
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে আবারও শাহবাগে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন তাঁর সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। আজ শুক্রবার (২ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে মিছিল নিয়ে তাঁরা শাহবাগে অবস্থান নেন।
ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীরা অবস্থান নেওয়ায় শাহবাগের এক পাশের রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। বিক্ষোভকারীরা ‘তুমি কে, আমি কে, হাদি-হাদি’, ‘এক হাদি লোকান্তরে, লক্ষ হাদি ঘরে ঘরে’, ‘লীগ ধর, জেলে ভর’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা-ঢাকা’সহ নানা স্লোগান দিচ্ছেন।
হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন থামবে না বলে জানিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।
বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী লক্ষীপুর থেকে আসা তানিয়া ইসলাম বলেন, ‘আমরা হাদিকে ভালোবেসে এখানে এসেছি, যিনি আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন। আমরা হাদি হত্যার বিচার নিয়েই ঘরে ফিরব।’
বিকেলে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন থামবে না। জুলাই অভ্যুথানের সুফল এখনও জনগণের কাছে পৌছাইনি। ইনসাফের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত, ওসমান হাদির বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়ব না।’
শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির খুনিরা গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত শাহবাগে অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি জানান, ‘হাদি হত্যার বিচারে আমরা এখনও পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ অবস্থানে আছি, আগামিতে থাকবো সেটার নিশ্চয়তা দিতে পারছি না। আমরা হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিত চাই।’
যাত্রাবাড়ি থেকে আসা কাওছার আহমেদ বলেন, ‘হাদি হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়ব না।’
মিরপুর থেকে আসা আমিনুর রহমান বলেন, ‘যেকোনো মূল্যে আমরা হাদি হত্যার বিচার চাই। জুলাই সম্মুখসারির যোদ্ধাদের নিরাপত্তা দিতে এই সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।’

এর আগে, আজ দুপুরে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, ‘শাহবাগ শহীদ হাদি চত্বরে শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের জনগণকে আহ্বান করা হচ্ছে।’
শরিফ ওসমান হাদি ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে প্রচারে নেমেছিলেন। ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের কিছু পর রাজধানীর পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোডে মোটরসাইকেল থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশায় থাকা ওসমান হাদিকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। তাঁকে মাথায় গুলি করার পর আততায়ীরা মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে ১৮ ডিসেম্বর মারা যান তিনি। এর পর থেকে বিভিন্ন সময় হাদি হত্যার বিচারসহ নানা দাবিতে শাহবাগ অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীরা।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে