নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

কমলাপুর রেলস্টেশনে টিকিট চেকিংয়ে কড়াকড়িতে বিরক্তি প্রকাশ করছেন যাত্রীরা। যাত্রীদের সঙ্গে দায়িত্বশীলদের বাগ্বিতণ্ডার ঘটনাও ঘটছে। কমলাপুর স্টেশন প্ল্যাটফর্মের শেষ স্তরের টিকিট চেকিংয়ের সময় টিকিট দেখাতে চাচ্ছিলেন না মো. আশরাফুজ্জামান নামের এক যাত্রী। তাঁর সঙ্গে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) সদস্য ও ভ্রাম্যমাণ টিকিট পরীক্ষকের (টিটিই) বাগ্বিতণ্ডা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার কমলাপুর রেলস্টেশনে গিয়ে এমন চিত্রই দেখা গেছে।
আরএনবি ও টিটিই সদস্যরা ওই যাত্রীকে দাঁড় করাতে চাইলে তিনি বিরক্তি প্রকাশ করে বলেন, বারবার কেন টিকিট দেখাতে হবে।
এরপর আশরাফুজ্জামান টিকিট দেখালে, সেটি স্ক্যান করে তথ্য সঠিক পাওয়া যায়। তবে তাঁর ন্যাশনাল আইডি কার্ড দেখাতে বললে, তিনি তা দেখাতে পারেননি। তখন তাঁকে প্ল্যাটফর্ম থেকে চলে যেতে বলেন ঢাকা বিভাগীয় রেলওয়ের বাণিজ্যিক কর্মকর্তা শাহ আলম। আশরাফুজ্জামান বলেন, টিকিট তাঁর আইডি দিয়েই কাটা হয়েছে। কিন্তু কার্ড সঙ্গে নেই। ঢোকার আগে আরও দুবার চেক করেছে, তখন শুধু স্ক্যান করেই যেতে দিয়েছে।
ঢাকা বিভাগীয় রেলওয়ের বাণিজ্যিক কর্মকর্তা শাহ আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আপনি তো দেখতেই পাচ্ছেন। তিন স্তরের টিকিট চেকিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে অনেকই টিকিট দেখাতে বিরক্ত হন। এই ব্যক্তির আইডি কার্ড নেই, তাঁকে বের করে দেওয়া হয়েছে।’
চট্টগ্রামগামী যাত্রী সুবর্ণ এক্সপ্রেসের ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘প্রথমে বাঁশের গেটে একবার টিকিট চেক করে। সেখানে অনেক ভিড় থাকে। এরপর প্ল্যাটফর্মে ঢোকার আগেই একবার চেক করে। শেষে এসে একদম প্ল্যাটফর্মের সামনে চেক হয়। বেশির ভাগ যাত্রীর হাতে দুইটা করে ব্যাগ থাকে। তাই এতবার টিকিট চেক করলে রোজার মধ্যে অনেকেই বিরক্ত হচ্ছেন। তবে কালোবাজারি ও টিকিট ছাড়া যাত্রী রোধে টিকিট চেক করলে সমস্যা দেখি না কিছু।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রেলের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রথম দিকে কড়াকড়ি ধরে রাখা যায়। তবে ৮ ও ৯ এপ্রিল হয়তো এত কড়াকড়ি মেনে চলা যাবে না। ওই সময়ে অনেক ভিড় হবে। অনেকেই তখন মানবিক কারণে যেতে দিতে হয়। ওই সময়টাতে কিছুই করা যায় না।’
আজ বৃহস্পতিবার রেলে ঈদের অগ্রিম টিকিট যাত্রার দ্বিতীয় দিন। এই দিনের টিকিট বিক্রি হয়েছিল ২৫ মার্চ। সামনের সপ্তাহের ৮ ও ৯ এপ্রিলের ছুটির বাধা যাঁরা কাটাতে পেরেছেন, তাঁরা অনেকেই আজ রাজধানী ছাড়ছেন। গতকাল বুধবার ঈদযাত্রার প্রথম দিন থেকে আজ যাত্রীদের ভিড় ছিল বেশি। এ ছাড়া ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিটের যাত্রীরাও রয়েছেন।
বেসরকারি কর্মজীবী সিলেটগামী যাত্রী আনিসুর রহমান বলেন, তিনি ৮ ও ৯ এপ্রিল ছুটি পেয়েছেন। তাই আজই চলে যাচ্ছেন, ফিরবেন ১৪ এপ্রিল।
নোয়াখালীগামী উপকূল এক্সপ্রেসের যাত্রী ইলিয়াস হোসেন বলেন, ৩টা ১০ মিনিটে উপকূল এক্সপ্রেস ছাড়ার কথা কিন্তুই এখনো প্ল্যাটফর্মে আসেনি। হয়তো কিছুক্ষণ দেরি হবে।
কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সারোয়ার বলেন, এবারের ঈদযাত্রায় এখন পর্যন্ত কোনো শিডিউল বিপর্যয় কিংবা ট্রেন বিলম্বের ঘটনা ঘটেনি। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ২০টি ট্রেন যথাসময়ে সব ছেড়ে গিয়েছে। আজকে আন্তনগর ৪২ ও লোকাল-কমিউটার ২৫টি ট্রেন কমলাপুর স্টেশন ছেড়ে যাবে।

কমলাপুর রেলস্টেশনে টিকিট চেকিংয়ে কড়াকড়িতে বিরক্তি প্রকাশ করছেন যাত্রীরা। যাত্রীদের সঙ্গে দায়িত্বশীলদের বাগ্বিতণ্ডার ঘটনাও ঘটছে। কমলাপুর স্টেশন প্ল্যাটফর্মের শেষ স্তরের টিকিট চেকিংয়ের সময় টিকিট দেখাতে চাচ্ছিলেন না মো. আশরাফুজ্জামান নামের এক যাত্রী। তাঁর সঙ্গে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) সদস্য ও ভ্রাম্যমাণ টিকিট পরীক্ষকের (টিটিই) বাগ্বিতণ্ডা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার কমলাপুর রেলস্টেশনে গিয়ে এমন চিত্রই দেখা গেছে।
আরএনবি ও টিটিই সদস্যরা ওই যাত্রীকে দাঁড় করাতে চাইলে তিনি বিরক্তি প্রকাশ করে বলেন, বারবার কেন টিকিট দেখাতে হবে।
এরপর আশরাফুজ্জামান টিকিট দেখালে, সেটি স্ক্যান করে তথ্য সঠিক পাওয়া যায়। তবে তাঁর ন্যাশনাল আইডি কার্ড দেখাতে বললে, তিনি তা দেখাতে পারেননি। তখন তাঁকে প্ল্যাটফর্ম থেকে চলে যেতে বলেন ঢাকা বিভাগীয় রেলওয়ের বাণিজ্যিক কর্মকর্তা শাহ আলম। আশরাফুজ্জামান বলেন, টিকিট তাঁর আইডি দিয়েই কাটা হয়েছে। কিন্তু কার্ড সঙ্গে নেই। ঢোকার আগে আরও দুবার চেক করেছে, তখন শুধু স্ক্যান করেই যেতে দিয়েছে।
ঢাকা বিভাগীয় রেলওয়ের বাণিজ্যিক কর্মকর্তা শাহ আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আপনি তো দেখতেই পাচ্ছেন। তিন স্তরের টিকিট চেকিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে অনেকই টিকিট দেখাতে বিরক্ত হন। এই ব্যক্তির আইডি কার্ড নেই, তাঁকে বের করে দেওয়া হয়েছে।’
চট্টগ্রামগামী যাত্রী সুবর্ণ এক্সপ্রেসের ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘প্রথমে বাঁশের গেটে একবার টিকিট চেক করে। সেখানে অনেক ভিড় থাকে। এরপর প্ল্যাটফর্মে ঢোকার আগেই একবার চেক করে। শেষে এসে একদম প্ল্যাটফর্মের সামনে চেক হয়। বেশির ভাগ যাত্রীর হাতে দুইটা করে ব্যাগ থাকে। তাই এতবার টিকিট চেক করলে রোজার মধ্যে অনেকেই বিরক্ত হচ্ছেন। তবে কালোবাজারি ও টিকিট ছাড়া যাত্রী রোধে টিকিট চেক করলে সমস্যা দেখি না কিছু।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রেলের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রথম দিকে কড়াকড়ি ধরে রাখা যায়। তবে ৮ ও ৯ এপ্রিল হয়তো এত কড়াকড়ি মেনে চলা যাবে না। ওই সময়ে অনেক ভিড় হবে। অনেকেই তখন মানবিক কারণে যেতে দিতে হয়। ওই সময়টাতে কিছুই করা যায় না।’
আজ বৃহস্পতিবার রেলে ঈদের অগ্রিম টিকিট যাত্রার দ্বিতীয় দিন। এই দিনের টিকিট বিক্রি হয়েছিল ২৫ মার্চ। সামনের সপ্তাহের ৮ ও ৯ এপ্রিলের ছুটির বাধা যাঁরা কাটাতে পেরেছেন, তাঁরা অনেকেই আজ রাজধানী ছাড়ছেন। গতকাল বুধবার ঈদযাত্রার প্রথম দিন থেকে আজ যাত্রীদের ভিড় ছিল বেশি। এ ছাড়া ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিটের যাত্রীরাও রয়েছেন।
বেসরকারি কর্মজীবী সিলেটগামী যাত্রী আনিসুর রহমান বলেন, তিনি ৮ ও ৯ এপ্রিল ছুটি পেয়েছেন। তাই আজই চলে যাচ্ছেন, ফিরবেন ১৪ এপ্রিল।
নোয়াখালীগামী উপকূল এক্সপ্রেসের যাত্রী ইলিয়াস হোসেন বলেন, ৩টা ১০ মিনিটে উপকূল এক্সপ্রেস ছাড়ার কথা কিন্তুই এখনো প্ল্যাটফর্মে আসেনি। হয়তো কিছুক্ষণ দেরি হবে।
কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সারোয়ার বলেন, এবারের ঈদযাত্রায় এখন পর্যন্ত কোনো শিডিউল বিপর্যয় কিংবা ট্রেন বিলম্বের ঘটনা ঘটেনি। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ২০টি ট্রেন যথাসময়ে সব ছেড়ে গিয়েছে। আজকে আন্তনগর ৪২ ও লোকাল-কমিউটার ২৫টি ট্রেন কমলাপুর স্টেশন ছেড়ে যাবে।

বিলম্বের বৃত্ত থেকে বের হতে পারছে না বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন রেলপথ প্রকল্প। ইতিমধ্যে চার দফা মেয়াদ বাড়ানো এই প্রকল্প শেষ করতে আরও দুই বছর মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। প্রায় এক যুগে প্রকল্পের কাজ হয়েছে ৫৪ শতাংশ।
৩৯ মিনিট আগে
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল এবং হাতিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছাইফ উদ্দিন আহমদ দীর্ঘদিন হত্যা-বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলার আসামি হয়ে জেলা কারাগারে রয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
যুগ যুগ ধরে সমুদ্রের পানি দিয়ে লবণ উৎপাদন করে আসছেন কৃষকেরা। তবে লবণ উৎপাদন কারখানার পরিত্যক্ত পানি দিয়ে আবার লবণ তৈরির সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দিয়েছেন চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কৃষকেরা।
২ ঘণ্টা আগে
খুলনা জেলায় খাদ্যশস্য সংগ্রহ মৌসুমে বস্তা কেনায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নতুন বস্তার সঙ্গে পুরোনো বস্তাও সরবরাহ ও ব্যবহার হচ্ছে বলে জানা গেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পুরোনো নিম্নমানের বস্তা ক্রয় এবং অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে খাদ্যগুদামের অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে। তবে খাদ্য কর্মকর্তাদের দাবি...
২ ঘণ্টা আগে