
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ময়লার গাড়ির ধাক্কায় শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় গুলিস্তান শপিং কমপ্লেক্স মোড়ে সমাবেশ করছে নটর ডেমসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার বিকেল সোয়া ৩টার দিকে তারা মতিঝিল, গুলিস্তান সড়কে অবরোধ করে।
সমাবেশে তিন দফা দাবি দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। দবিগুলো হচ্ছে- ঘাতক চালকের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা, নিহত শিক্ষার্থীর পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ এবং সকল গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ পাস কার্যকর।
আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১১টায় গুলিস্থান শপিং কমপ্লেক্সের সামনে সিটি কর্পোরেশনের একটি ময়লার গাড়ির ধাক্কায় নাঈম হাসান নামে এক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন। পরে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে ডাক্তাররা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিন মিয়া বলেন, 'আমরা এরই মধ্যে চালককে গ্রেপ্তার করেছি। ছাত্রের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এটি শেষ হলে আমরা মামলা এবং অন্যান্য কার্যক্রম শুরু করব।'
নটর ডেম কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান আরমান বলেন, 'গ্রেপ্তার বা আইন করে সড়কে মৃত্যু থামানো যাবে না। এর জন্য সড়কে আইনের যথাযথ প্রয়োগ দরকার। সরকার প্রায়ই আইন করে কিন্তু সেই আইনের প্রয়োগ দেখি না।'
সমাবেশ শেষে গুলিস্তান থেকে পল্টন, দৈনিক বাংলা, মতিঝিল হয়ে নটর ডেম কলেজ পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করে শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড, মৌচাক, শিমরাইল মোড় ও কাঁচপুর এলাকার বাস কাউন্টারগুলো ঘুরে দেখা যায়, অন্যান্য দিনের তুলনায় যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়েছে।
৩৪ মিনিট আগে
ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রশক্তির সংগঠক আলী হোসেন বলেন, ‘ভোররাতে সাইফুল্লাহর বাড়িতে আগুন লাগার খবর পেয়ে সকালে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সাইফুল্লাহর বাড়িতে লাকড়ির ঘরে দুর্বৃত্তরা আগুন ধরিয়ে দেয়; যাতে পুরো বাড়িতে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু আগুন লাগার বিষয়টি টের পাওয়ায় প্রতিবেশীদের সহায়তায় আগুন দ্রুতই নি
১ ঘণ্টা আগে
বান্দরবানের লামা উপজেলায় লাকড়িবোঝাই একটি ট্রাক প্রায় ২০০ ফুট গভীর পাহাড়ি খাদে পড়ে চালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী-লামা সড়কের ইয়াংছা টার্নিং পয়েন্ট এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের রামপালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত আব্দুর রাজ্জাক ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের জন্য কবর প্রস্তুত করা হয়েছে। মোংলা কবরস্থানে পাশাপাশি খোঁড়া হয়েছে ৯টি কবর। এসব কবরেই শায়িত হবেন নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে আব্দুর রাজ্জাক ও তাঁর পরিবারের ৯ সদস্য।
২ ঘণ্টা আগে