গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস বুকে স্থান পাওয়া অপেক্ষা ছিল সাভারের আশুলিয়ায় খর্বাকৃতির গরু রানী। কিন্তু এর আগেই মৃত্যু হয় গরুটির। অবশেষে মৃত্যুর ৪০ দিন পর বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু হিসেবে স্বীকৃতি পেল সেই রানী।
আজ মঙ্গলবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সাভারে চারিগ্রাম এলাকার শিকড় অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপক মো. আবু সুফিয়ান।
এর আগে, গতকাল সোমবার বিকেল ৪টার দিকে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ তাঁকে একটি ই-মেইলের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ওয়েবসাইটে গেলেও এখন রানীর তথ্য দেখা যাচ্ছে। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস বুকে রানীকে ‘শর্টেস্ট কাউ এভার’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
শিকড় অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপক আবু সুফিয়ান বলেন, গিনেস বুক কর্তৃপক্ষের কাছে আমরা রানীর পোস্টমর্টেম রিপোর্ট পাঠিয়েছিলাম। ওরা মূলত দেখেছে, আমরা হরমোন জাতীয় ইনজেকশন পুশ করে রানীকে বামন করেছিলাম কি-না। কিন্তু এ ধরনের কোনো কিছু তারা রিপোর্টে পায়নি। তিন দিন আগে ওরা রানীকে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরুর স্বীকৃতি দিয়েছে। কিন্তু ওদের প্রসেসের কারণে বিলম্বে কাল আমাদের ই-মেইল করেছে।
ভুট্টি জাতের এ গরুর উচ্চতা ছিল ২৪ দশমিক ৭ ইঞ্চি। দৈর্ঘ্য ২৬ ইঞ্চি এবং ওজন ২৬ কেজি। ১১ মাস আগে নওগাঁর প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে রানীকে আনা হয়েছিল আশুলিয়ার খামারে। গিনেস রেকর্ডের জন্য আবেদন করার পর থেকে ভাইরাল হয়ে যায় রানী। নিরাপত্তা ও পালনের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও শেষ পর্যন্ত রানীকে বাঁচানো যায়নি। গত ১৯ আগস্ট গরুটির মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।

অনুষ্ঠানে বিভাগের বিভিন্ন আদালতের বিচারকরা দ্রুত ও কার্যকরভাবে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিদ্যমান বিচারক ও সহায়ক কর্মচারীর সংকট, বাজেট স্বল্পতা এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতাসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। প্রধান বিচারপতি বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে এসব সংকট নিরসনে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ...
২২ মিনিট আগে
একদিকে সবুজ পাহাড়, অন্যদিকে দিগন্তজোড়া নীল সমুদ্র—প্রকৃতির এমন অনন্য মেলবন্ধনই কক্সবাজারকে করেছে বাংলাদেশের পর্যটনের অন্যতম প্রধান গন্তব্য। ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ সৈকত, পাহাড়, ঝরনা, পাথুরে তটরেখা আর মেরিন ড্রাইভ ঘিরে দিন দিন বাড়ছে দেশি-বিদেশি পর্যটকের আনাগোনা।
১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী শহরের ভেতরে একসময় তিনটি নদী ছিল। নৌকায় আনা-নেওয়া হতো পণ্য। নদীতীরেই গড়ে উঠেছিল রেশম কারখানা। চলত নানা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। সময়ের সঙ্গে নগর বেড়েছে, বদলেছে ভূপ্রকৃতি। আর সেই পরিবর্তনের নিচে চাপা পড়েছে নদীগুলো।
১ ঘণ্টা আগে
পাহাড়, কাপ্তাই হ্রদের নীল জলরাশি, সবুজ প্রকৃতি আর সুউচ্চ ঝরনার মোহনীয় রূপ—সব মিলিয়ে রাঙামাটিকে বলা হয় ‘পর্যটনের শহর’। কেবল অপরূপ প্রকৃতিই নয়, এখানকার পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় সহজ-সরল জীবনধারা, ভেজালহীন ঐতিহ্যবাহী খাদ্যপদ্ধতি আর পাহাড়ের শান্ত পরিবেশ ভ্রমণপিপাসুদের মন কাড়ে।
১ ঘণ্টা আগে