নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানী ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) রিকশার নিরাপদ চলাচল নিশ্চিতে ডিজিটাল নম্বরপ্লেট দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মেয়র আতিকুল ইসলাম। আগামী ৬ মাসের মধ্যে এই কার্যক্রম শেষ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। আজ বুধবার দুপুরে বনানীর হোটেল শেরাটনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে মেয়র এসব তথ্য জানান।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় অধিকাংশ রিকশা অবৈধভাবে চলছে বলে জানিয়ে আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের রিকশার লাইসেন্স আছে ২৮ হাজার আর রিকশা চলে ১০ লাখ। অর্থাৎ, রিকশার লাইসেন্স সবাই নকল করে চলছে।’
আতিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আমরা আগামী ৬ মাসের মধ্যে রিকশাগুলোতে ডিজিটাল নম্বরপ্লেট দেব, কিউআর কোডসহ। কিউআর কোডে সব তথ্য থাকবে, এভাবে আমরা নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করতে পারব। প্রথম অবস্থায় ঢাকা শহরে ২ লাখ রিকশায় ডিজিটাল নম্বরপ্লেট দেওয়া হবে। এই নম্বরপ্লেট আসবে বাইরে থেকে, তাই নকল করার কারও কোনো সামর্থ্য নেই। ধরলেই আমরা বুঝতে পারব নম্বরপ্লেট নকল করা হয়েছে না কি।’
মেয়র আতিকুল ইসলাম জানান, আগামী মাসে উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ডিজিটাল কার পার্কিং শুরু হবে। তিনি বলেন, ‘স্মার্ট সিটি-স্মার্ট বাংলাদেশ-স্মার্ট ডিএনসিসি আপনাদের উপহার দিতে চাই।’
ডেঙ্গুর বিষয়ে নগরবাসীকে সতর্ক করে আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘ডেঙ্গুর সময় বাড়িতে বাড়িতে ছাদবাগান চেক করা চ্যালেঞ্জ; কেউ অব্যবহৃত টায়ার রেখে দিল না কি, ছাদবাগান যারা করেছে তারা ঠিকমতো মেনটেইন করছে না কি। গত ১০ দিন যাবৎ ড্রোনের মাধ্যমে প্রত্যেকটি ছাদবাগান আমরা চেক শুরু করেছি। এটা আমাদের জন্য খুব ইজি হয়ে গেছে। যেখানে আমরা দেখছি কিলবিল করছে ওই বাড়িতে গিয়ে ফাইন করছি। আমরা বলতে চাই, যার যার বাড়ির দায়িত্ব তার নিতে হবে। আমরা ওষুধ ছিটিয়ে দিচ্ছি। কিন্তু আপনার বাসায় আপনি যদি এডিস মশার জন্ম দেন এর দায়দায়িত্ব আপনাকে নিতে হবে এবং জেল, জরিমানা, নিয়মিত মামলা হবে।’

রাজধানী ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) রিকশার নিরাপদ চলাচল নিশ্চিতে ডিজিটাল নম্বরপ্লেট দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মেয়র আতিকুল ইসলাম। আগামী ৬ মাসের মধ্যে এই কার্যক্রম শেষ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। আজ বুধবার দুপুরে বনানীর হোটেল শেরাটনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে মেয়র এসব তথ্য জানান।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় অধিকাংশ রিকশা অবৈধভাবে চলছে বলে জানিয়ে আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের রিকশার লাইসেন্স আছে ২৮ হাজার আর রিকশা চলে ১০ লাখ। অর্থাৎ, রিকশার লাইসেন্স সবাই নকল করে চলছে।’
আতিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আমরা আগামী ৬ মাসের মধ্যে রিকশাগুলোতে ডিজিটাল নম্বরপ্লেট দেব, কিউআর কোডসহ। কিউআর কোডে সব তথ্য থাকবে, এভাবে আমরা নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করতে পারব। প্রথম অবস্থায় ঢাকা শহরে ২ লাখ রিকশায় ডিজিটাল নম্বরপ্লেট দেওয়া হবে। এই নম্বরপ্লেট আসবে বাইরে থেকে, তাই নকল করার কারও কোনো সামর্থ্য নেই। ধরলেই আমরা বুঝতে পারব নম্বরপ্লেট নকল করা হয়েছে না কি।’
মেয়র আতিকুল ইসলাম জানান, আগামী মাসে উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ডিজিটাল কার পার্কিং শুরু হবে। তিনি বলেন, ‘স্মার্ট সিটি-স্মার্ট বাংলাদেশ-স্মার্ট ডিএনসিসি আপনাদের উপহার দিতে চাই।’
ডেঙ্গুর বিষয়ে নগরবাসীকে সতর্ক করে আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘ডেঙ্গুর সময় বাড়িতে বাড়িতে ছাদবাগান চেক করা চ্যালেঞ্জ; কেউ অব্যবহৃত টায়ার রেখে দিল না কি, ছাদবাগান যারা করেছে তারা ঠিকমতো মেনটেইন করছে না কি। গত ১০ দিন যাবৎ ড্রোনের মাধ্যমে প্রত্যেকটি ছাদবাগান আমরা চেক শুরু করেছি। এটা আমাদের জন্য খুব ইজি হয়ে গেছে। যেখানে আমরা দেখছি কিলবিল করছে ওই বাড়িতে গিয়ে ফাইন করছি। আমরা বলতে চাই, যার যার বাড়ির দায়িত্ব তার নিতে হবে। আমরা ওষুধ ছিটিয়ে দিচ্ছি। কিন্তু আপনার বাসায় আপনি যদি এডিস মশার জন্ম দেন এর দায়দায়িত্ব আপনাকে নিতে হবে এবং জেল, জরিমানা, নিয়মিত মামলা হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
২২ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
২৬ মিনিট আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
১ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
১ ঘণ্টা আগে