নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশের পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে ডিমের দাম ওঠানামা করার পেছনে রাজধানীর কারওয়ান বাজার সংশ্লিষ্ট তেজগাঁওয়ের ডিম সমিতি প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। তারাই বাজারের ডিমের দাম নিয়ন্ত্রণ করে বলে অভিযোগ তুলেছে প্রান্তিক খামারিদের সংগঠন বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন।
আজ শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন সংগঠনটির সভাপতি মো. সুমন হাওলাদার।
তিনি বলেন, ‘ডিম পাইকারদের সংগঠন তেজগাঁও ডিম সমিতি মোবাইল এসএমএস ও ফেসবুকের মাধ্যমে দাম বাস্তবায়ন করে। তারা কম দামে ডিম কিনে কোল্ড স্টোরেজ করে, পরে বেশি দামে বিক্রি করে। পরে সেই মূল্যে সাধারণ ডিম ব্যবসায়ীরা কিনতে বাধ্য হয়।’
সুমন হাওলাদার আরও বলেন, ‘খামারি থেকে চার দিন পরপর ডিম কেনে আড়তদার। খামারি চাইলে অন্য কারও কাছে ডিম বিক্রি করতে পারে না। একই পাইকারের কাছে ডিম বিক্রি করতে হয়। তেজগাঁও ডিমের বাজার থেকে যে মূল্য নির্ধারণ করে, সাধারণ ডিম ব্যবসায়ীদের সেই দামে কিনতে হয়। পাইকারি–খুচরা পর্যায়ে ডিমের দাম ওঠানামা তেজগাঁও ডিম সমিতির নির্ধারিত দামের ওপর নির্ভর করে।’
সংগঠনটির অভিযোগ—পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে প্রতিদিন প্রতি শতকে ডিমে ১০ থেকে ২০ টাকা করে কমিয়ে, ৭ টাকায় দাম নামিয়ে আনে। আবার একই নিয়মে বাড়িয়ে দিয়ে প্রতিটি ডিমের দাম ১৩ টাকায় পৌঁছায়। মোবাইল এসএমএস ও ফেসবুকের মাধ্যমে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিয়ে বাড়তি বা কম দাম বাস্তবায়ন করে তেজগাঁও ডিম সমিতি।
ঢাকা কাপ্তান বাজার ডিম সমিতি, সাভার, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, পাবনা, টাঙ্গাইল, স্বরূপকাঠি, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জসহ রংপুর তেজগাঁও ডিম সমিতির দাম অনুসরণ করে। এরপর তারা কম দামে ডিম কিনে কোল্ড স্টোরেজ করে, পরে সেই ডিম সিন্ডিকেট করে বেশি দামে বিক্রি করে অতি মুনাফা করছে।
এদিকে উৎপাদক ন্যায্যমূল্য না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে উৎপাদন থেকে সরে যাচ্ছে বলেও সংগঠনটি দাবি করে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তেজগাঁও ডিম ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আমানউল্লাহ বিষয়টিকে ভিত্তিহীন দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ‘এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন। সে যেখানে-সেখানে আমাদের নামে বদনাম করে বেড়ায়। আমরা তার নামে মামলা করব। আজ (শনিবার) সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে কথা বলব।’
অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুমন হালদারকে ধান্দাবাজ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই লোক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হয়েছে, তার কি কোনো পোলট্রি খামার আছে? এই অ্যাসোসিয়েশনের নিবন্ধন আছে? তার সমিতির সদস্য কয়জন? এগুলো বলতে পারবে? তার নামে কয়েকটি কোম্পানির মামলা আছে। সে বিভিন্ন জায়গায় ধান্দা খুঁজে এগুলো বলে।’
বিপিএয়ের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য চাষি মামুন বলেন, ‘ছোট ছোট কৃষি ও শিল্প ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। মধ্যস্বত্বভোগী, সিন্ডিকেট ও করপোরেট ব্যবসায়ীর স্বার্থে এটা করা হচ্ছে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ধ্বংস করে, কোনো দেশ পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি।’
সংবাদ সম্মেলনে ডিম–মুরগির সংকট নিরসন, বন্ধ খামারগুলোকে উৎপাদনে ফিরিয়ে আনা ও প্রান্তিক পোলট্রি খামারিদের সুরক্ষায় আগামী বাজেটে এক হাজার কোটি টাকা তহবিল বরাদ্দের দাবি জানানো হয়।
সেই সঙ্গে ডিমের বাজার নিয়ন্ত্রণ করা অসাধু সিন্ডিকেটকে শাস্তির আওতায় আনার দাবি করেন সংগঠনের নেতারা।

দেশের পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে ডিমের দাম ওঠানামা করার পেছনে রাজধানীর কারওয়ান বাজার সংশ্লিষ্ট তেজগাঁওয়ের ডিম সমিতি প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। তারাই বাজারের ডিমের দাম নিয়ন্ত্রণ করে বলে অভিযোগ তুলেছে প্রান্তিক খামারিদের সংগঠন বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন।
আজ শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন সংগঠনটির সভাপতি মো. সুমন হাওলাদার।
তিনি বলেন, ‘ডিম পাইকারদের সংগঠন তেজগাঁও ডিম সমিতি মোবাইল এসএমএস ও ফেসবুকের মাধ্যমে দাম বাস্তবায়ন করে। তারা কম দামে ডিম কিনে কোল্ড স্টোরেজ করে, পরে বেশি দামে বিক্রি করে। পরে সেই মূল্যে সাধারণ ডিম ব্যবসায়ীরা কিনতে বাধ্য হয়।’
সুমন হাওলাদার আরও বলেন, ‘খামারি থেকে চার দিন পরপর ডিম কেনে আড়তদার। খামারি চাইলে অন্য কারও কাছে ডিম বিক্রি করতে পারে না। একই পাইকারের কাছে ডিম বিক্রি করতে হয়। তেজগাঁও ডিমের বাজার থেকে যে মূল্য নির্ধারণ করে, সাধারণ ডিম ব্যবসায়ীদের সেই দামে কিনতে হয়। পাইকারি–খুচরা পর্যায়ে ডিমের দাম ওঠানামা তেজগাঁও ডিম সমিতির নির্ধারিত দামের ওপর নির্ভর করে।’
সংগঠনটির অভিযোগ—পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে প্রতিদিন প্রতি শতকে ডিমে ১০ থেকে ২০ টাকা করে কমিয়ে, ৭ টাকায় দাম নামিয়ে আনে। আবার একই নিয়মে বাড়িয়ে দিয়ে প্রতিটি ডিমের দাম ১৩ টাকায় পৌঁছায়। মোবাইল এসএমএস ও ফেসবুকের মাধ্যমে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিয়ে বাড়তি বা কম দাম বাস্তবায়ন করে তেজগাঁও ডিম সমিতি।
ঢাকা কাপ্তান বাজার ডিম সমিতি, সাভার, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, পাবনা, টাঙ্গাইল, স্বরূপকাঠি, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জসহ রংপুর তেজগাঁও ডিম সমিতির দাম অনুসরণ করে। এরপর তারা কম দামে ডিম কিনে কোল্ড স্টোরেজ করে, পরে সেই ডিম সিন্ডিকেট করে বেশি দামে বিক্রি করে অতি মুনাফা করছে।
এদিকে উৎপাদক ন্যায্যমূল্য না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে উৎপাদন থেকে সরে যাচ্ছে বলেও সংগঠনটি দাবি করে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তেজগাঁও ডিম ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আমানউল্লাহ বিষয়টিকে ভিত্তিহীন দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ‘এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন। সে যেখানে-সেখানে আমাদের নামে বদনাম করে বেড়ায়। আমরা তার নামে মামলা করব। আজ (শনিবার) সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে কথা বলব।’
অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুমন হালদারকে ধান্দাবাজ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই লোক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হয়েছে, তার কি কোনো পোলট্রি খামার আছে? এই অ্যাসোসিয়েশনের নিবন্ধন আছে? তার সমিতির সদস্য কয়জন? এগুলো বলতে পারবে? তার নামে কয়েকটি কোম্পানির মামলা আছে। সে বিভিন্ন জায়গায় ধান্দা খুঁজে এগুলো বলে।’
বিপিএয়ের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য চাষি মামুন বলেন, ‘ছোট ছোট কৃষি ও শিল্প ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। মধ্যস্বত্বভোগী, সিন্ডিকেট ও করপোরেট ব্যবসায়ীর স্বার্থে এটা করা হচ্ছে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ধ্বংস করে, কোনো দেশ পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি।’
সংবাদ সম্মেলনে ডিম–মুরগির সংকট নিরসন, বন্ধ খামারগুলোকে উৎপাদনে ফিরিয়ে আনা ও প্রান্তিক পোলট্রি খামারিদের সুরক্ষায় আগামী বাজেটে এক হাজার কোটি টাকা তহবিল বরাদ্দের দাবি জানানো হয়।
সেই সঙ্গে ডিমের বাজার নিয়ন্ত্রণ করা অসাধু সিন্ডিকেটকে শাস্তির আওতায় আনার দাবি করেন সংগঠনের নেতারা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
১ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
২ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
২ ঘণ্টা আগে