ফরিদপুর প্রতিনিধি

জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের (বিএনএম) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহ মো. আবু জাফর বলেছেন, ‘ভোটকেন্দ্রে অনেকে যায়নি। বিএনপির ভয়ে যায়নি কথা সেটা না, বরং আওয়ামী লীগের ভয়েই যায়নি। কারণ ভোটকেন্দ্রে গেলে আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের চাপে নৌকায় ভোট দিতে হবে, সে জন্য অনেকেই ভোট দিতে যায়নি। নামে মাত্র কাস্টিং ভোট দেখানো হয়েছে।’
আজ মঙ্গলবার ফরিদপুরের মধুখালী প্রেসক্লাব চত্বরে নির্বাচন পরবর্তী মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শাহ জাফর বলেন, ‘সাধারণ মানুষ ভোট দিলে জয়লাভ করতাম। বিশ্বাস ঘাতকতা করেছে কিছু মানুষ, না হলে আমরা জয়লাভ করতাম। প্রশাসন নির্বাচন নিরপেক্ষ রাখতে পারেনি, নিরপেক্ষ থাকার কথা বলে আমাদের নির্বাচনে আনা হয়েছে। সে জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। কিন্তু শেষ মুহূর্তে যেভাবে হওয়ার কথা নির্বাচন সেভাবে হয়নি।’
নিজের দল সম্পর্কে তিনি বলেন, সরকার অন্যায় করলে তার বিরুদ্ধে কথা বলব, ভালো করলে তার পক্ষে কথা বলব–এটায় বিএনএমের রাজনীতি। যার দল নেই তার বল নেই, যার গুষ্টি নেই–তার পুষ্টি নেই। রাজনীতি করতে গেলে পক্ষে–বিপক্ষে কথা বলতে হবে। বিএনএমের প্রধান কাজ দলকে সংগঠিত করা। বিএনপি আমাকে যথাযথ মূল্যায়ন করেনি। ফলে আমি নিজে দল গঠন করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি।’
মো. গোলাম মোস্তফা মোল্যার সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন–জেলা বিএনএমের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট গোলাম মনসুর নান্নু, মো. আবুল হোসেন, খন্দকার ওবায়দুর রহমান, তাহমিনা জাফর, জাহাপুর ইউনিয়নের নেতা আজাদ, রায়পুর ইউনিয়নের মো. রেজাউল, মো. ইসলাম, মো. বদর প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন মিজানুর রহমান।

জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের (বিএনএম) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহ মো. আবু জাফর বলেছেন, ‘ভোটকেন্দ্রে অনেকে যায়নি। বিএনপির ভয়ে যায়নি কথা সেটা না, বরং আওয়ামী লীগের ভয়েই যায়নি। কারণ ভোটকেন্দ্রে গেলে আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের চাপে নৌকায় ভোট দিতে হবে, সে জন্য অনেকেই ভোট দিতে যায়নি। নামে মাত্র কাস্টিং ভোট দেখানো হয়েছে।’
আজ মঙ্গলবার ফরিদপুরের মধুখালী প্রেসক্লাব চত্বরে নির্বাচন পরবর্তী মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শাহ জাফর বলেন, ‘সাধারণ মানুষ ভোট দিলে জয়লাভ করতাম। বিশ্বাস ঘাতকতা করেছে কিছু মানুষ, না হলে আমরা জয়লাভ করতাম। প্রশাসন নির্বাচন নিরপেক্ষ রাখতে পারেনি, নিরপেক্ষ থাকার কথা বলে আমাদের নির্বাচনে আনা হয়েছে। সে জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। কিন্তু শেষ মুহূর্তে যেভাবে হওয়ার কথা নির্বাচন সেভাবে হয়নি।’
নিজের দল সম্পর্কে তিনি বলেন, সরকার অন্যায় করলে তার বিরুদ্ধে কথা বলব, ভালো করলে তার পক্ষে কথা বলব–এটায় বিএনএমের রাজনীতি। যার দল নেই তার বল নেই, যার গুষ্টি নেই–তার পুষ্টি নেই। রাজনীতি করতে গেলে পক্ষে–বিপক্ষে কথা বলতে হবে। বিএনএমের প্রধান কাজ দলকে সংগঠিত করা। বিএনপি আমাকে যথাযথ মূল্যায়ন করেনি। ফলে আমি নিজে দল গঠন করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি।’
মো. গোলাম মোস্তফা মোল্যার সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন–জেলা বিএনএমের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট গোলাম মনসুর নান্নু, মো. আবুল হোসেন, খন্দকার ওবায়দুর রহমান, তাহমিনা জাফর, জাহাপুর ইউনিয়নের নেতা আজাদ, রায়পুর ইউনিয়নের মো. রেজাউল, মো. ইসলাম, মো. বদর প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন মিজানুর রহমান।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে