Ajker Patrika

সাভারে এসবির এসআইকে পিটিয়ে হত্যা: প্রধান আসামি জহিরুল ৫ দিনের রিমান্ডে

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮: ১০
সাভারে এসবির এসআইকে পিটিয়ে হত্যা: প্রধান আসামি জহিরুল ৫ দিনের রিমান্ডে
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা। ছবি: সংগৃহীত

সাভারের আমিনবাজারে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) এসআই আলতাফ হোসেনকে (৫৮) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার আসামি জহিরুল ইসলামকে (৩২) পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আয়েশা সিদ্দিকা এই নির্দেশ দেন।

আদালতের সাভার থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই আরিফ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আজ বিকেলে আসামিকে আদালতে হাজির করে সাভার থানা-পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আমিনবাজার পুলিশ ক্যাম্প সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক মো. জাকির আল আহসান দশ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, দুষ্কৃতকারীরা পরস্পর যোগসাজশে এসআই আলতাফ হোসেনকে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে চলে যায়। এই আসামিকে গ্রেপ্তারের পর হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার তথ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত, ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র-শস্ত্র উদ্ধার এবং জড়িতদের শনাক্তকরণের লক্ষ্যে আসামিকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

এদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী শফি উজ্জামান স্বপন রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামির পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

উল্লেখ্য, গত ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা দিকে সাভারের বরদেশী পশ্চিমপাড়ায় আবুল কালাম আজাদের অটো গ্যারেজের সামনে এক ব্যক্তির অটো রাখাকে কেন্দ্র করে তর্কাতর্কি হয়। সেই তর্কাতর্কি থামাতে গিয়ে আসামিদের তোপের মুখে পড়েন এসবির এসআই মো. আলতাব হোসেন। পরবর্তীতে প্রাণ বাঁচাতে তিনি তাঁর ছেলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘গ্র্যান্ড ফ্যাশন’-এ আশ্রয় নিলে রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সেখানে হামলা চালায়।

আসামিরা আলতাব হোসেনকে রড, পাইপ, হাতুড়ি ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। তাঁকে বাঁচাতে এলে তাঁর ছেলে আরিফুল ইসলামকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়। এ ছাড়া তাঁরা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালিয়ে ৫ লাখ টাকার ক্ষতি এবং ক্যাশ বাক্স থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা চুরি করে। পরে আহতদের উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন এবং তাঁর ছেলেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করা হয়।

এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মোছা. শিউলী পারভীন বাদী হয়ে সাভার থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত