নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আওয়ামী লীগকে নিজের পুরোনো দল উল্লেখ করেছেন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর। আজ বুধবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘মাঝখানে অন্য জায়গায় ছিলাম। এখন ফিরে এসেছি।’
প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন কি না—এমন প্রশ্নে শাহজাহান ওমর বলেন, ‘না, রেজিস্ট্রারের কাছে কাজ ছিল।’
আপনি তো নতুন দলে যোগ দিয়েছেন। কেমন লাগছে—প্রশ্নে শাহজাহান ওমর বলেন, ‘এটা (আওয়ামী লীগ) আমার পুরোনো দল। মাঝখানে অন্য জায়গায় ছিলাম।’
আইনজীবীদের তোপের মুখে শাহজাহান ওমর
এদিকে বার ভবনে আইনজীবীদের তোপের মুখে পড়েছেন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর। এ সময় আইনজীবীরা তাঁকে বেইমান, দালালসহ নানা রকম কটু মন্তব্য করেন। পরে তিনি তোপের মুখে পুলিশের পাহারায় সুপ্রিম কোর্ট এলাকা ত্যাগ করেন।
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সুপ্রিম কোর্ট ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক গাজী কামরুল ইসলাম সজল বলেন, ‘শাহজাহান ওমর তাঁর এক জুনিয়রকে আমার চেম্বারে পাঠান তাঁর চেম্বারে যাওয়ার জন্য। আমি তাঁর জুনিয়রকে বলে দিই, মোনাফেকের সঙ্গে দেখা করতে যাব না। পরে শাহজাহান ওমর নিজেই আমার চেম্বারে এসে পোস্টার ছিঁড়েছি কেন, এসব বলে হুমকি দেন। এ সময় আইনজীবীরা তাঁর বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। পরে তিনি সুপ্রিম কোর্ট এলাকা ত্যাগ করেন।’
নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হয়ে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমরকে দল থেকে গত ৩০ নভেম্বর বহিষ্কার করা হয়। গত ৪ নভেম্বর শাহজাহান ওমরকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। আর ২৯ নভেম্বর জামিন পান। জামিনে কারাগার থেকে বেরোনোর পরদিনই আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে পান নৌকার মনোনয়ন। এর পরই তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করে বিএনপি।

আওয়ামী লীগকে নিজের পুরোনো দল উল্লেখ করেছেন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর। আজ বুধবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘মাঝখানে অন্য জায়গায় ছিলাম। এখন ফিরে এসেছি।’
প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন কি না—এমন প্রশ্নে শাহজাহান ওমর বলেন, ‘না, রেজিস্ট্রারের কাছে কাজ ছিল।’
আপনি তো নতুন দলে যোগ দিয়েছেন। কেমন লাগছে—প্রশ্নে শাহজাহান ওমর বলেন, ‘এটা (আওয়ামী লীগ) আমার পুরোনো দল। মাঝখানে অন্য জায়গায় ছিলাম।’
আইনজীবীদের তোপের মুখে শাহজাহান ওমর
এদিকে বার ভবনে আইনজীবীদের তোপের মুখে পড়েছেন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর। এ সময় আইনজীবীরা তাঁকে বেইমান, দালালসহ নানা রকম কটু মন্তব্য করেন। পরে তিনি তোপের মুখে পুলিশের পাহারায় সুপ্রিম কোর্ট এলাকা ত্যাগ করেন।
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সুপ্রিম কোর্ট ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক গাজী কামরুল ইসলাম সজল বলেন, ‘শাহজাহান ওমর তাঁর এক জুনিয়রকে আমার চেম্বারে পাঠান তাঁর চেম্বারে যাওয়ার জন্য। আমি তাঁর জুনিয়রকে বলে দিই, মোনাফেকের সঙ্গে দেখা করতে যাব না। পরে শাহজাহান ওমর নিজেই আমার চেম্বারে এসে পোস্টার ছিঁড়েছি কেন, এসব বলে হুমকি দেন। এ সময় আইনজীবীরা তাঁর বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। পরে তিনি সুপ্রিম কোর্ট এলাকা ত্যাগ করেন।’
নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হয়ে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমরকে দল থেকে গত ৩০ নভেম্বর বহিষ্কার করা হয়। গত ৪ নভেম্বর শাহজাহান ওমরকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। আর ২৯ নভেম্বর জামিন পান। জামিনে কারাগার থেকে বেরোনোর পরদিনই আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে পান নৌকার মনোনয়ন। এর পরই তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করে বিএনপি।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে