নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিরোধপূর্ণ জমিতে ধান কাটতে রাজি না হওয়ায় এক শ্রমিক হত্যার শিকার হন। গত ৫ মে নেত্রকোনার মদন থানার নায়েকপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—শফিকুল ইসলাম (২৩) ও মোস্তাকিন ইসলাম (২০)। গতকাল বুধবার রাতে গাজীপুরের গাছা থানার শরীফপুর এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মালিবাগের সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) মুক্তা ধর।
গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে মুক্তা ধর বলেন, শফিক ও মোস্তাকিনের দুলাভাই হক মিয়া একই এলাকায় ৪০ শতাংশ জমি কিনে ধান চাষ করেন। কিন্তু জমি বিক্রেতা এখলাছ মিয়ার ভাই এলাই মিয়া ওই জমির অর্ধেক অংশের মালিকানা দাবি করে তাঁর দুলাভাইকে ধান কাটতে নিষেধ করেন। তখন তাঁদের দুলাভাই হক মিয়া তাঁর লোকজনসহ ভুক্তভোগী খাইরুল মিয়ার কাছে গিয়ে অন্যান্য শ্রমিক নিয়ে জমির ধান কেটে দেওয়ার জন্য বলেন। কিন্তু বিরোধপূর্ণ জমিতে ধান কাটতে গেলে দাঙ্গা-হাঙ্গামার সম্ভাবনা থাকায় খাইরুল মিয়া ধান কাটতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
মুক্তা ধর বলেন, ধান কেটে না দিলে তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে হক মিয়া চলে যান। গত ৫ মে সকালে খাইরুল মিয়া তাঁর গরুর ঘাস কাটছিলেন। এ সময় আসামিরা এসে দেখেন ধান না কেটে খাইরুল মিয়া ঘাস কাটছেন। ঘাস কাটা বন্ধ করে জমির ধান কাটতে বললে খাইরুল আবার অপারগতা প্রকাশ করে। এতে তাঁরা ক্ষিপ্ত হয়ে খাইরুলকে মারপিট করতে থাকেন। একপর্যায়ে খাইরুলের হাতে থাকা ঘাস কাটার কাস্তে ছিনিয়ে নিয়ে তা দিয়ে তাঁর গলায় আঘাত করেন শফিকুল। তখন অন্য আসামিরা তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করতে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
খাইরুলের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিরোধপূর্ণ জমিতে ধান কাটতে রাজি না হওয়ায় এক শ্রমিক হত্যার শিকার হন। গত ৫ মে নেত্রকোনার মদন থানার নায়েকপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—শফিকুল ইসলাম (২৩) ও মোস্তাকিন ইসলাম (২০)। গতকাল বুধবার রাতে গাজীপুরের গাছা থানার শরীফপুর এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মালিবাগের সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) মুক্তা ধর।
গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে মুক্তা ধর বলেন, শফিক ও মোস্তাকিনের দুলাভাই হক মিয়া একই এলাকায় ৪০ শতাংশ জমি কিনে ধান চাষ করেন। কিন্তু জমি বিক্রেতা এখলাছ মিয়ার ভাই এলাই মিয়া ওই জমির অর্ধেক অংশের মালিকানা দাবি করে তাঁর দুলাভাইকে ধান কাটতে নিষেধ করেন। তখন তাঁদের দুলাভাই হক মিয়া তাঁর লোকজনসহ ভুক্তভোগী খাইরুল মিয়ার কাছে গিয়ে অন্যান্য শ্রমিক নিয়ে জমির ধান কেটে দেওয়ার জন্য বলেন। কিন্তু বিরোধপূর্ণ জমিতে ধান কাটতে গেলে দাঙ্গা-হাঙ্গামার সম্ভাবনা থাকায় খাইরুল মিয়া ধান কাটতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
মুক্তা ধর বলেন, ধান কেটে না দিলে তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে হক মিয়া চলে যান। গত ৫ মে সকালে খাইরুল মিয়া তাঁর গরুর ঘাস কাটছিলেন। এ সময় আসামিরা এসে দেখেন ধান না কেটে খাইরুল মিয়া ঘাস কাটছেন। ঘাস কাটা বন্ধ করে জমির ধান কাটতে বললে খাইরুল আবার অপারগতা প্রকাশ করে। এতে তাঁরা ক্ষিপ্ত হয়ে খাইরুলকে মারপিট করতে থাকেন। একপর্যায়ে খাইরুলের হাতে থাকা ঘাস কাটার কাস্তে ছিনিয়ে নিয়ে তা দিয়ে তাঁর গলায় আঘাত করেন শফিকুল। তখন অন্য আসামিরা তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করতে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
খাইরুলের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৫ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনের ভোটে বড় ফ্যাক্টর আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) অংশ নিচ্ছে না। এতে জয়ের পাল্লা ভারী হয়েছে বিএনপির। এদিকে জেএসএসের রাজনীতিতে একসময় যুক্ত থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাও আছেন আলোচনায়।
৬ ঘণ্টা আগে