নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকা সাভারে রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার ভবনমালিক সোহেল রানার জামিন না দেওয়াসহ অন্য আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়ে সমাবেশ ও বিক্ষোভ করেছে সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন। আজ সোমবার সকালে রাজধানীর প্রেসক্লাবের সামনে ১০ দফা দাবিতে এই সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করে শ্রমিক সংগঠনটি।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি নাজমা আক্তার। তিনি বলেন, রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় ভবনমালিক সোহেল রানা, পাঁচটি গার্মেন্টস মালিক ও সরকারের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হলে, সরকার বিভিন্ন আইনে ৩টি মামলা দায়ের করে, যা গত ১০ বছরেও আলোর মুখ দেখেনি।
তিনি আরও বলেন, এরই মধ্যে সোহেল রানা ব্যতীত মামলার বাকি আসামিরা জামিনে আছেন। কিছুদিন আগে সোহেল রানার জামিন মঞ্জুর হলে সারা দেশের মানুষ এর প্রতিবাদে সোচ্চার হয়। উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তে গত ৮ মে সোহেল রানা জামিন না পেলেও, আজ (১০ই জুলাই) তাঁর জামিনের বিষয়ে আপিল বিভাগে জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এই সমাবেশ থেকে সোহেল রানার জামিন না মঞ্জুর করার জন্য জোর দাবি জানানো হচ্ছে।
এই সমাবেশে আরও সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক খাদিজা আক্তার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ঊর্মি আক্তার, প্রচার সম্পাদক ইয়াহিয়া খানসহ সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নেতারা, বিভিন্ন এলাকার ৪০টি ইউনিয়নের নির্বাহী কমিটির সদস্যসহ শ্রমিকেরা।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে ২৪ এপ্রিল সাভারের রানা প্লাজা নামের ভবন ধসে সরকারি হিসাবে ১ হাজার ১৩৮ শ্রমিক প্রাণ হারান। আড়াই হাজার শ্রমিককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। আহত হয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন সহস্রাধিক শ্রমিক। সময়ের সঙ্গে এই শ্রমিকরা দুর্ভোগ, দুর্দশা ও মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বেঁচে যাওয়া শ্রমিকদের মধ্যে অন্তত ১ হাজার শ্রমিক পঙ্গুত্ব বরণ করে বেঁচে আছেন।

ঢাকা সাভারে রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার ভবনমালিক সোহেল রানার জামিন না দেওয়াসহ অন্য আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়ে সমাবেশ ও বিক্ষোভ করেছে সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন। আজ সোমবার সকালে রাজধানীর প্রেসক্লাবের সামনে ১০ দফা দাবিতে এই সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করে শ্রমিক সংগঠনটি।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি নাজমা আক্তার। তিনি বলেন, রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় ভবনমালিক সোহেল রানা, পাঁচটি গার্মেন্টস মালিক ও সরকারের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হলে, সরকার বিভিন্ন আইনে ৩টি মামলা দায়ের করে, যা গত ১০ বছরেও আলোর মুখ দেখেনি।
তিনি আরও বলেন, এরই মধ্যে সোহেল রানা ব্যতীত মামলার বাকি আসামিরা জামিনে আছেন। কিছুদিন আগে সোহেল রানার জামিন মঞ্জুর হলে সারা দেশের মানুষ এর প্রতিবাদে সোচ্চার হয়। উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তে গত ৮ মে সোহেল রানা জামিন না পেলেও, আজ (১০ই জুলাই) তাঁর জামিনের বিষয়ে আপিল বিভাগে জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এই সমাবেশ থেকে সোহেল রানার জামিন না মঞ্জুর করার জন্য জোর দাবি জানানো হচ্ছে।
এই সমাবেশে আরও সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক খাদিজা আক্তার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ঊর্মি আক্তার, প্রচার সম্পাদক ইয়াহিয়া খানসহ সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নেতারা, বিভিন্ন এলাকার ৪০টি ইউনিয়নের নির্বাহী কমিটির সদস্যসহ শ্রমিকেরা।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে ২৪ এপ্রিল সাভারের রানা প্লাজা নামের ভবন ধসে সরকারি হিসাবে ১ হাজার ১৩৮ শ্রমিক প্রাণ হারান। আড়াই হাজার শ্রমিককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। আহত হয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন সহস্রাধিক শ্রমিক। সময়ের সঙ্গে এই শ্রমিকরা দুর্ভোগ, দুর্দশা ও মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বেঁচে যাওয়া শ্রমিকদের মধ্যে অন্তত ১ হাজার শ্রমিক পঙ্গুত্ব বরণ করে বেঁচে আছেন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৩ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে