নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম ও গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের এক বন্দীর হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। কারা হাসপাতালে তাঁর অবস্থার অবনতি হয়ে গাজীপুরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আজ দুপুর আড়াইটার দিকে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মারা যাওয়া বন্দীর নাম গোলাপ রহমান (৬৩)। তিনি চট্টগ্রাম মহানগরীর মোহরা ওয়ার্ড বিএনপির সহ–সভাপতি। সন্ধ্যা ৭টার দিকে কাশিমপুর কারাগার থেকে টেলিফোনে বিষয়টি তাঁর পরিবারকে জানানো হয় বলে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্বপ্রাপ্ত মো. ইদ্রিস আলী।
গোলাপুর রহমান চট্টগ্রামের চাঁদগাঁও থানার চর রাঙ্গামাটিয়া এলাকার মৃত আব্দুল মিয়ার ছেলে। তিনি গত ২ নভেম্বর থেকে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী ছিলেন।
কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা বলেন, ‘গোলাপুর রহমান আগে থেকেই হার্টের রোগী ছিলেন। এ কারাগারে আসার পর গত বৃহস্পতিবার থেকে তিনি কারা হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। দুপুর ২টার দিকে কারা হাসপাতালে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক বেলা ২টা ৪০ মিনিটে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।’
জেল সুপার সুব্রত কুমার জানান, গোলাপুর রহমানের বিরুদ্ধে রাজধানীর পল্টন থানায় গত অক্টোবরে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা হয়। পল্টন থানার মামলা নম্বর–৫৩ (১০) ২৩। তিনি গত ২ নভেম্বর থেকে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী ছিলেন। মরদেহের ময়নাতদন্ত এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে আগামীকাল রোববার পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্বপ্রাপ্ত মো. ইদ্রিস আলী বলেন, ‘কাশিমপুর কারাগারের পক্ষ থেকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে, দুপুর ২টার দিকে গোলাপুর রহমান কারা সেলে অসুস্থবোধ করেন। তাকে কারা হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর লাশ গ্রহণের জন্য পরিবারের সদস্যদের কাশিমপুর কারাগারে যেতে বলা হয়েছে।’
বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে গোলাপুর রহমানের সন্তানেরা ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন ও সদস্যসচিব আবুল হাশেম বক্কর গোলাপুর রহমানের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকার বিরোধী আন্দোলনের অকুতোভয় সৈনিক গোলাপুর রহমানের মর্মান্তিক মৃত্যুতে চট্টগ্রামে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।’
উল্লেখ্য, গত ২৮ অক্টোবর ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশে যোগ দিতে ঢাকায় গিয়েছিলেন গোলাপুর রহমান। সমাবেশের আগের দিন সন্ধ্যায় চান্দগাঁও থানা বিএনপির সভাপতি মোহরা ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ আজম এবং গোলাপুর রহমানসহ সাতজনকে নয়াপল্টনের বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে পুলিশ আটক করে। এরপর থেকে তাঁরা কাশিমপুর কারাগারে আছেন।

গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের এক বন্দীর হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। কারা হাসপাতালে তাঁর অবস্থার অবনতি হয়ে গাজীপুরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আজ দুপুর আড়াইটার দিকে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মারা যাওয়া বন্দীর নাম গোলাপ রহমান (৬৩)। তিনি চট্টগ্রাম মহানগরীর মোহরা ওয়ার্ড বিএনপির সহ–সভাপতি। সন্ধ্যা ৭টার দিকে কাশিমপুর কারাগার থেকে টেলিফোনে বিষয়টি তাঁর পরিবারকে জানানো হয় বলে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্বপ্রাপ্ত মো. ইদ্রিস আলী।
গোলাপুর রহমান চট্টগ্রামের চাঁদগাঁও থানার চর রাঙ্গামাটিয়া এলাকার মৃত আব্দুল মিয়ার ছেলে। তিনি গত ২ নভেম্বর থেকে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী ছিলেন।
কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা বলেন, ‘গোলাপুর রহমান আগে থেকেই হার্টের রোগী ছিলেন। এ কারাগারে আসার পর গত বৃহস্পতিবার থেকে তিনি কারা হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। দুপুর ২টার দিকে কারা হাসপাতালে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক বেলা ২টা ৪০ মিনিটে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।’
জেল সুপার সুব্রত কুমার জানান, গোলাপুর রহমানের বিরুদ্ধে রাজধানীর পল্টন থানায় গত অক্টোবরে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা হয়। পল্টন থানার মামলা নম্বর–৫৩ (১০) ২৩। তিনি গত ২ নভেম্বর থেকে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী ছিলেন। মরদেহের ময়নাতদন্ত এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে আগামীকাল রোববার পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্বপ্রাপ্ত মো. ইদ্রিস আলী বলেন, ‘কাশিমপুর কারাগারের পক্ষ থেকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে, দুপুর ২টার দিকে গোলাপুর রহমান কারা সেলে অসুস্থবোধ করেন। তাকে কারা হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর লাশ গ্রহণের জন্য পরিবারের সদস্যদের কাশিমপুর কারাগারে যেতে বলা হয়েছে।’
বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে গোলাপুর রহমানের সন্তানেরা ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন ও সদস্যসচিব আবুল হাশেম বক্কর গোলাপুর রহমানের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকার বিরোধী আন্দোলনের অকুতোভয় সৈনিক গোলাপুর রহমানের মর্মান্তিক মৃত্যুতে চট্টগ্রামে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।’
উল্লেখ্য, গত ২৮ অক্টোবর ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশে যোগ দিতে ঢাকায় গিয়েছিলেন গোলাপুর রহমান। সমাবেশের আগের দিন সন্ধ্যায় চান্দগাঁও থানা বিএনপির সভাপতি মোহরা ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ আজম এবং গোলাপুর রহমানসহ সাতজনকে নয়াপল্টনের বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে পুলিশ আটক করে। এরপর থেকে তাঁরা কাশিমপুর কারাগারে আছেন।

এবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে...
১৫ মিনিট আগে
খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১ ঘণ্টা আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
১ ঘণ্টা আগে