নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে চরম উৎকণ্ঠা আর আতঙ্ক নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন আশ্রয়ণ প্রকল্পের সুবিধাভোগীরা। বিশেষ করে ঝড়ে কখন, কার ঘরের চালা উড়ে যায় সেই আতঙ্কে রয়েছেন এ প্রকল্পের অধিবাসীরা। এমন পরিস্থিতির জন্য ঘর নির্মাণে নিম্নমানের কাজকে দুষছেন তারা।
জানা যায়, গত শুক্রবার রাতে উপজেলার ৮ নম্বর মাহমুদপুর ইউনিয়নের ভেবটগাড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঝড়ে ঘরের চাল উড়ে যায়, এতে অল্পের জন্য বেঁচে যায় পাশের মর্জিনা বেগম নামে আরেক সুবিধাভোগী।
এ প্রকল্পের সুবিধাভোগী একজন বাসিন্দা হলেন মো. বাশার মিয়া। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঝড়ের রাতগুলো আমাদের খুব আতঙ্কে কাটছে। এখানকার ঘরের নিম্নমানের কাজের কারণে ঝড়ে কখন, কার ঘরের চাল উড়ে যায় এর কোনো ঠিক নাই।’ এ জন্য তিনি প্রকল্পে নিম্নমানের কাজ করার অভিযোগ করেন।
মো. সোহরাব আলী নামে প্রকল্পের আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘উড়ে পড়া ছাউনিতে মাত্র ৩ ফিটের আড়াই সুতি রড দিয়ে কাঠের উয়া প্যাঁচানো ছিল। যেই রডটি মাটির নিচ পর্যন্ত থাকার কথা।’
সোহরাব আরও বলেন, ‘এ প্রকল্পে মাটির নিচে বেশি পাতানো হয় নাই। ঘরের দেয়ালের নিচের দিকে ও ওপরে দুই স্থানে ঢালাই দেওয়া লাগে, সেখানে কোথাও ঢালাই ব্যবহার না করায় অল্প বাতাসে সহজেই চালা উড়ে পড়ে।’
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. রেফাউল আজম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বর্তমানে চলমান প্রকল্পের চেয়ে ভেবটগাড়ি আশ্রয়ণের গত বছরের প্রকল্পে কম বাজেট ছিল। তাই সেই প্রকল্পে কিছুটা সমস্যা থাকতে পারে। তা ছাড়া ওই প্রকল্পের আশপাশে ফাঁকা, সেখানে বড় কোনো গাছপালা না থাকায় ঝড়ে কিছুটা ঝুঁকি থাকে।’ ঝড়ে উড়ে যাওয়া ছাউনির বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনিমেষ সোম বলেন, ‘আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধিবাসীদের সমস্যাটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে চরম উৎকণ্ঠা আর আতঙ্ক নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন আশ্রয়ণ প্রকল্পের সুবিধাভোগীরা। বিশেষ করে ঝড়ে কখন, কার ঘরের চালা উড়ে যায় সেই আতঙ্কে রয়েছেন এ প্রকল্পের অধিবাসীরা। এমন পরিস্থিতির জন্য ঘর নির্মাণে নিম্নমানের কাজকে দুষছেন তারা।
জানা যায়, গত শুক্রবার রাতে উপজেলার ৮ নম্বর মাহমুদপুর ইউনিয়নের ভেবটগাড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঝড়ে ঘরের চাল উড়ে যায়, এতে অল্পের জন্য বেঁচে যায় পাশের মর্জিনা বেগম নামে আরেক সুবিধাভোগী।
এ প্রকল্পের সুবিধাভোগী একজন বাসিন্দা হলেন মো. বাশার মিয়া। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঝড়ের রাতগুলো আমাদের খুব আতঙ্কে কাটছে। এখানকার ঘরের নিম্নমানের কাজের কারণে ঝড়ে কখন, কার ঘরের চাল উড়ে যায় এর কোনো ঠিক নাই।’ এ জন্য তিনি প্রকল্পে নিম্নমানের কাজ করার অভিযোগ করেন।
মো. সোহরাব আলী নামে প্রকল্পের আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘উড়ে পড়া ছাউনিতে মাত্র ৩ ফিটের আড়াই সুতি রড দিয়ে কাঠের উয়া প্যাঁচানো ছিল। যেই রডটি মাটির নিচ পর্যন্ত থাকার কথা।’
সোহরাব আরও বলেন, ‘এ প্রকল্পে মাটির নিচে বেশি পাতানো হয় নাই। ঘরের দেয়ালের নিচের দিকে ও ওপরে দুই স্থানে ঢালাই দেওয়া লাগে, সেখানে কোথাও ঢালাই ব্যবহার না করায় অল্প বাতাসে সহজেই চালা উড়ে পড়ে।’
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. রেফাউল আজম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বর্তমানে চলমান প্রকল্পের চেয়ে ভেবটগাড়ি আশ্রয়ণের গত বছরের প্রকল্পে কম বাজেট ছিল। তাই সেই প্রকল্পে কিছুটা সমস্যা থাকতে পারে। তা ছাড়া ওই প্রকল্পের আশপাশে ফাঁকা, সেখানে বড় কোনো গাছপালা না থাকায় ঝড়ে কিছুটা ঝুঁকি থাকে।’ ঝড়ে উড়ে যাওয়া ছাউনির বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনিমেষ সোম বলেন, ‘আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধিবাসীদের সমস্যাটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় চলতি শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে গত তিন মাসে প্রায় দেড় হাজার ছাগল মারা গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় খামারি ও পশু চিকিৎসা কর্মীরা। খামারিদের হিসাব অনুযায়ী, এতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চরাঞ্চলের প্রান্তিক খামারিরা।
৭ মিনিট আগে
বরগুনার আমতলী উপজেলার টিয়াখালী কলেজ ভবনের দুটি তলার কক্ষে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানসামগ্রী রাখা হয়েছে। বাইরে তৈরি করা হয়েছে খোলা শৌচাগার। ভবনে আবাস গড়েছেন শ্রমিকেরা। এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আট দিন ধরে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে আসছেন না শিক্ষার্থীরা।
১৩ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনের দুটি শরিকদের ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। ফলে ওই দুই আসনে সুযোগ নিতে চায় জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১২ দলীয় সমমনা জোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর): এবার আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী এম এ হান্নান, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর অধ্যাপক...
১৯ মিনিট আগে
মেলায় বড় মাছ দরদাম করছিলেন স্থানীয় এক জামাই সৈকত হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমি এবারই প্রথম শ্বশুরবাড়িতে মাছ নিয়ে যাব। তাই সেরা মাছটা কেনার চেষ্টা করছি। ১৮ কেজি ওজনের একটি কাতল মাছ পছন্দ হয়েছে। বিক্রেতা দাম চেয়েছেন ২২ হাজার টাকা। জামাই হিসেবে বড় মাছটি নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে ঢুকতে পারা একটা আলাদা গর্বের বিষয়।’
৩৬ মিনিট আগে