
রাজধানীর ডেমরার ভাঙাপ্রেস এলাকায় ক্রীড়া সামগ্রীর গুদামে লাগা আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল ট্রান্সমিটার থেকে। ভবনটির পাশে একটি ট্রান্সমিটার বিস্ফোরিত হয়ে দোতলায় লাগা আগুন দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে। এমনটাই ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।
ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ) লে. কর্নেল মো. রেজাউল করিম বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ভবনটি এমনভাবে পুড়ে গেছে যে, আমরা তা ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করছি। তবে কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা এখনো অনুমান করা যাচ্ছে না।’
ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা বলছেন, ক্রীড়াসামগ্রীর গুদাম হিসেবে ব্যবহার করায় সেখানে কোনো মানুষ থাকত না। তাই আগুনে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেলেও সেখানে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এ বিষয়ে লে. কর্নেল মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘রাতে গোডাউন বন্ধ থাকায় এই আগুনের ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।’
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে গুদামে আগুনের সূত্রপাত হয়। রাতভর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। কিন্তু একদিকে আগুন নেভান তো অন্যদিকে আবারও দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে। সেই সঙ্গে কিছুক্ষণ পর পর জানালার কাচ বিস্ফোরিত হয়। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয় নৌবাহিনী।
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরের মিডিয়া সেল জানিয়েছিল, ডেমরার ভাঙা প্রেস এলাকায় চারতলা ভবনটির তৃতীয় তলায় কাপড়ের গুদামে আগুন লাগে। অন্যান্য ফ্লোরেও আগুন ছড়িয়েছে। রাত সাড়ে ১১টায় আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর পৌনে ১২টার দিকে প্রথম ইউনিট পৌঁছায়। ডেমরা, পোস্তগোলা ও সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনের পাঁচটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।
আগুন লাগার শুরুর দিকে, চতুর্থতলাকে কাপড়ের গুদাম বলা হলেও পরে ব্যবসায়ীরা জানান, সেটি আমদানি করা ক্রীড়াসামগ্রীর গুদাম। এরই মধ্যে আগুন লাগা ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে ফায়ার সার্ভিস।

রাজধানীর ডেমরার ভাঙাপ্রেস এলাকায় ক্রীড়া সামগ্রীর গুদামে লাগা আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল ট্রান্সমিটার থেকে। ভবনটির পাশে একটি ট্রান্সমিটার বিস্ফোরিত হয়ে দোতলায় লাগা আগুন দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে। এমনটাই ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।
ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ) লে. কর্নেল মো. রেজাউল করিম বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ভবনটি এমনভাবে পুড়ে গেছে যে, আমরা তা ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করছি। তবে কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা এখনো অনুমান করা যাচ্ছে না।’
ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা বলছেন, ক্রীড়াসামগ্রীর গুদাম হিসেবে ব্যবহার করায় সেখানে কোনো মানুষ থাকত না। তাই আগুনে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেলেও সেখানে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এ বিষয়ে লে. কর্নেল মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘রাতে গোডাউন বন্ধ থাকায় এই আগুনের ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।’
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে গুদামে আগুনের সূত্রপাত হয়। রাতভর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। কিন্তু একদিকে আগুন নেভান তো অন্যদিকে আবারও দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে। সেই সঙ্গে কিছুক্ষণ পর পর জানালার কাচ বিস্ফোরিত হয়। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয় নৌবাহিনী।
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরের মিডিয়া সেল জানিয়েছিল, ডেমরার ভাঙা প্রেস এলাকায় চারতলা ভবনটির তৃতীয় তলায় কাপড়ের গুদামে আগুন লাগে। অন্যান্য ফ্লোরেও আগুন ছড়িয়েছে। রাত সাড়ে ১১টায় আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর পৌনে ১২টার দিকে প্রথম ইউনিট পৌঁছায়। ডেমরা, পোস্তগোলা ও সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনের পাঁচটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।
আগুন লাগার শুরুর দিকে, চতুর্থতলাকে কাপড়ের গুদাম বলা হলেও পরে ব্যবসায়ীরা জানান, সেটি আমদানি করা ক্রীড়াসামগ্রীর গুদাম। এরই মধ্যে আগুন লাগা ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে ফায়ার সার্ভিস।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে