ফেনী প্রতিনিধি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-১ আসনে ভোটারদের মধ্যে নগদ টাকা বিতরণের অভিযোগ উঠেছে লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী শাহরিয়ার ইকবালের সমর্থকদের বিরুদ্ধে। গতকাল রোববার বিকেলে ফুলগাজীতে একটি উঠান বৈঠকে এভাবে ভোটারদের টাকা বিতরণ করা হয় বলে জানা গেছে। অবশ্য মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে শাহরিয়ার ইকবাল টাকা দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন।
রোববার সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রামে জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী শাহরিয়ার ইকবালের একটি উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে শাহরিয়ার ইকবালের উপস্থিতিতে তাঁর সমর্থকেরা ভোটারদের লাঙ্গল প্রতীকে ভোট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রকাশ্যে টাকা দেন বলে জানান সেখানে উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন ব্যক্তি। এই টাকা দেওয়ার ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।
এর আগে শনিবার বিকেলে ফুলগাজী বাজারে গণসংযোগ শেষে উপস্থিত ভোটারদের মধ্যে শাহরিয়ার ইকবালের সমর্থকেরা নগদ টাকা বিতরণ করেন বলেও অভিযোগ আছে। যা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন। নির্বাচন কমিশন থেকে বলা হয়েছে কোনো প্রার্থী যদি টাকা দিয়ে ভোটারদের নির্বাচনে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন নির্বাচন কমিশনের ধারা অনুযায়ী তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। প্রার্থীর প্রার্থিতাও বাতিল হতে পারে এই অপরাধে।
এ বিষয়ে শাহরিয়ার ইকবাল রিয়াদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন। টাকা দেওয়ার মুহূর্তের ছবিটি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি দ্রুত লাইন কেটে দেন। এরপর একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।
উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইউএনও তানিয়া ভূঁইয়া বলেন, টাকা দিয়ে ভোটারদের ভোটদানে প্রভাবিত করা নির্বাচনী আচরণবিধির সম্পূর্ণ লঙ্ঘন। কারও বিরুদ্ধে এমন সুস্পষ্ট অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-১ আসনে ভোটারদের মধ্যে নগদ টাকা বিতরণের অভিযোগ উঠেছে লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী শাহরিয়ার ইকবালের সমর্থকদের বিরুদ্ধে। গতকাল রোববার বিকেলে ফুলগাজীতে একটি উঠান বৈঠকে এভাবে ভোটারদের টাকা বিতরণ করা হয় বলে জানা গেছে। অবশ্য মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে শাহরিয়ার ইকবাল টাকা দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন।
রোববার সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রামে জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী শাহরিয়ার ইকবালের একটি উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে শাহরিয়ার ইকবালের উপস্থিতিতে তাঁর সমর্থকেরা ভোটারদের লাঙ্গল প্রতীকে ভোট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রকাশ্যে টাকা দেন বলে জানান সেখানে উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন ব্যক্তি। এই টাকা দেওয়ার ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।
এর আগে শনিবার বিকেলে ফুলগাজী বাজারে গণসংযোগ শেষে উপস্থিত ভোটারদের মধ্যে শাহরিয়ার ইকবালের সমর্থকেরা নগদ টাকা বিতরণ করেন বলেও অভিযোগ আছে। যা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন। নির্বাচন কমিশন থেকে বলা হয়েছে কোনো প্রার্থী যদি টাকা দিয়ে ভোটারদের নির্বাচনে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন নির্বাচন কমিশনের ধারা অনুযায়ী তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। প্রার্থীর প্রার্থিতাও বাতিল হতে পারে এই অপরাধে।
এ বিষয়ে শাহরিয়ার ইকবাল রিয়াদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন। টাকা দেওয়ার মুহূর্তের ছবিটি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি দ্রুত লাইন কেটে দেন। এরপর একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।
উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইউএনও তানিয়া ভূঁইয়া বলেন, টাকা দিয়ে ভোটারদের ভোটদানে প্রভাবিত করা নির্বাচনী আচরণবিধির সম্পূর্ণ লঙ্ঘন। কারও বিরুদ্ধে এমন সুস্পষ্ট অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে