ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরের নগরকান্দায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত কবির ভূঁইয়ার (৫৫) পরিচয় নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা বিএনপির শামা ওবায়েদপন্থীদের দাবি, নিহত ব্যক্তি অনুপ্রবেশকারী। অপর পক্ষ শহিদুল ইসলাম বাবুলের দাবি, তিনি উপজেলা কৃষক দলের সদস্য ও তাঁর সমর্থক। তবে নিহত ব্যক্তি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না বলে জানায় তাঁর পরিবার।
নিহতের ছেলে মো. তারেক ভূঁইয়া মোবাইল ফোনে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার বাবা কোনো রাজনীতি করতেন না। বুধবার বাজারে গিয়েছিলেন কিন্তু মারামারিতে যাননি। আমার বাবা ছাগলদী মোড়ে দোকান থেকে পান কিনতে গিয়েছিলেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘সংঘর্ষের সময় রিংকুর লোকজন মনে করে শহিদুলের লোক। এরপরই তারা মারধর শুরু করে। আমার বাবাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে রিংকু লোকজনই।’ এ ঘটনায় কারও সহযোগিতা না পেয়ে এখন পর্যন্ত মামলা করতে পারেননি বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ছাড়া বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’
এর আগে গতকাল বুধবার জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুলের নগরকান্দায় পথসভাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়ায় স্থানীয় বিএনপির দুটি পক্ষ। সংঘর্ষে কবির ভূঁইয়া নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হন। এ ঘটনায় শামা ওবায়েদ রিংকু ও শহিদুল ইসলাম বাবুলের পদ স্থগিত করেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
সংঘর্ষের পর এক সংবাদ সম্মেলনে শহিদুল ইসলাম বাবুল দাবি করেন, নিহত ব্যক্তি উপজেলা কৃষক দলের সদস্য এবং তাঁর সমর্থক। একই সঙ্গে তিনি এই খুনের মদদদাতা ও নির্দেশ দাতা হিসেবে শামা ওবায়েদ রিংকুকে দায়ী করেন।
এদিকে আজ বৃহস্পতিবার ফরিদপুর প্রেসক্লাবে নগরকান্দা ও সালথা উপজেলা বিএনপির ব্যানারে ‘বহিরাগত সন্ত্রাসীদের সঙ্গে নিয়ে নগরকান্দায় নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রতিবাদে’ সংবাদ সম্মেলন করে শামা ওবায়েদ রিংকুর অনুসারীরা।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জুলফিকার হোসেন জুয়েল বলেন, শহিদুল ইসলাম বাবুল নব্য বিএনপি ও অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে শোডাউন এবং পথসভা করার চেষ্টা করেন। এসব জানতে পেরে নগরকান্দা উপজেলা বিএনপি তাঁদের প্রতিহত করে।
তিনি নিহত ব্যক্তিকে অনুপ্রবেশকারী হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ‘কবির ভূঁইয়া বিএনপি বা কৃষক দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তিনি তরিকত ফেডারেশন নামে কোদালিয়া শহীদনগর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং এই সংগঠন আওয়ামী লীগের জোটভুক্ত দলের একটি।
এ সময় জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফজাল হোসেন খান পলাশ, নগরকান্দা উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মুকুলসহ সালথা ও নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ফরিদপুরের নগরকান্দায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত কবির ভূঁইয়ার (৫৫) পরিচয় নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা বিএনপির শামা ওবায়েদপন্থীদের দাবি, নিহত ব্যক্তি অনুপ্রবেশকারী। অপর পক্ষ শহিদুল ইসলাম বাবুলের দাবি, তিনি উপজেলা কৃষক দলের সদস্য ও তাঁর সমর্থক। তবে নিহত ব্যক্তি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না বলে জানায় তাঁর পরিবার।
নিহতের ছেলে মো. তারেক ভূঁইয়া মোবাইল ফোনে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার বাবা কোনো রাজনীতি করতেন না। বুধবার বাজারে গিয়েছিলেন কিন্তু মারামারিতে যাননি। আমার বাবা ছাগলদী মোড়ে দোকান থেকে পান কিনতে গিয়েছিলেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘সংঘর্ষের সময় রিংকুর লোকজন মনে করে শহিদুলের লোক। এরপরই তারা মারধর শুরু করে। আমার বাবাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে রিংকু লোকজনই।’ এ ঘটনায় কারও সহযোগিতা না পেয়ে এখন পর্যন্ত মামলা করতে পারেননি বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ছাড়া বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’
এর আগে গতকাল বুধবার জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুলের নগরকান্দায় পথসভাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়ায় স্থানীয় বিএনপির দুটি পক্ষ। সংঘর্ষে কবির ভূঁইয়া নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হন। এ ঘটনায় শামা ওবায়েদ রিংকু ও শহিদুল ইসলাম বাবুলের পদ স্থগিত করেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
সংঘর্ষের পর এক সংবাদ সম্মেলনে শহিদুল ইসলাম বাবুল দাবি করেন, নিহত ব্যক্তি উপজেলা কৃষক দলের সদস্য এবং তাঁর সমর্থক। একই সঙ্গে তিনি এই খুনের মদদদাতা ও নির্দেশ দাতা হিসেবে শামা ওবায়েদ রিংকুকে দায়ী করেন।
এদিকে আজ বৃহস্পতিবার ফরিদপুর প্রেসক্লাবে নগরকান্দা ও সালথা উপজেলা বিএনপির ব্যানারে ‘বহিরাগত সন্ত্রাসীদের সঙ্গে নিয়ে নগরকান্দায় নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রতিবাদে’ সংবাদ সম্মেলন করে শামা ওবায়েদ রিংকুর অনুসারীরা।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জুলফিকার হোসেন জুয়েল বলেন, শহিদুল ইসলাম বাবুল নব্য বিএনপি ও অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে শোডাউন এবং পথসভা করার চেষ্টা করেন। এসব জানতে পেরে নগরকান্দা উপজেলা বিএনপি তাঁদের প্রতিহত করে।
তিনি নিহত ব্যক্তিকে অনুপ্রবেশকারী হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ‘কবির ভূঁইয়া বিএনপি বা কৃষক দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তিনি তরিকত ফেডারেশন নামে কোদালিয়া শহীদনগর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং এই সংগঠন আওয়ামী লীগের জোটভুক্ত দলের একটি।
এ সময় জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফজাল হোসেন খান পলাশ, নগরকান্দা উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মুকুলসহ সালথা ও নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

টানা ছয় দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় দিন শুরু হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে গিয়ে রোদ ওঠায় কিছুটা স্বস্তি মিলছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে
৩১ মিনিট আগে
নদের এক পারে মনিরামপুর উপজেলার ডুমুরখালি বাজার এবং অপর পারে ঝিকরগাছা উপজেলার উজ্জ্বলপুর গ্রাম। এ ছাড়া নদীর ওপারে ডুমুরখালী গ্রামের মানুষের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ও মাছের ঘের রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগব্যবস্থার অভাবে দুই পারের মানুষকে নৌকায় পারাপারের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হতো।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আপিল শুনানিতে পিরোজপুর-২ (কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাহমুদ হোসেনের মনোনয়ন বাতিল বহাল রাখা হয়েছে। ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক তালিকায় গরমিল এবং ঋণখেলাপি থাকার অভিযোগে তাঁর আপিল নামঞ্জুর করেছে নির্বাচন কমিশন। ফলে আসন্ন নির্বাচনে তাঁর
১ ঘণ্টা আগে
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নবীন সৈনিকদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন এবং কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করবেন।
২ ঘণ্টা আগে