নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষায় যেমন সংকট তৈরি হয়েছে, তেমনি নারীর জীবনে চলার ক্ষেত্রেও অনেক সংকট তৈরি হয়েছে। মহিলা পরিষদের ৫৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ দুটি একই সময়ে একই সঙ্গে হাত ধরাধরি করে চলছে। মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে নারীর চেতনার যে জাগরণ ঘটেছিল, তাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে নারীর শক্তি সংগঠিত হয়েছে, নারী আন্দোলন অগ্রসর হয়েছে। বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রতিটি পর্যায়ে নারীর অবদান দৃশ্যমান হয়েছে ঠিকই, তবে একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষায় যেমন সংকট তৈরি হয়েছে, তেমনি নারীর জীবনে চলার ক্ষেত্রেও অনেক সংকট তৈরি হয়েছে।
মহিলা পরিষদ মনে করে, যেকোনো সংকটকে মোকাবিলা করার জন্য একটা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ধরে এগোতে হয় এবং সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি নিতে হয়। সমাজে মানবাধিকার যত দিন প্রতিষ্ঠা না হবে, তত দিন মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের সঙ্গে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামও চলতে থাকবে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে নারীর সংগ্রামকে অগ্রসর করে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান সংগঠনের সভাপতি।
‘দক্ষ সংগঠক গড়ে তুলি, সংগঠনকে সংহত করি’ স্লোগানে মহিলা পরিষদের ৫৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন সংগঠনের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম ও সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক উম্মে সালমা বেগম।
জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন ঢাকা মহানগর কমিটির সদস্য সৈয়দা রত্না, মাধবী বণিক ও রোকেয়া সদনের তত্ত্বাবধায়ক অশ্রু ভট্টাচার্য।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষায় যেমন সংকট তৈরি হয়েছে, তেমনি নারীর জীবনে চলার ক্ষেত্রেও অনেক সংকট তৈরি হয়েছে। মহিলা পরিষদের ৫৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ দুটি একই সময়ে একই সঙ্গে হাত ধরাধরি করে চলছে। মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে নারীর চেতনার যে জাগরণ ঘটেছিল, তাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে নারীর শক্তি সংগঠিত হয়েছে, নারী আন্দোলন অগ্রসর হয়েছে। বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রতিটি পর্যায়ে নারীর অবদান দৃশ্যমান হয়েছে ঠিকই, তবে একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষায় যেমন সংকট তৈরি হয়েছে, তেমনি নারীর জীবনে চলার ক্ষেত্রেও অনেক সংকট তৈরি হয়েছে।
মহিলা পরিষদ মনে করে, যেকোনো সংকটকে মোকাবিলা করার জন্য একটা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ধরে এগোতে হয় এবং সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি নিতে হয়। সমাজে মানবাধিকার যত দিন প্রতিষ্ঠা না হবে, তত দিন মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের সঙ্গে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামও চলতে থাকবে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে নারীর সংগ্রামকে অগ্রসর করে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান সংগঠনের সভাপতি।
‘দক্ষ সংগঠক গড়ে তুলি, সংগঠনকে সংহত করি’ স্লোগানে মহিলা পরিষদের ৫৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন সংগঠনের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম ও সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক উম্মে সালমা বেগম।
জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন ঢাকা মহানগর কমিটির সদস্য সৈয়দা রত্না, মাধবী বণিক ও রোকেয়া সদনের তত্ত্বাবধায়ক অশ্রু ভট্টাচার্য।

সাভারের রেডিও কলোনি এলাকা থেকে বাসে ওঠার ১৫ মিনিটের মধ্যেই একা হয়ে পড়েন ২৬ বছর বয়সী গৃহবধূ। তাঁকে বাসের চালকের দুই সহকারী আলতাফ ও সাগর পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। সে দৃশ্য ধারণ করা হয় মোবাইল ফোনে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। সাম্প্রতিক একটি সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর ও মামলার ঘটনা ঘটেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ওয়ার্ডের মেঝেতে ব্যবহৃত টিস্যু, স্যালাইনের প্যাকেট, ব্যান্ডেজ, তুলা, যত্রতত্র আবর্জনা, অপরিচ্ছন্ন বিছানার চাদর, দেয়ালে থুতু কাশির দাগ, জরাজীর্ণ জানালা-দরজা, মশা-মাছির উপদ্রব, শৌচাগার থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। এমন চিত্র পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৫০ শয্যা হাসপাতালের।
৩ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার পাঁচটি সংসদীয় আসনে সব কটিতেই দলীয় প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। শরিকদের জন্য একটি ছাড় দিয়ে চারটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে জামায়াত। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারছে না। ফলে জয়ের ব্যাপারে বেশ আত্মবিশ্বাসী বিএনপি। যদিও একটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে বিপাকে আছে দলটি।
৩ ঘণ্টা আগে