Ajker Patrika

মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবেন তাসনিম জারা

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮: ৫৪
তাসনিম জারা। ছবি: সংগৃহীত
তাসনিম জারা। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব পদে ইস্তফা দিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেওয়া ডা. তাসনিম জারা বলেছেন, ‘যখন একজন প্রার্থীর পক্ষে মানুষের সমর্থন স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে, তখন ছোটখাটো কারিগরি বিষয় দেখিয়ে তাঁকে নির্বাচনের বাইরে রাখার চেষ্টা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আমি নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করব এবং অধিকার আদায়ে অবিচল থাকব।’

আজ শনিবার ঢাকা-৯ আসনে মনোনয়ন বাতিল হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

মনোনয়ন বাতিলের খবরে অনেকে উদ্বেগ জানিয়ে খবর নিচ্ছেন জানিয়ে তাসনিম জারা বলেন, ‘আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই, আমরা আমাদের কাজ পূর্ণ উদ্যমে চালিয়ে যাচ্ছি। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নিয়মকানুন থাকবে। সেই আইনের প্রয়োগ হওয়া উচিত ন্যায্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক, যাতে প্রকৃত জনপ্রতিনিধিরা লড়াইয়ের সুযোগ পান।’

মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও জনসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন খিলগাঁও, সবুজবাগ, মুগদা থানা ও মান্ডা এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৯ আসনের সম্ভাব্য এই প্রার্থী। আজ বিকেল ৪টায় মুগদা এলাকার ওয়াপদা কলোনি মেইন গেট, মামা-ভাইগ্না গলি, বাশার টাওয়ার ও মদিনাবাগে জনসংযোগ করেন তিনি।

এর আগে সকালে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা তাসনিম জারার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মো. আজমল হোসেন জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় তাসনিম জারার মোট ভোটারের মধ্যে ৪ হাজার ৩০০ জনের স্বাক্ষর প্রয়োজন ছিল। তিনি কিছু বেশি ভোটারের স্বাক্ষর জমা দিয়েছিলেন। তবে যাচাই করে দেখা গেছে, প্রস্তাবক ও সমর্থক হিসেবে নাম দেওয়া ১০ জনের মধ্যে ৮ জন ঢাকা-৯ আসনের ভোটার। বাকি দুজন ওই আসনের ভোটার না হওয়ায় নির্বাচনবিধি অনুযায়ী তাঁর মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় তাসনিম জারা বলেন, ভোটারদের স্বাক্ষরের মধ্য থেকে ১০ জনের তথ্যের সত্যতা যাচাই করা হয়। এই ১০ জনের মধ্যে ২ জনের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, তাঁরা ঢাকা-৯ আসনের ভোটার নন। এ দুজনের মধ্যে একজনের বাসা খিলগাঁও। খিলগাঁও এলাকা ঢাকা-৯ ও ঢাকা-১১ দুটি আসনেই পড়ে। স্বাক্ষরকারী জানতেন, তিনি ঢাকা-৯-এর ভোটার। সে অনুযায়ী স্বাক্ষর করেছেন। আরেকজনের সঙ্গে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী, তিনি ঢাকা-৯-এর ভোটার। কয়েক বছর আগে তিনি শরীয়তপুরে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে ঠিকানা সংশোধনের জন্য আবেদন করেছিলেন। কিন্তু কোনো আপডেট পাননি। এখন নির্বাচন কমিশনের অনলাইন ডেটাবেজ অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, তিনি শরীয়তপুরের ভোটার।

তাসনিম জারা আরও বলেন, এই দুজন ভোটারের জানার কোনো উপায় ছিল না, তাঁরা কোন আসনের ভোটার। এই তথ্য জানার কোনো উপায় নির্বাচন কমিশন রাখেনি।

আপিলের পর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হবে বলে আশাবাদী তাসনিম জারা।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ায় বিসিসিআইকে ধুয়ে দিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেটার

সিআইএ–এফবিআই এবং এলিট বাহিনী: যেভাবে কয়েক মাসে মাদুরোকে ধরতে ‘অপারেশন অ্যাবসোলিউট রিজলভের’ প্রস্তুতি নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

কলকাতার পেজে লাখো ‘নেগেটিভ রিঅ্যাকশন’

আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের ২০০ বছরের পুরোনো ‘মনরো ডকট্রিন’, কী আছে এতে

ট্রাম্পের নজর কি এবার গ্রিনল্যান্ডে!

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত