ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরে একটি বসতবাড়ির আঙিনা থেকে দুটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। আজ দুপুরে জেলা সদরের কানাইপুর ইউনিয়নের ভাটিকানাইপুরের ওবায়দুর মোল্যা (৫৫) নামের সাবেক এক ইউপি সদস্যের বসতবাড়ির আঙিনায় এগুলো পাওয়া যায়। জমি-সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষরা ভয় দেখাতে ককটেলগুলো রেখে যেতে পারে বলে সন্দেহ করছেন ওই বাড়ির সদস্যরা। তবে প্রতিপক্ষের দাবি, ষড়যন্ত্র করে তাদের ফাঁসানো হচ্ছে।
আজ বেলা ১টার দিকে মমতাজ মঞ্জিল নামের বাড়ির আঙিনায় ফুলের বাগান থেকে ককটেল দুটি উদ্ধার করেন পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা। এর আগে সকালে ওই স্থানে লাল স্কচটেপে মোড়ানো ককটেল দুটি দেখতে পান বাড়ির সদস্যরা। পরে কোতোয়ালি থানা-পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
বাড়িওয়ালার ছেলে মিজানুর মোল্যা জানান, প্রতিবেশী ও ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কবির মোল্যা ও আফজাল মাতব্বরদের সঙ্গে জমি-সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে তাঁদের। তিনি বলেন, ‘গত তিন দিন ধরে বাড়ির সামনে লোকজন নিয়ে মহড়া দিচ্ছে প্রতিপক্ষরা। আমাদের অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি, ঘরের সামনেই ককটেল। আমাদের ধারণা, ভয় দেখানোর জন্য তাঁরাই এগুলো রেখে গেছে। আমরা এখন মামলা করব।’
অপরদিকে বিএনপি নেতা কবির মাতব্বর দাবি করেন, ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাঁদের ফাঁসানো হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ওবায়দুরদের সঙ্গে আমাদের জমি-সংক্রান্ত কোনো বিরোধ বা ঝামেলা নেই। অন্য একজনের সঙ্গে ঝামেলা চলতেছে। আমার বড় ভাই আমিন মাতব্বরকে (৭৫) ওই জমির মামলায় সাক্ষী সন্দেহ করে তিন দিন আগে মারধর করেন মিজানুর মোল্যা। এরপর বিষয়টি জানতে গিয়েছিলাম, কোনো মহড়া দেওয়া হয়নি। আবার আজ সকালে শুনলাম, ওদের বাড়িতে ককটেল পাওয়া গেছে। পরিকল্পিতভাবে আমাদের ফাঁসানোর জন্য নাম বলতেছে।’
এ ব্যাপারে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, খবর পেয়ে ওই বস্তু দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তপূর্বক মূল ঘটনা জানা গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফরিদপুরে একটি বসতবাড়ির আঙিনা থেকে দুটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। আজ দুপুরে জেলা সদরের কানাইপুর ইউনিয়নের ভাটিকানাইপুরের ওবায়দুর মোল্যা (৫৫) নামের সাবেক এক ইউপি সদস্যের বসতবাড়ির আঙিনায় এগুলো পাওয়া যায়। জমি-সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষরা ভয় দেখাতে ককটেলগুলো রেখে যেতে পারে বলে সন্দেহ করছেন ওই বাড়ির সদস্যরা। তবে প্রতিপক্ষের দাবি, ষড়যন্ত্র করে তাদের ফাঁসানো হচ্ছে।
আজ বেলা ১টার দিকে মমতাজ মঞ্জিল নামের বাড়ির আঙিনায় ফুলের বাগান থেকে ককটেল দুটি উদ্ধার করেন পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা। এর আগে সকালে ওই স্থানে লাল স্কচটেপে মোড়ানো ককটেল দুটি দেখতে পান বাড়ির সদস্যরা। পরে কোতোয়ালি থানা-পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
বাড়িওয়ালার ছেলে মিজানুর মোল্যা জানান, প্রতিবেশী ও ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কবির মোল্যা ও আফজাল মাতব্বরদের সঙ্গে জমি-সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে তাঁদের। তিনি বলেন, ‘গত তিন দিন ধরে বাড়ির সামনে লোকজন নিয়ে মহড়া দিচ্ছে প্রতিপক্ষরা। আমাদের অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি, ঘরের সামনেই ককটেল। আমাদের ধারণা, ভয় দেখানোর জন্য তাঁরাই এগুলো রেখে গেছে। আমরা এখন মামলা করব।’
অপরদিকে বিএনপি নেতা কবির মাতব্বর দাবি করেন, ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাঁদের ফাঁসানো হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ওবায়দুরদের সঙ্গে আমাদের জমি-সংক্রান্ত কোনো বিরোধ বা ঝামেলা নেই। অন্য একজনের সঙ্গে ঝামেলা চলতেছে। আমার বড় ভাই আমিন মাতব্বরকে (৭৫) ওই জমির মামলায় সাক্ষী সন্দেহ করে তিন দিন আগে মারধর করেন মিজানুর মোল্যা। এরপর বিষয়টি জানতে গিয়েছিলাম, কোনো মহড়া দেওয়া হয়নি। আবার আজ সকালে শুনলাম, ওদের বাড়িতে ককটেল পাওয়া গেছে। পরিকল্পিতভাবে আমাদের ফাঁসানোর জন্য নাম বলতেছে।’
এ ব্যাপারে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, খবর পেয়ে ওই বস্তু দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তপূর্বক মূল ঘটনা জানা গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গভীর রাতে হঠাৎ বিএনপি কার্যালয় থেকে আগুনের শিখা উঠতে দেখে এক ব্যক্তি চিৎকার শুরু করেন। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেলেও কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পুড়ে যায়।
১৮ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় তিন বাংলাদেশি যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তাঁদের ভারতে যেতে সহায়তাকারী মানব পাচার চক্রের এক সদস্যকে আটক করা হয়। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সদর উপজেলার বকচর সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁদেরকে আটক করা হয়।
২৬ মিনিট আগে
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় চলতি শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে গত তিন মাসে প্রায় দেড় হাজার ছাগল মারা গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় খামারি ও পশু চিকিৎসা কর্মীরা। খামারিদের হিসাব অনুযায়ী, এতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চরাঞ্চলের প্রান্তিক খামারিরা।
৩৩ মিনিট আগে
বরগুনার আমতলী উপজেলার টিয়াখালী কলেজ ভবনের দুটি তলার কক্ষে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানসামগ্রী রাখা হয়েছে। বাইরে তৈরি করা হয়েছে খোলা শৌচাগার। ভবনে আবাস গড়েছেন শ্রমিকেরা। এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আট দিন ধরে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে আসছেন না শিক্ষার্থীরা।
৩৯ মিনিট আগে