নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক কর্মসূচির সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে, তবে বেশির ভাগই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভিত্তিক। বাস্তবে তেমন কিছু না। এতে আতঙ্কিত হওয়ারও কিছু নেই।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর হোটেলে সোনারগাঁওয়ে ডিএমপি-জাইকার আয়োজনে রোড সেফটি সেমিনার অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘গত ১৭ বছরে বড় ধরনের কোনো অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হয়নি। ফলে বর্তমান কর্মরত দুই লাখ সদস্যের প্রায় অর্ধেকই এই সময়ে নিয়োগপ্রাপ্ত, যাদের অনেকেই কখনো ভোট দেননি বা নির্বাচনের বাস্তব অভিজ্ঞতা নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সারা দেশে পুলিশের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলছে। সামনে একটা নির্বাচন আসছে, পুলিশ তার দায়-দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।’
সাজ্জাত আলী বলেন, ‘আমাদের অনেক সদস্যই জানেই না নির্বাচনে দায়িত্ব কীভাবে পালন করতে হয়। তাই আমরা সারা দেশে ট্রেনিং চালাচ্ছি। ডিএমপিতেও চলছে। আমি সব সময় অফিসারদের বলছি, ১০০ শতাংশ নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে।’
এবারের নির্বাচনকে ঘিরে একটি ‘নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য’ পরিবেশের আশা করা হচ্ছে। তবে যেহেতু দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা দলটি এবার অংশ নিতে পারছে না, তাই তারা পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন কমিশনার।
তাঁর ভাষায়, ‘একটি দল নিষিদ্ধ ঘোষিত। তারা ককটেল বিস্ফোরণ, নাশকতার চেষ্টা করছে। তবে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক আছি, যাতে কোনো রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড না ঘটে।’
নভেম্বরের শেষ দিকে ‘একটি চমৎকার নির্বাচনী পরিবেশ’ তৈরি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ডিএমপি কমিশনার।
তিনি বলেন, ‘এখন সবাই নির্বাচনের মুখোমুখি। জনগণ ভোট দিতে চায়। এমনকি যাদের বয়স ৩৫-৪০, তারাও জীবনে ভোট দেয়নি, এটা আমাদের দেশের জন্য দুঃখজনক।’
রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের মিছিল-সমাবেশ নিয়ে কমিশনার বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক কর্মসূচির সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে, তবে বেশির ভাগই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক।
ডিএমপি কমিশনারের ভাষায়, ‘অনেকে নাইট কোচে এসে অল্প সময়ের জন্য ব্যানার দেখিয়ে ভিডিও করে ফেসবুকে দেয়। এতে মনে হয় বড় মিছিল হলো, কিন্তু বাস্তবে তেমন কিছু না।’
তিনি আরও বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ার শক্তি আমরা অস্বীকার করতে পারি না, তবে এতে আতঙ্কিত হওয়ারও কিছু নেই।’
নির্বাচন কমিশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আমাদের সক্ষমতা সব ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য যথেষ্ট।’

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক কর্মসূচির সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে, তবে বেশির ভাগই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভিত্তিক। বাস্তবে তেমন কিছু না। এতে আতঙ্কিত হওয়ারও কিছু নেই।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর হোটেলে সোনারগাঁওয়ে ডিএমপি-জাইকার আয়োজনে রোড সেফটি সেমিনার অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘গত ১৭ বছরে বড় ধরনের কোনো অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হয়নি। ফলে বর্তমান কর্মরত দুই লাখ সদস্যের প্রায় অর্ধেকই এই সময়ে নিয়োগপ্রাপ্ত, যাদের অনেকেই কখনো ভোট দেননি বা নির্বাচনের বাস্তব অভিজ্ঞতা নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সারা দেশে পুলিশের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলছে। সামনে একটা নির্বাচন আসছে, পুলিশ তার দায়-দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।’
সাজ্জাত আলী বলেন, ‘আমাদের অনেক সদস্যই জানেই না নির্বাচনে দায়িত্ব কীভাবে পালন করতে হয়। তাই আমরা সারা দেশে ট্রেনিং চালাচ্ছি। ডিএমপিতেও চলছে। আমি সব সময় অফিসারদের বলছি, ১০০ শতাংশ নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে।’
এবারের নির্বাচনকে ঘিরে একটি ‘নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য’ পরিবেশের আশা করা হচ্ছে। তবে যেহেতু দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা দলটি এবার অংশ নিতে পারছে না, তাই তারা পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন কমিশনার।
তাঁর ভাষায়, ‘একটি দল নিষিদ্ধ ঘোষিত। তারা ককটেল বিস্ফোরণ, নাশকতার চেষ্টা করছে। তবে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক আছি, যাতে কোনো রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড না ঘটে।’
নভেম্বরের শেষ দিকে ‘একটি চমৎকার নির্বাচনী পরিবেশ’ তৈরি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ডিএমপি কমিশনার।
তিনি বলেন, ‘এখন সবাই নির্বাচনের মুখোমুখি। জনগণ ভোট দিতে চায়। এমনকি যাদের বয়স ৩৫-৪০, তারাও জীবনে ভোট দেয়নি, এটা আমাদের দেশের জন্য দুঃখজনক।’
রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের মিছিল-সমাবেশ নিয়ে কমিশনার বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক কর্মসূচির সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে, তবে বেশির ভাগই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক।
ডিএমপি কমিশনারের ভাষায়, ‘অনেকে নাইট কোচে এসে অল্প সময়ের জন্য ব্যানার দেখিয়ে ভিডিও করে ফেসবুকে দেয়। এতে মনে হয় বড় মিছিল হলো, কিন্তু বাস্তবে তেমন কিছু না।’
তিনি আরও বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ার শক্তি আমরা অস্বীকার করতে পারি না, তবে এতে আতঙ্কিত হওয়ারও কিছু নেই।’
নির্বাচন কমিশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আমাদের সক্ষমতা সব ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য যথেষ্ট।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে