বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

তরুণ প্রজন্মকে সংঘবদ্ধভাবে ফেসবুকে ফেক আইডি খুলে ‘তথাকথিত’ রাজনৈতিক নেতাদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি বলেন, ইয়াং জেনারেশনকে একটা গ্রুপ করতে হবে, দুই থেকে চারটা ফেক আইডি খুলে এলাকার সো কলড নেতাদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে।
গত বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টায় দিনাজপুরের বীরগঞ্জ পৌর শহরের পুরাতন শহীদ মিনার মোড়ের বিজয় চত্বরে এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সারজিস এই মন্তব্য করেন।
অতিথির বক্তব্যে সারজিস বলেন, ‘বড় দুটি রাজনৈতিক দল জনগণের কথা বলে নাকি সিন্ডিকেট চালায়, চাঁদাবাজি করে, দখলদারিত্ব করে—তা দেখতে হবে আমাদের।’
বীরগঞ্জ উপজেলার উন্নয়ন প্রসঙ্গে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক বলেন, দিনাজপুর জেলার গুরুত্বপূর্ণ একটি পয়েন্ট বীরগঞ্জ উপজেলা, কিন্তু এই উপজেলায় সবচেয়ে কম পাকা রাস্তা রয়েছে। এলজিইডির যে হিসাব, সেখানে ১৭ পারসেন্ট রাস্তা পাকা, বাকি ৮৩ পারসেন্ট রাস্তা হাসিনার উন্নয়নের জোয়ারে কাঁচা হয়ে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে সারজিস আলম বলেন, ‘বীরগঞ্জের গোলাপগঞ্জ মোড় মাদকের আখড়া। কোন কোন নেতা এখান থেকে ভাগ খায়, তা আমাদের দেখতে হবে। আমরা এনসিপি আপনাদের কাছে সমর্থন বা ভোট চাইতে আসিনি। এসেছি আপনাদের ঘুমন্ত বিবেকগুলো জাগ্রত করতে। নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের স্বপ্নকে বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না। তিন বছরের শিশু থেকে ৬০ বছরের বৃদ্ধ জীবন দিয়েছে।
খারাপকে যদি খারাপ বলার সৎসাহস দেখাতে না পারেন, তাহলে মানুষটা প্রশ্রয় পেয়ে যাবে। কাউকে আর হাসিনা থেকে খুনি হাসিনা হয়ে উঠতে দেওয়া যাবে না। আপনাদের কাছে আমাদের জায়গা থেকে এই অনুরোধটুকু জানাই।’
পথসভায় আরও বক্তব্য দেন যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আলী নাসের খান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আবু সাঈদ লিয়ন, সাদিয়া ফারজানা দিনা, রফিকুল ইসলাম কনক, ইমামুর রশিদ ইমাম, আল আমিন, ফাহমিদ, তপু, জেমিয়ন প্রমুখ। পথসভা শেষে জনসাধারণের মধ্যে প্রচারপত্র বিলি করেন তাঁরা।

তরুণ প্রজন্মকে সংঘবদ্ধভাবে ফেসবুকে ফেক আইডি খুলে ‘তথাকথিত’ রাজনৈতিক নেতাদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি বলেন, ইয়াং জেনারেশনকে একটা গ্রুপ করতে হবে, দুই থেকে চারটা ফেক আইডি খুলে এলাকার সো কলড নেতাদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে।
গত বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টায় দিনাজপুরের বীরগঞ্জ পৌর শহরের পুরাতন শহীদ মিনার মোড়ের বিজয় চত্বরে এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সারজিস এই মন্তব্য করেন।
অতিথির বক্তব্যে সারজিস বলেন, ‘বড় দুটি রাজনৈতিক দল জনগণের কথা বলে নাকি সিন্ডিকেট চালায়, চাঁদাবাজি করে, দখলদারিত্ব করে—তা দেখতে হবে আমাদের।’
বীরগঞ্জ উপজেলার উন্নয়ন প্রসঙ্গে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক বলেন, দিনাজপুর জেলার গুরুত্বপূর্ণ একটি পয়েন্ট বীরগঞ্জ উপজেলা, কিন্তু এই উপজেলায় সবচেয়ে কম পাকা রাস্তা রয়েছে। এলজিইডির যে হিসাব, সেখানে ১৭ পারসেন্ট রাস্তা পাকা, বাকি ৮৩ পারসেন্ট রাস্তা হাসিনার উন্নয়নের জোয়ারে কাঁচা হয়ে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে সারজিস আলম বলেন, ‘বীরগঞ্জের গোলাপগঞ্জ মোড় মাদকের আখড়া। কোন কোন নেতা এখান থেকে ভাগ খায়, তা আমাদের দেখতে হবে। আমরা এনসিপি আপনাদের কাছে সমর্থন বা ভোট চাইতে আসিনি। এসেছি আপনাদের ঘুমন্ত বিবেকগুলো জাগ্রত করতে। নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের স্বপ্নকে বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না। তিন বছরের শিশু থেকে ৬০ বছরের বৃদ্ধ জীবন দিয়েছে।
খারাপকে যদি খারাপ বলার সৎসাহস দেখাতে না পারেন, তাহলে মানুষটা প্রশ্রয় পেয়ে যাবে। কাউকে আর হাসিনা থেকে খুনি হাসিনা হয়ে উঠতে দেওয়া যাবে না। আপনাদের কাছে আমাদের জায়গা থেকে এই অনুরোধটুকু জানাই।’
পথসভায় আরও বক্তব্য দেন যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আলী নাসের খান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আবু সাঈদ লিয়ন, সাদিয়া ফারজানা দিনা, রফিকুল ইসলাম কনক, ইমামুর রশিদ ইমাম, আল আমিন, ফাহমিদ, তপু, জেমিয়ন প্রমুখ। পথসভা শেষে জনসাধারণের মধ্যে প্রচারপত্র বিলি করেন তাঁরা।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে