নিজস্ব প্রতিনিধি

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি ডটকম লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেলকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আজ বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ইভ্যালির সিইও রাসেলের বাড়িতে অভিযান চালানোর খবর পাওয়ার পরপরই সেখানে ভিড় করতে শুরু করেন গ্রাহকেরা। টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে এখন আরও অনিশ্চয়তা তৈরি হলো বলে ভীত তাঁরা।
রাসেলের মোহাম্মদপুরের সামনে এখন অর্ধশতাধিক গ্রাহক। গ্রাহক আল আমিন বলেন, গ্রেপ্তার কোনো সমাধান নয়। জেলে বন্দী করে রাখা হলে তারা কখনোই আমাদের টাকা ফেরত দিতে পারবে না।
১৬ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা মোহাম্মদ আরিফ বলেন, আমাদের টাকা গেছে আমরা বুঝতেছি। আমাদের টাকা ফেরত পাওয়ার একমাত্র উপায় হলো রাসেলকে ব্যবসা করতে দেওয়া।
একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কর্মরত ফখরুল বলেন, গত রোজায় বাইক কেনার জন্য ইভ্যালিকে ১ লাখ সাত হাজার টাকা দেই। সময়মতো পণ্য না দেওয়ায় তাঁরা আমাকে দুই লাখ একটি চেক বুঝিয়ে দেয়, কিন্তু রাসেল গ্রেপ্তার হওয়ায় এই চেকের টাকা পাবো কি-না তা নিয়ে শঙ্কায় পড়েছি। আমার অক্টোবরে টাকা পাওয়ার কথা।
রাসেলের গ্রেপ্তারের খবরে তাঁর মোহাম্মদপুরের বাসার সামনে এসেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী সাইফুদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, বাজাজ কোম্পানির পালসারের দুইট মোটর সাইকেলের জন্য এক লাখ ১২ হাজার টাকা ইভ্যালিকে দিয়েছিলাম। তারা আমাকে তিন লাখ ৪৮ হাজার টাকার একটি চেক বুঝিয়ে দেয়। চেকের মেয়াদ আছে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত। কিন্তু রাসেল গ্রেপ্তার হওয়ায় আমরা টাকা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছি।

এর আগে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেলের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের করেন একজন ভুক্তভোগী। আরিফ বাকের নামে ওই ভুক্তভোগী ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান থানায় মামলাটি করেন তিনি।
মামলায় ইভ্যালির এমডি মোহাম্মদ রাসেলকে এক নম্বর আসামি ও চেয়ারম্যান শামীমাকে দুই নম্বর আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় ইভ্যালির আরও বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে ‘অজ্ঞাতনামা’ দেখিয়ে আসামি করা হয়েছে।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি ডটকম লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেলকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আজ বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ইভ্যালির সিইও রাসেলের বাড়িতে অভিযান চালানোর খবর পাওয়ার পরপরই সেখানে ভিড় করতে শুরু করেন গ্রাহকেরা। টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে এখন আরও অনিশ্চয়তা তৈরি হলো বলে ভীত তাঁরা।
রাসেলের মোহাম্মদপুরের সামনে এখন অর্ধশতাধিক গ্রাহক। গ্রাহক আল আমিন বলেন, গ্রেপ্তার কোনো সমাধান নয়। জেলে বন্দী করে রাখা হলে তারা কখনোই আমাদের টাকা ফেরত দিতে পারবে না।
১৬ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা মোহাম্মদ আরিফ বলেন, আমাদের টাকা গেছে আমরা বুঝতেছি। আমাদের টাকা ফেরত পাওয়ার একমাত্র উপায় হলো রাসেলকে ব্যবসা করতে দেওয়া।
একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কর্মরত ফখরুল বলেন, গত রোজায় বাইক কেনার জন্য ইভ্যালিকে ১ লাখ সাত হাজার টাকা দেই। সময়মতো পণ্য না দেওয়ায় তাঁরা আমাকে দুই লাখ একটি চেক বুঝিয়ে দেয়, কিন্তু রাসেল গ্রেপ্তার হওয়ায় এই চেকের টাকা পাবো কি-না তা নিয়ে শঙ্কায় পড়েছি। আমার অক্টোবরে টাকা পাওয়ার কথা।
রাসেলের গ্রেপ্তারের খবরে তাঁর মোহাম্মদপুরের বাসার সামনে এসেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী সাইফুদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, বাজাজ কোম্পানির পালসারের দুইট মোটর সাইকেলের জন্য এক লাখ ১২ হাজার টাকা ইভ্যালিকে দিয়েছিলাম। তারা আমাকে তিন লাখ ৪৮ হাজার টাকার একটি চেক বুঝিয়ে দেয়। চেকের মেয়াদ আছে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত। কিন্তু রাসেল গ্রেপ্তার হওয়ায় আমরা টাকা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছি।

এর আগে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেলের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের করেন একজন ভুক্তভোগী। আরিফ বাকের নামে ওই ভুক্তভোগী ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান থানায় মামলাটি করেন তিনি।
মামলায় ইভ্যালির এমডি মোহাম্মদ রাসেলকে এক নম্বর আসামি ও চেয়ারম্যান শামীমাকে দুই নম্বর আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় ইভ্যালির আরও বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে ‘অজ্ঞাতনামা’ দেখিয়ে আসামি করা হয়েছে।

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) এক শিক্ষক ও এক প্রকৌশলীকে পৃথক অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি বিভাগে পরীক্ষাসংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগে অধিকতর তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রিজেন্ট বোর্ড।
৫ মিনিট আগে
বাগেরহাটে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক তাঁর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে তিনি তাঁর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালামসহ আরও চারজন তাঁদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন।
২৪ মিনিট আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে শেষ দিনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য (সদ্য বহিষ্কৃত) হাসান মামুন। ফলে আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের নির্বাচনী লড়াই আরও চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠেছে।
৩৫ মিনিট আগে
পাঙাশ মাছ খাওয়াই যেন কাল হয়ে দাঁড়াল দেড় বছরের শিশু সিয়ামের। মাছের কাঁটা গলায় আটকে সোমবার রাতে মারা গেছে শিশু সিয়াম। ঘটনাটি ঘটেছে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার পলাশবাড়ীয়া ইউনিয়নের যশোবন্তপুর গ্রামে। নিহত সিয়াম ওই গ্রামের উত্তরপাড়ার বাসিন্দা আমিনুর ব্যাপারীর ছেলে।
৪২ মিনিট আগে