ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ষাঁড়ের শিংয়ের গুঁতোয় মশিয়ার রহমান (৬০) নামের এক খামারির মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেলে উপজেলার বিখ্যাত আমবাড়ি পশুহাটে এ ঘটনা ঘটেছে। মশিয়ার রহমান ফুলবাড়ী উপজেলার ৭ নম্বর শিবনগর ইউনিয়নের দাদপুর পুরোনো বন্দর গ্রামের বাসিন্দা।
জানা গেছে, খামারি মশিয়ার গরু-ছাগলের প্রজনন করাতেন। তাঁর খামারে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের ষাঁড় ও গাভি ছিল। কিন্তু তাঁর খামারের বড় ষাঁড়টি দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছিল। তাই ষাঁড় বিক্রি করতে আমবাড়ি পশুহাটে নিয়ে যান। সেখানে ওই ষাঁড়ের শিংয়ের আঘাতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী মফিজুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সকাল আটটার দিকে আমি ও মশিয়ার ষাঁড়টি নিয়ে আমবাড়ি পশুহাটে যাই। দাম কম হওয়ায় বিকেলে গরু ফেরত নিয়ে আসছিলাম। এ সময় ষাঁড়টি ক্ষিপ্ত হয়ে পেছন থেকে মশিয়ারকে আঘাত করে। পায়ের ঊরুর জোড়ায় শিং ঢুকিয়ে দিলে মশিয়ার রহমান গুরুতর আহত হয় এবং রক্তপাত শুরু হয়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে দিনাজপুর এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।’
এদিকে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে তাঁর বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহতের স্ত্রী শেফালি বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘এর আগেও ওই ষাঁড়টি দুবার ক্ষতি করার চেষ্টা করে। এ জন্যই ষাঁড়টি বিক্রি করতে চেয়েছিল। সুস্থ মানুষ সকালবেলা ষাঁড় নিয়ে হাটে গেল আর সন্ধ্যাবেলা লাশ হয়ে বাড়ি ফিরল।’
নিহতের ছেলে মকছেদ আলী জানায়, সন্ধ্যায় মরদেহ বাসায় আনা হয়েছে। লাশ দাফনের প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার মধ্যে উৎকৃষ্ট খামারি ছিলেন মশিয়ার রহমান। তাঁর খামারে বিভিন্ন উন্নত জাতের ছাগল ও গরু রয়েছে। গরু–ছাগলের প্রজনন করাতেন তিনি। দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন গরু–ছাগলের প্রজনন করাতে আসত। যে গরুকে এত যত্ন করতেন ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, সেই গরুর আঘাতেই তাঁর মৃত্যু হলো।

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ষাঁড়ের শিংয়ের গুঁতোয় মশিয়ার রহমান (৬০) নামের এক খামারির মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেলে উপজেলার বিখ্যাত আমবাড়ি পশুহাটে এ ঘটনা ঘটেছে। মশিয়ার রহমান ফুলবাড়ী উপজেলার ৭ নম্বর শিবনগর ইউনিয়নের দাদপুর পুরোনো বন্দর গ্রামের বাসিন্দা।
জানা গেছে, খামারি মশিয়ার গরু-ছাগলের প্রজনন করাতেন। তাঁর খামারে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের ষাঁড় ও গাভি ছিল। কিন্তু তাঁর খামারের বড় ষাঁড়টি দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছিল। তাই ষাঁড় বিক্রি করতে আমবাড়ি পশুহাটে নিয়ে যান। সেখানে ওই ষাঁড়ের শিংয়ের আঘাতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী মফিজুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সকাল আটটার দিকে আমি ও মশিয়ার ষাঁড়টি নিয়ে আমবাড়ি পশুহাটে যাই। দাম কম হওয়ায় বিকেলে গরু ফেরত নিয়ে আসছিলাম। এ সময় ষাঁড়টি ক্ষিপ্ত হয়ে পেছন থেকে মশিয়ারকে আঘাত করে। পায়ের ঊরুর জোড়ায় শিং ঢুকিয়ে দিলে মশিয়ার রহমান গুরুতর আহত হয় এবং রক্তপাত শুরু হয়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে দিনাজপুর এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।’
এদিকে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে তাঁর বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহতের স্ত্রী শেফালি বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘এর আগেও ওই ষাঁড়টি দুবার ক্ষতি করার চেষ্টা করে। এ জন্যই ষাঁড়টি বিক্রি করতে চেয়েছিল। সুস্থ মানুষ সকালবেলা ষাঁড় নিয়ে হাটে গেল আর সন্ধ্যাবেলা লাশ হয়ে বাড়ি ফিরল।’
নিহতের ছেলে মকছেদ আলী জানায়, সন্ধ্যায় মরদেহ বাসায় আনা হয়েছে। লাশ দাফনের প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার মধ্যে উৎকৃষ্ট খামারি ছিলেন মশিয়ার রহমান। তাঁর খামারে বিভিন্ন উন্নত জাতের ছাগল ও গরু রয়েছে। গরু–ছাগলের প্রজনন করাতেন তিনি। দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন গরু–ছাগলের প্রজনন করাতে আসত। যে গরুকে এত যত্ন করতেন ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, সেই গরুর আঘাতেই তাঁর মৃত্যু হলো।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে