নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় নির্মাণাধীন একটি ফ্ল্যাটে দীপ্ত টিভির সম্প্রচার বিভাগে কর্মকর্তা তানজিল জাহান ইসলাম ওরফে তামিম (৩৪) হত্যাকাণ্ডে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে এ মামলার এক নম্বর আসামি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ) মোহাম্মদ মামুন এবং তিন নম্বর আসামি বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা শেখ রবিউল ইসলাম রবি এখনো গ্রেপ্তার হননি।
তেজগাঁও বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার মো. রুহুল কবির খান বলেন, ‘আমরা রাজনৈতিক পরিচয় দেখছি না। আমরা অপরাধ দেখছি। আমরা প্রাথমিকভাবে তার (শেখ রবিউল আলম রবি) সম্পৃক্ততা পাচ্ছি। এ ঘটনায় কার কী ভূমিকা ছিল, তা তদন্তে উঠে আসবে। এ ছাড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাকে মামলার ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। আমরা তার সম্পৃক্ততার বিষয় তদন্ত করে দেখব।’
আজ শুক্রবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগে এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. রুহুল কবির খান একথা বলেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় এ পর্যন্ত পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- মো. আবদুল লতিফ, মো. কুরবান আলী, মাহিন, মোজাম্মেল হক কবির ও বাঁধন। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ১৬ জনকে আসামি করে হাতিরঝিল থানায় মামলা দায়ের করেন।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কর্তা জানান, গতকাল রামপুরা মহানগর প্রজেক্টের বক্ল-ডির নির্মাণাধীন ভবনের অষ্টম তলার করিডরের জমির মালিক হচ্ছেন নিহত তামিমের বাবা। সেখানে ভবন নির্মাণের সঙ্গে প্লিজেন্ট প্রোপার্টিজের সঙ্গে তাদের যে চুক্তি হয়, তাতে জমির মালিককে পাঁচটি ফ্ল্যাট দেওয়ার কথা ছিল। এ পর্যন্ত ডেভেলপার কোম্পানি দুটি ফ্ল্যাট হস্তান্তর করেছে, বাকি তিনটির মধ্যে একটি ফ্ল্যাট মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মামুনের শ্বশুরের কাছে বিক্রি করে প্লিজেন্ট প্রোপার্টিজ। এ নিয়েই তিন বছর ধরে দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল।
ঘটনার বিষয়ে মামলার এক নম্বর আসামি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মামুনের বক্তব্য জানা যায়নি। তবে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা বিষয়টি শুনেছি। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের কাছে কিছু আসে নাই। আসলে আমরা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।’

রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় নির্মাণাধীন একটি ফ্ল্যাটে দীপ্ত টিভির সম্প্রচার বিভাগে কর্মকর্তা তানজিল জাহান ইসলাম ওরফে তামিম (৩৪) হত্যাকাণ্ডে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে এ মামলার এক নম্বর আসামি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ) মোহাম্মদ মামুন এবং তিন নম্বর আসামি বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা শেখ রবিউল ইসলাম রবি এখনো গ্রেপ্তার হননি।
তেজগাঁও বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার মো. রুহুল কবির খান বলেন, ‘আমরা রাজনৈতিক পরিচয় দেখছি না। আমরা অপরাধ দেখছি। আমরা প্রাথমিকভাবে তার (শেখ রবিউল আলম রবি) সম্পৃক্ততা পাচ্ছি। এ ঘটনায় কার কী ভূমিকা ছিল, তা তদন্তে উঠে আসবে। এ ছাড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাকে মামলার ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। আমরা তার সম্পৃক্ততার বিষয় তদন্ত করে দেখব।’
আজ শুক্রবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগে এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. রুহুল কবির খান একথা বলেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় এ পর্যন্ত পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- মো. আবদুল লতিফ, মো. কুরবান আলী, মাহিন, মোজাম্মেল হক কবির ও বাঁধন। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ১৬ জনকে আসামি করে হাতিরঝিল থানায় মামলা দায়ের করেন।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কর্তা জানান, গতকাল রামপুরা মহানগর প্রজেক্টের বক্ল-ডির নির্মাণাধীন ভবনের অষ্টম তলার করিডরের জমির মালিক হচ্ছেন নিহত তামিমের বাবা। সেখানে ভবন নির্মাণের সঙ্গে প্লিজেন্ট প্রোপার্টিজের সঙ্গে তাদের যে চুক্তি হয়, তাতে জমির মালিককে পাঁচটি ফ্ল্যাট দেওয়ার কথা ছিল। এ পর্যন্ত ডেভেলপার কোম্পানি দুটি ফ্ল্যাট হস্তান্তর করেছে, বাকি তিনটির মধ্যে একটি ফ্ল্যাট মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মামুনের শ্বশুরের কাছে বিক্রি করে প্লিজেন্ট প্রোপার্টিজ। এ নিয়েই তিন বছর ধরে দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল।
ঘটনার বিষয়ে মামলার এক নম্বর আসামি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মামুনের বক্তব্য জানা যায়নি। তবে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা বিষয়টি শুনেছি। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের কাছে কিছু আসে নাই। আসলে আমরা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।’

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
৮ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
২০ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
১ ঘণ্টা আগে