নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সহিংসতা ও ইউএনওর সরকারি বাসভবনে হামলার ঘটনায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর শেখ সাইদ আহমেদ মান্নাকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তাঁকে বোনের বাসা থেকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ করেছিল সাইদ আহমেদের পরিবার। সাইদ আহমেদ মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।
সাইদ আহমেদ খানের বড় ভাই শেখ মাসুদ আহমেদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, শুক্রবার রাত পৌনে ১০টার দিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শিয়া মসজিদসংলগ্ন বোনের বাসা থেকে সাদা পোশাকধারীরা কাউন্সিলর শেখ সাইয়েদ আহমেদকে ধরে নিয়ে যান।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক আ ন ম ইমরান খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, বরিশালের মামলায় শুক্রবার দিবাগত রাতে গ্রেপ্তার হন সাইদ আহমেদ। বরিশাল সদর থানায় সম্প্রতি দায়ের হওয়া হামলা ও সহিংসতার মামলার এজাহার নামীয় দুই নম্বর আসামি তিনি। নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে বরিশাল সদর থানায় হস্তান্তর করা হবে।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, আমরা জেনেছি, সাইদ আহমেদ ঢাকায় গ্রেপ্তার হয়েছেন। তবে অফিশিয়ালি এখন পর্যন্ত বিষয়টি জানানো হয়নি। আসামিকে বরিশালে হস্তান্তর করার ব্যাপারে তিনি বলেন, আসামিকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করতে পারে। আবার ঢাকার আদালতেও হস্তান্তর করতে পারে। এখন পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি।
গত বুধবার বরিশাল নগরের সিঅ্যান্ডবি রোড এলাকা এবং সদর উপজেলা পরিষদ এলাকায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের সঙ্গে আনসার ও পুলিশ সদস্যদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ইউএনও এবং পুলিশ বাদী হয়ে থানায় দুটি মামলা করেছে। দুটি মামলাতেই সিটি করপোরেশনের মেয়র সাদিক আবদুল্লাহকে প্রধান আসামি করা হয়। সংঘর্ষের ঘটনায় থানা–পুলিশের মামলায় দুই নম্বর আসামি কাউন্সিলর শেখ সাইয়েদ আহমেদ।
আরও পড়ুন

সহিংসতা ও ইউএনওর সরকারি বাসভবনে হামলার ঘটনায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর শেখ সাইদ আহমেদ মান্নাকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তাঁকে বোনের বাসা থেকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ করেছিল সাইদ আহমেদের পরিবার। সাইদ আহমেদ মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।
সাইদ আহমেদ খানের বড় ভাই শেখ মাসুদ আহমেদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, শুক্রবার রাত পৌনে ১০টার দিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শিয়া মসজিদসংলগ্ন বোনের বাসা থেকে সাদা পোশাকধারীরা কাউন্সিলর শেখ সাইয়েদ আহমেদকে ধরে নিয়ে যান।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক আ ন ম ইমরান খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, বরিশালের মামলায় শুক্রবার দিবাগত রাতে গ্রেপ্তার হন সাইদ আহমেদ। বরিশাল সদর থানায় সম্প্রতি দায়ের হওয়া হামলা ও সহিংসতার মামলার এজাহার নামীয় দুই নম্বর আসামি তিনি। নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে বরিশাল সদর থানায় হস্তান্তর করা হবে।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, আমরা জেনেছি, সাইদ আহমেদ ঢাকায় গ্রেপ্তার হয়েছেন। তবে অফিশিয়ালি এখন পর্যন্ত বিষয়টি জানানো হয়নি। আসামিকে বরিশালে হস্তান্তর করার ব্যাপারে তিনি বলেন, আসামিকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করতে পারে। আবার ঢাকার আদালতেও হস্তান্তর করতে পারে। এখন পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি।
গত বুধবার বরিশাল নগরের সিঅ্যান্ডবি রোড এলাকা এবং সদর উপজেলা পরিষদ এলাকায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের সঙ্গে আনসার ও পুলিশ সদস্যদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ইউএনও এবং পুলিশ বাদী হয়ে থানায় দুটি মামলা করেছে। দুটি মামলাতেই সিটি করপোরেশনের মেয়র সাদিক আবদুল্লাহকে প্রধান আসামি করা হয়। সংঘর্ষের ঘটনায় থানা–পুলিশের মামলায় দুই নম্বর আসামি কাউন্সিলর শেখ সাইয়েদ আহমেদ।
আরও পড়ুন

নিহত ব্যক্তির বড় ভাই নয়ন চক্রবর্তী বলেন, পারিবারিক বিষয় নিয়ে সামান্য মতবিরোধের পর ১৬ জানুয়ারি সকালে বাড়িতে মোবাইল ফোন রেখে বের হন জয়। এর পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরদিন (১৭ জানুয়ারি) কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে
১ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে নভোএয়ার প্রতিদিন চট্টগ্রাম রুটে একটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে বেলা ১টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে এবং চট্টগ্রাম থেকে বেলা ২টা ৪০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। নতুন ফ্লাইটটি প্রতি সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে...
১ ঘণ্টা আগে
অভিযোগে বলা হয়, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিসহ স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার বিভিন্ন সহযোগী ব্যক্তি ও গোষ্ঠী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এ সকল ব্যক্তি ও দল অতীতে গণতন্ত্র ধ্বংস, ভোটাধিকার হরণ, মানবাধিকার...
১ ঘণ্টা আগে
খাদেমুল ইসলাম খুদি এর আগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জোটসঙ্গী দল জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। পরে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন। গত বছরের ৩ ডিসেম্বর এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের অনুমোদনে খুদিকে আহ্বায়ক করে
২ ঘণ্টা আগে