নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিশাল ভর্তুকি দিয়ে সরকার কৃষিকে লাভজনক করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, ‘কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখতে ও খাদ্যনিরাপত্তার জন্য কৃষিতে বিশাল ভর্তুকি দিয়ে যাচ্ছে সরকার। এ ছাড়া পৃথিবীর অনেক দেশের তুলনায় আমাদের দেশে বেশি ভর্তুকি দিয়ে কৃষিকে লাভজনক করার চেষ্টা করছে সরকার।’
রাজধানীর গুলশানে হোটেল রেনেসাঁয় ‘গতানুগতিক কৃষিকে স্মার্ট কৃষিতে রূপান্তরে করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আজ বুধবার সন্ধ্যায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এই সেমিনারের আয়োজন করে।
জাপানের উদাহরণ টেনে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘জাপানের জিডিপিতে কৃষির অবদান শতকরা ২ ভাগেরও কম, কিন্তু জাপান সরকার খাদ্যনিরাপত্তার জন্য, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ থাকার জন্য বিশাল ভর্তুকি দিয়ে যাচ্ছে। কৃষিতে ভর্তুকি প্রদানকারী শীর্ষ দেশের একটি জাপান।’
কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘বর্তমান সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষিকে আধুনিক ও লাভজনক করতে কাজ করছে। ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ ভর্তুকিতে কৃষকদের কৃষিযন্ত্র দেওয়া হচ্ছে। ফলে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ও আধুনিকীকরণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ীদের এগিয়ে আসতে হবে। কৃষি উৎপাদন, যান্ত্রিকীকরণ, প্রক্রিয়াজাতে বিনিয়োগ করতে হবে। তাহলেই কৃষি দ্রুত আধুনিক হবে, লাভজনক হবে।’
আয়োজক সংগঠনের প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার সামির সাত্তারের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর এম এ সাত্তার মণ্ডল, আইসিটি বিভাগের সচিব মো. শামসুল আরেফিন, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির বাংলাদেশ প্রতিনিধি ডোমেনিকো স্কালপেল্লি, কৃষি ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ, প্রাণ গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী, এসিআই এগ্রি বিজনেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এফ এইচ আনসারী প্রমুখ।

বিশাল ভর্তুকি দিয়ে সরকার কৃষিকে লাভজনক করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, ‘কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখতে ও খাদ্যনিরাপত্তার জন্য কৃষিতে বিশাল ভর্তুকি দিয়ে যাচ্ছে সরকার। এ ছাড়া পৃথিবীর অনেক দেশের তুলনায় আমাদের দেশে বেশি ভর্তুকি দিয়ে কৃষিকে লাভজনক করার চেষ্টা করছে সরকার।’
রাজধানীর গুলশানে হোটেল রেনেসাঁয় ‘গতানুগতিক কৃষিকে স্মার্ট কৃষিতে রূপান্তরে করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আজ বুধবার সন্ধ্যায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এই সেমিনারের আয়োজন করে।
জাপানের উদাহরণ টেনে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘জাপানের জিডিপিতে কৃষির অবদান শতকরা ২ ভাগেরও কম, কিন্তু জাপান সরকার খাদ্যনিরাপত্তার জন্য, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ থাকার জন্য বিশাল ভর্তুকি দিয়ে যাচ্ছে। কৃষিতে ভর্তুকি প্রদানকারী শীর্ষ দেশের একটি জাপান।’
কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘বর্তমান সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষিকে আধুনিক ও লাভজনক করতে কাজ করছে। ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ ভর্তুকিতে কৃষকদের কৃষিযন্ত্র দেওয়া হচ্ছে। ফলে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ও আধুনিকীকরণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ীদের এগিয়ে আসতে হবে। কৃষি উৎপাদন, যান্ত্রিকীকরণ, প্রক্রিয়াজাতে বিনিয়োগ করতে হবে। তাহলেই কৃষি দ্রুত আধুনিক হবে, লাভজনক হবে।’
আয়োজক সংগঠনের প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার সামির সাত্তারের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর এম এ সাত্তার মণ্ডল, আইসিটি বিভাগের সচিব মো. শামসুল আরেফিন, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির বাংলাদেশ প্রতিনিধি ডোমেনিকো স্কালপেল্লি, কৃষি ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ, প্রাণ গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী, এসিআই এগ্রি বিজনেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এফ এইচ আনসারী প্রমুখ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে