মধুখালী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

বকেয়া পাওনার দাবিতে ফরিদপুর চিনিকলের অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারী ও কর্মকর্তারা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। আজ শনিবার সকাল ১০টায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মধুখালী রেলগেট এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারী ও কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির ফরিদপুর চিনিকল শাখার সভাপতি আলী আকবর শেখের সভাপতিত্বে ও আব্দুল হাই কাজলের সঞ্চালনায় মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন ফরিদপুর চিনিকল শ্রমজীবী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক কাজল বসু, ফরিদপুর চিনিকলের সাবেক কৃষি কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম, সৈয়দ এটিএম মাসউদ, সুরঞ্জন বাড়ৈ, সাবেক শ্রমিক নেতা মো. জহুরুল হক, অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারী ও কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির ফরিদপুর চিনিকল শাখার সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার বাদশা, মো. সিদ্দিকী আলী খান, মো. রেজাউল হক, মো. রফিকউদ্দিন মোল্যা মো. সিরাজুল ইসলাম ও মোছা. জোহরা বেগম প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ফরিদপুর চিনিকলের ৩২১ জন শ্রমিক কর্মচারী ও কর্মকর্তার গ্রাইচ্যুটি, সরকার ঘোষিত জাতীয় মজুরি কমিশন, মজুরি ও বেতন স্কেলের বকেয়াসহ ফরিদপুর চিনিকলের কাছে প্রায় ২৫ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। অবসরের ৬-৭ বছর হলেও পাওনা টাকা পাওয়া যাচ্ছে না। পাওনা টাকা না পাওয়ার কারণে ৩২১টি পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে।
বক্তারা বলেন, ‘মানবতার জননী প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমাদের আকুল আবেদন ফরিদপুর চিনিকলের অবসরপ্রাপ্ত ৩২১টি পরিবার রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।’পাওনার দাবিতে অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারী ও কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে আরও দুদিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর চিনি শিল্প ভবন ও শিল্প
মন্ত্রণালয় প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ মহাসমাবেশ, মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান এবং ৭ সেপ্টেম্বর চিনি শিল্প ভবন ও শিল্প মন্ত্রণালয় প্রাঙ্গণে অবস্থান গ্রহণ ও প্রতীকী অনশন।
মধুখালী রেলগেট এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। পরে ফরিদপুর চিনিকলের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

বকেয়া পাওনার দাবিতে ফরিদপুর চিনিকলের অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারী ও কর্মকর্তারা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। আজ শনিবার সকাল ১০টায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মধুখালী রেলগেট এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারী ও কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির ফরিদপুর চিনিকল শাখার সভাপতি আলী আকবর শেখের সভাপতিত্বে ও আব্দুল হাই কাজলের সঞ্চালনায় মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন ফরিদপুর চিনিকল শ্রমজীবী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক কাজল বসু, ফরিদপুর চিনিকলের সাবেক কৃষি কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম, সৈয়দ এটিএম মাসউদ, সুরঞ্জন বাড়ৈ, সাবেক শ্রমিক নেতা মো. জহুরুল হক, অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারী ও কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির ফরিদপুর চিনিকল শাখার সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার বাদশা, মো. সিদ্দিকী আলী খান, মো. রেজাউল হক, মো. রফিকউদ্দিন মোল্যা মো. সিরাজুল ইসলাম ও মোছা. জোহরা বেগম প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ফরিদপুর চিনিকলের ৩২১ জন শ্রমিক কর্মচারী ও কর্মকর্তার গ্রাইচ্যুটি, সরকার ঘোষিত জাতীয় মজুরি কমিশন, মজুরি ও বেতন স্কেলের বকেয়াসহ ফরিদপুর চিনিকলের কাছে প্রায় ২৫ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। অবসরের ৬-৭ বছর হলেও পাওনা টাকা পাওয়া যাচ্ছে না। পাওনা টাকা না পাওয়ার কারণে ৩২১টি পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে।
বক্তারা বলেন, ‘মানবতার জননী প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমাদের আকুল আবেদন ফরিদপুর চিনিকলের অবসরপ্রাপ্ত ৩২১টি পরিবার রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।’পাওনার দাবিতে অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারী ও কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে আরও দুদিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর চিনি শিল্প ভবন ও শিল্প
মন্ত্রণালয় প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ মহাসমাবেশ, মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান এবং ৭ সেপ্টেম্বর চিনি শিল্প ভবন ও শিল্প মন্ত্রণালয় প্রাঙ্গণে অবস্থান গ্রহণ ও প্রতীকী অনশন।
মধুখালী রেলগেট এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। পরে ফরিদপুর চিনিকলের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে