নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সাভারের সাবেক সংসদ সদস্য শামসুদ্দোহা খান মজলিশের স্ত্রী সেলিমা খান হত্যার ১৩ বছর পর রহস্য উদ্ঘাটন হয়েছে। গত ৪ জুন সাভার থেকে সাবেক ওই এমপির মেয়ে শামীমা খান মজলিশ ওরফে পপিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তারের পর হত্যার কারণ জানতে পারে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
গ্রেপ্তাররা হলেন শামসুদ্দোহা-সেলিমা দম্পতির মেয়ে শামীমা খান মজলিশ ওরফে পপি (৫৭), আরতি সরকার ও সুবল কুমার রায় (৫০)।
পিবিআই জানায়, সেলিমা খানের মেয়ে শামীমা খান পপির সঙ্গে সুবল কুমার রায়ের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। এ ছাড়া পারিবারিক সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ এবং রাজনৈতিক বিরোধের জেরে এমপির স্ত্রীকে হত্যা করা হয়।
সেলিমা খান হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডির পিবিআই সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি বনজ কুমার মজুমদার।
তিনি জানান, সাভারের প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা শামসুদ্দোহা খানের স্ত্রী ছিলেন সেলিমা খান মজলিশ। তিনি স্বামীর দুই তলার বাড়ির নিচতলার পশ্চিম পাশের ফ্ল্যাটে বড় মেয়ে শামীমা খান মজলিশ ওরফে পপি (৫৭), মেয়ে তিলোত্তমা ও মেয়ের স্বামী আবুল কালাম আজাদ এবং পূর্বপাশের ফ্ল্যাটে সেজ মেয়ে সেলিমা খান মজলিশ ওরফে শিল্পী (৩৮) এবং তাঁর একমাত্র ছেলে প্লাবনকে (১২) নিয়ে বসবাস করতেন।
২০১১ সালের ১৪ জুন ভোর সাড়ে ৬টা থেকে সাড়ে ৭টার মধ্যে সেলিমা খানকে গলা ও পেট কাটা অবস্থায় উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চার দিন পর ১৮ জুন তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই মো. শাফিউর রহমান খান ওরফে শাফি বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। মামলার পর নিহতের নাতনির স্বামী আবুল কালাম আজাদ ও গৃহকর্মী সরস্বতীর স্বামী হরিপদ সরকারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। পরে থানা-পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটির তদন্তভার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।
সিআইডি ৪ বছর ৩ মাস ২৪ দিন তদন্ত করে। তদন্তকালে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে মো. আবু সুফিয়ান ওরফে রানা (৩২) নামে আরেকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু তদন্তে সম্পৃক্ততা না মেলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন থেকে তাঁদের নাম বাদ দেয় সিআইডি। এরপর ২০১৫ সালের অক্টোবরে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আদালত মামলাটি পুনঃতদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেয়। মামলাটির তদন্ত করেন উপপরিদর্শক (এসআই) সালেহ ইমরান। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান এসআই ইমরান আহমেদ।
বনজ কুমার বলেন, ১৩ বছর ধরে মামলাটির তদন্ত হলেও মূল আসামি ছিল ধরাছোঁয়ার বাইরে। গত ৩০ মে সুবল কুমার রায়কে গ্রেপ্তার করলে হত্যাকাণ্ডের আসল রহস্য বেরিয়ে আসতে শুরু করে। সুবলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের মেয়ে পপি ও আরতি সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়। সুবল কুমার রায় এবং নিহতের বড় মেয়ে শামীমা তাহের পপির মধ্যে সম্পর্ক ছিল। পারিবারিক সম্পত্তিসংক্রান্ত বিরোধ এবং রাজনৈতিক বিরোধও এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে ছিল।
পিবিআই প্রধান জানান, হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয় বড় মেয়ে পপির পরিকল্পনায়। বড় মেয়ে পপির সহায়তায় সেলিমা খান মজলিশের গলার দুই পাশে ফল কাটার ছুরি দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত করা হয়। পরে সেই অবস্থায় প্রতিবন্ধী ছেলে সেতুর কক্ষে খাটের চাদরের ওপরে একটি পুরোনো পত্রিকা বিছিয়ে সেলিমা খানের মাথার কাছে দুটি বালিশ দিয়ে চাপা দিয়ে এবং ঘাড়ের নিচে তোশক দিয়ে শুইয়ে রাখেন। পরে তাঁরা বাসার দ্বিতীয় তলার ডাইনিং রুমে সেলিমাকে ফেলে রেখে চলে যান।

সাভারের সাবেক সংসদ সদস্য শামসুদ্দোহা খান মজলিশের স্ত্রী সেলিমা খান হত্যার ১৩ বছর পর রহস্য উদ্ঘাটন হয়েছে। গত ৪ জুন সাভার থেকে সাবেক ওই এমপির মেয়ে শামীমা খান মজলিশ ওরফে পপিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তারের পর হত্যার কারণ জানতে পারে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
গ্রেপ্তাররা হলেন শামসুদ্দোহা-সেলিমা দম্পতির মেয়ে শামীমা খান মজলিশ ওরফে পপি (৫৭), আরতি সরকার ও সুবল কুমার রায় (৫০)।
পিবিআই জানায়, সেলিমা খানের মেয়ে শামীমা খান পপির সঙ্গে সুবল কুমার রায়ের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। এ ছাড়া পারিবারিক সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ এবং রাজনৈতিক বিরোধের জেরে এমপির স্ত্রীকে হত্যা করা হয়।
সেলিমা খান হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডির পিবিআই সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি বনজ কুমার মজুমদার।
তিনি জানান, সাভারের প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা শামসুদ্দোহা খানের স্ত্রী ছিলেন সেলিমা খান মজলিশ। তিনি স্বামীর দুই তলার বাড়ির নিচতলার পশ্চিম পাশের ফ্ল্যাটে বড় মেয়ে শামীমা খান মজলিশ ওরফে পপি (৫৭), মেয়ে তিলোত্তমা ও মেয়ের স্বামী আবুল কালাম আজাদ এবং পূর্বপাশের ফ্ল্যাটে সেজ মেয়ে সেলিমা খান মজলিশ ওরফে শিল্পী (৩৮) এবং তাঁর একমাত্র ছেলে প্লাবনকে (১২) নিয়ে বসবাস করতেন।
২০১১ সালের ১৪ জুন ভোর সাড়ে ৬টা থেকে সাড়ে ৭টার মধ্যে সেলিমা খানকে গলা ও পেট কাটা অবস্থায় উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চার দিন পর ১৮ জুন তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই মো. শাফিউর রহমান খান ওরফে শাফি বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। মামলার পর নিহতের নাতনির স্বামী আবুল কালাম আজাদ ও গৃহকর্মী সরস্বতীর স্বামী হরিপদ সরকারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। পরে থানা-পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটির তদন্তভার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।
সিআইডি ৪ বছর ৩ মাস ২৪ দিন তদন্ত করে। তদন্তকালে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে মো. আবু সুফিয়ান ওরফে রানা (৩২) নামে আরেকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু তদন্তে সম্পৃক্ততা না মেলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন থেকে তাঁদের নাম বাদ দেয় সিআইডি। এরপর ২০১৫ সালের অক্টোবরে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আদালত মামলাটি পুনঃতদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেয়। মামলাটির তদন্ত করেন উপপরিদর্শক (এসআই) সালেহ ইমরান। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান এসআই ইমরান আহমেদ।
বনজ কুমার বলেন, ১৩ বছর ধরে মামলাটির তদন্ত হলেও মূল আসামি ছিল ধরাছোঁয়ার বাইরে। গত ৩০ মে সুবল কুমার রায়কে গ্রেপ্তার করলে হত্যাকাণ্ডের আসল রহস্য বেরিয়ে আসতে শুরু করে। সুবলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের মেয়ে পপি ও আরতি সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়। সুবল কুমার রায় এবং নিহতের বড় মেয়ে শামীমা তাহের পপির মধ্যে সম্পর্ক ছিল। পারিবারিক সম্পত্তিসংক্রান্ত বিরোধ এবং রাজনৈতিক বিরোধও এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে ছিল।
পিবিআই প্রধান জানান, হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয় বড় মেয়ে পপির পরিকল্পনায়। বড় মেয়ে পপির সহায়তায় সেলিমা খান মজলিশের গলার দুই পাশে ফল কাটার ছুরি দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত করা হয়। পরে সেই অবস্থায় প্রতিবন্ধী ছেলে সেতুর কক্ষে খাটের চাদরের ওপরে একটি পুরোনো পত্রিকা বিছিয়ে সেলিমা খানের মাথার কাছে দুটি বালিশ দিয়ে চাপা দিয়ে এবং ঘাড়ের নিচে তোশক দিয়ে শুইয়ে রাখেন। পরে তাঁরা বাসার দ্বিতীয় তলার ডাইনিং রুমে সেলিমাকে ফেলে রেখে চলে যান।

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় একটি হিফজ মাদ্রাসার টয়লেট থেকে হাবিবউল্লাহ (১২) নামের এক ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার কালিয়াকৈর বাইপাস এলাকায় আল আবরার ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। হাবিবউল্লাহ যশোরের কেশবপুর উপজেলার
৪৪ মিনিট আগে
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (ব্রাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের তফসিল আবারও স্থগিত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাত ১০টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক মো. মাসুদ রানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
১ ঘণ্টা আগে
যশোর সরকারি এমএম কলেজের শহীদ আসাদ হলে ঢুকে রবিউল ইসলাম (২১) নামে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৭টার দিকে হলের ২০৮ নম্বর কক্ষে এই ঘটনা ঘটে। আহত রবিউল ইসলাম ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাড়া গ্রামের আব্দুল মালেকের
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৭ ঘণ্টা আগে