নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত কর্মকর্তারা হলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সুপারনিউমারারি পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) শাহেন শাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সুপারনিউমারারি পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) জুয়েল রানা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম।
আজ শুক্রবার তাঁদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির ডিবি উত্তর বিভাগের যুগ্ম কমিশনার রবিউল হোসেন ভূঁইয়া। তিনি বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি সাপেক্ষে বৃহস্পতিবার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের একাধিক হত্যা মামলা রয়েছে।’
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গৃহকর্মী লিজা আক্তার হত্যার মামলায় জুয়েল রানাকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া শাহেন শাহের মামলার নথি মহানগর আদালতে থাকায় আদালত তাঁর বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী সোমবার দিন ধার্য করেন।
আজ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা শাকিলা সুমু চৌধুরী তাঁর রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে আজ বিকেলে জুয়েল রানাকে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার পুলিশ পরিদর্শক পায়েল হোসেন। তিনি আসামির সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে গতকাল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহেন শাহকে আদালতে আনা হলে মামলার নথি মহানগর আদালতে থাকায় আদালত তাঁর বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী সোমবার দিন ধার্য করেন।
গতকাল ১৭ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের এক আদেশে চার পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের অনুমতি দেওয়া হয়। তাঁরা হলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সুপারনিউমারারি ‘পুলিশ সুপার’ পদে পদন্নোতিপ্রাপ্ত) শাহেন শাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সুপারনিউমারারি ‘পুলিশ সুপার’ পদে পদন্নোতিপ্রাপ্ত) জুয়েল রানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পদন্নোতিপ্রাপ্ত) হাসান আরাফাত ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত কর্মকর্তারা হলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সুপারনিউমারারি পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) শাহেন শাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সুপারনিউমারারি পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) জুয়েল রানা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম।
আজ শুক্রবার তাঁদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির ডিবি উত্তর বিভাগের যুগ্ম কমিশনার রবিউল হোসেন ভূঁইয়া। তিনি বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি সাপেক্ষে বৃহস্পতিবার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের একাধিক হত্যা মামলা রয়েছে।’
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গৃহকর্মী লিজা আক্তার হত্যার মামলায় জুয়েল রানাকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া শাহেন শাহের মামলার নথি মহানগর আদালতে থাকায় আদালত তাঁর বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী সোমবার দিন ধার্য করেন।
আজ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা শাকিলা সুমু চৌধুরী তাঁর রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে আজ বিকেলে জুয়েল রানাকে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার পুলিশ পরিদর্শক পায়েল হোসেন। তিনি আসামির সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে গতকাল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহেন শাহকে আদালতে আনা হলে মামলার নথি মহানগর আদালতে থাকায় আদালত তাঁর বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী সোমবার দিন ধার্য করেন।
গতকাল ১৭ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের এক আদেশে চার পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের অনুমতি দেওয়া হয়। তাঁরা হলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সুপারনিউমারারি ‘পুলিশ সুপার’ পদে পদন্নোতিপ্রাপ্ত) শাহেন শাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সুপারনিউমারারি ‘পুলিশ সুপার’ পদে পদন্নোতিপ্রাপ্ত) জুয়েল রানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পদন্নোতিপ্রাপ্ত) হাসান আরাফাত ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে