর্মঘণ্টা পাঁচ ঘণ্টা নির্ধারণ করা হবে। বাকি সময় সন্তান পরিচর্যার জন্য বরাদ্দ থাকবে এবং সেই সময়ের বেতন সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে। কারণ, সুস্থ মা ও সুস্থ শিশুই আগামী দিনের সুস্থ সমাজ গড়ে তোলে।’
গাজীপুর মহানগর জামায়াতের আমির অধ্যাপক জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি আ স ম ফারুকের সঞ্চালনায় জনসভায় আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা যয়নুল আবেদীন, ঢাকা উত্তর জামায়াতের অঞ্চল টিম সদস্য মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, গাজীপুর জেলা জামায়াতের আমির ডা. জাহাঙ্গীর আলম, গাজীপুর মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির মো. হোসেন আলী, জেলা সহকারী সেক্রেটারি আনিসুর রহমান বিশ্বাস, আজহারুল ইসলাম মোল্লা, মোস্তাফিজুর রহমান, ছাত্রশিবিরের গাজীপুর জেলা সভাপতি ইয়াসিন আরাফাতসহ ১১ দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।
জনসভায় শফিকুর রহমান গাজীপুর-১ আসনে শাহ আলম বখশী (দাঁড়িপাল্লা), গাজীপুর-২ আসনে অ্যাডভোকেট আলী নাসের খান (শাপলা কলি), গাজীপুর-৩ আসনে মাওলানা এহসানুল হক (রিকশা), গাজীপুর-৪ আসনে সালাহউদ্দিন আইউবী (দাঁড়িপাল্লা), গাজীপুর-৫ আসনে মো. খায়রুল হাসান (দাঁড়িপাল্লা) এবং নরসিংদী-২ আসনে সারোয়ার তুষারকে (শাপলা কলি) জনতার সামনে পরিচয় করিয়ে দেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি ‘রাজার ছেলে রাজা’-এই ধারার অবসান ঘটাতে হবে। একজন শ্রমিকের সন্তান যদি মেধাবী হয়, রাষ্ট্র তার মেধা বিকাশের দায়িত্ব নেবে। তাদের মধ্য থেকে আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী উঠে আসুক, এটাই স্বপ্ন।
আজ মঙ্গলবার বিকালে গাজীপুরের ঐতিহাসিক ভাওয়াল রাজবাড়ী মাঠে ১১ দলীয় জোটের জনসভায় এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। সমাবেশে মায়ের সম্মান, শ্রমিকের অধিকার, নারীর মর্যাদা এবং ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার করেন তিনি।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘জীবন দেবো, কিন্তু মায়ের সম্মান নিয়ে কাউকে টানাটানি করতে দেবো না। যারা মায়ের গায়ে হাত তোলে, মায়ের সন্তানেরা তাদের ক্ষমা করবে না।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘গাজীপুর একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল হলেও শ্রমিকদের শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবায় মারাত্মক ঘাটতি রয়েছে। শিল্প যেখানে থাকবে, পরিকল্পনাও সেখানে থাকতে হবে। ইনসাফের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হলে গাজীপুরকে প্রকৃত শিল্পাঞ্চলের মর্যাদায় সাজানো হবে।’ তিনি বলেন, ‘শ্রমিকরা বিশেষ করে নারী শ্রমিকরা চরম বৈষম্যের শিকার। একই কাজ করেও পুরুষ ও নারীর বেতন ভিন্ন—এই বৈষম্য আর চলবে না।’
নারীর মর্যাদা ও মাতৃত্ব সুরক্ষার বিষয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘সন্তান গর্ভে আসার পর থেকে জন্ম ও লালন-পালনের জন্য দুই থেকে আড়াই বছর নারীদের দৈনিক কর্মঘণ্টা পাঁচ ঘণ্টা নির্ধারণ করা হবে। বাকি সময় সন্তান পরিচর্যার জন্য বরাদ্দ থাকবে এবং সেই সময়ের বেতন সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে। কারণ, সুস্থ মা ও সুস্থ শিশুই আগামী দিনের সুস্থ সমাজ গড়ে তোলে।’
গাজীপুর মহানগর জামায়াতের আমির অধ্যাপক জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি আ স ম ফারুকের সঞ্চালনায় জনসভায় আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা যয়নুল আবেদীন, ঢাকা উত্তর জামায়াতের অঞ্চল টিম সদস্য মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, গাজীপুর জেলা জামায়াতের আমির ডা. জাহাঙ্গীর আলম, গাজীপুর মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির মো. হোসেন আলী, জেলা সহকারী সেক্রেটারি আনিসুর রহমান বিশ্বাস, আজহারুল ইসলাম মোল্লা, মোস্তাফিজুর রহমান, ছাত্রশিবিরের গাজীপুর জেলা সভাপতি ইয়াসিন আরাফাতসহ ১১ দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।
জনসভায় শফিকুর রহমান গাজীপুর-১ আসনে শাহ আলম বখশী (দাঁড়িপাল্লা), গাজীপুর-২ আসনে অ্যাডভোকেট আলী নাসের খান (শাপলা কলি), গাজীপুর-৩ আসনে মাওলানা এহসানুল হক (রিকশা), গাজীপুর-৪ আসনে সালাহউদ্দিন আইউবী (দাঁড়িপাল্লা), গাজীপুর-৫ আসনে মো. খায়রুল হাসান (দাঁড়িপাল্লা) এবং নরসিংদী-২ আসনে সারোয়ার তুষারকে (শাপলা কলি) জনতার সামনে পরিচয় করিয়ে দেন।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে টেন্ডার ছাড়াই পুরোনো ভালো সেতু খুলে নিয়ে যাওয়া সেই ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোকলেছুর রহমান মণ্ডলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে এর সন্তোষজনক জবাব চাওয়া হয়েছে ওই নোটিশে।
১২ ঘণ্টা আগে
জামায়াত আমিরকে উদ্দেশ্য করে জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেছেন, ‘যে মা-বোনেরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কাজ করে, সংসার বাঁচান, নিজেদের মর্যাদা বাঁচান, বাচ্চাদের বড় করেন, আর আপনি তাঁদের পতিতা বললেন?
২ ঘণ্টা আগে
নওগাঁয় জামায়াত ইসলামী ও বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়নের মাখনা কোমলগোটা গ্রামে এ সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
দল থেকে বহিষ্কারের খবরে দিনাজপুরের বিএনপি নেতা মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন নেতা-কর্মীদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করেছেন। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে সর্বত্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে