নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর বিজয়নগর পানির ট্যাংক মোড় এলাকায় পুলিশের ওপর তিন দিক থেকে ঘেরাও করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার বেলা ২টা নাগাদ এ হামলার সূত্রপাত হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, কালভার্ট মোড়, পুরানা পল্টন ও সেগুনবাগিচা—এই তিন দিক থেকে ঘেরাও করে পুলিশকে আক্রমণ করছে বিএনপিসহ সমমনা দল ও জোটের নেতা-কর্মীরা। পানির ট্যাংক মোড়ে অবস্থান নিয়ে পুলিশ নেতা-কর্মীদের লক্ষ্য করে টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট ছুড়ছে।
সরেজমিন দেখা গেছে বিএনপি, গণঅধিকার, ১২ দলীয় জোট, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের নেতা-কর্মীরা লাঠিসোঁটা হাতে এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন। আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী সন্দেহে কয়েকজনকে মারধর করেছেন তাঁরা। এই সংঘর্ষে কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। দুটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
আজ শনিবার আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমাবেশ ঘিরে রণক্ষেত্রে রূপ নিয়েছে রাজধানীর কয়েকটি এলাকা।
নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক দফা দাবি আদায়ে মহাসমাবেশ করছে বিএনপি। গতকাল বিকেল থেকে সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেন দলের নেতা–কর্মীরা। আজ সকাল গড়িয়ে দুপুরের পর সমাবেশ এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
কিছু দূরে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে সমাবেশ করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। সকাল থেকে সেখানে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে আসতে থাকেন দলটির নেতা–কর্মীরা। এরপর দুপুরের দিকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের সমাবেশ শুরু হয়।
এদিকে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে জামায়াতে ইসলামী সমাবেশের অনুমতি চেয়েও পায়নি। পরে তারা অনুমতি ছাড়াই সমাবেশ করার ঘোষণা দেয়। আজ সকাল থেকেই দলটির নেতা-কর্মীরা মতিঝিলের বিভিন্ন অলিগলিতে অবস্থান নেন। তাঁরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে শাপলা চত্বরে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করে। পরে পুলিশের পক্ষ থেকে শর্ত সাপেক্ষে জামায়াতকে আরামবাগে সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়।

রাজধানীর বিজয়নগর পানির ট্যাংক মোড় এলাকায় পুলিশের ওপর তিন দিক থেকে ঘেরাও করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার বেলা ২টা নাগাদ এ হামলার সূত্রপাত হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, কালভার্ট মোড়, পুরানা পল্টন ও সেগুনবাগিচা—এই তিন দিক থেকে ঘেরাও করে পুলিশকে আক্রমণ করছে বিএনপিসহ সমমনা দল ও জোটের নেতা-কর্মীরা। পানির ট্যাংক মোড়ে অবস্থান নিয়ে পুলিশ নেতা-কর্মীদের লক্ষ্য করে টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট ছুড়ছে।
সরেজমিন দেখা গেছে বিএনপি, গণঅধিকার, ১২ দলীয় জোট, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের নেতা-কর্মীরা লাঠিসোঁটা হাতে এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন। আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী সন্দেহে কয়েকজনকে মারধর করেছেন তাঁরা। এই সংঘর্ষে কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। দুটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
আজ শনিবার আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমাবেশ ঘিরে রণক্ষেত্রে রূপ নিয়েছে রাজধানীর কয়েকটি এলাকা।
নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক দফা দাবি আদায়ে মহাসমাবেশ করছে বিএনপি। গতকাল বিকেল থেকে সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেন দলের নেতা–কর্মীরা। আজ সকাল গড়িয়ে দুপুরের পর সমাবেশ এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
কিছু দূরে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে সমাবেশ করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। সকাল থেকে সেখানে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে আসতে থাকেন দলটির নেতা–কর্মীরা। এরপর দুপুরের দিকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের সমাবেশ শুরু হয়।
এদিকে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে জামায়াতে ইসলামী সমাবেশের অনুমতি চেয়েও পায়নি। পরে তারা অনুমতি ছাড়াই সমাবেশ করার ঘোষণা দেয়। আজ সকাল থেকেই দলটির নেতা-কর্মীরা মতিঝিলের বিভিন্ন অলিগলিতে অবস্থান নেন। তাঁরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে শাপলা চত্বরে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করে। পরে পুলিশের পক্ষ থেকে শর্ত সাপেক্ষে জামায়াতকে আরামবাগে সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়।

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে সড়কে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। কৃষকেরা দাবি করেছেন, তাঁদের ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে সড়ক নির্মাণের পর সেই জমি আবার ভরাট করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু আট মাস পেরিয়ে গেলেও কথা রাখেনি তারা।
৬ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে লক্ষ্মীপুরে চারটি আসনে বইছে ভোটের আমেজ। সব কটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা দিয়ে গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকে ব্যস্ত সময় পার করছে বড় দুই রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াত। বসে নেই অন্য দলের প্রার্থীরাও। সকাল-বিকেল চালাচ্ছেন প্রচারণা।
৬ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রীয় শোক এবং পুলিশের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাজধানীতে আতশবাজি ফোটানো ও ফানুস উড়িয়ে খ্রিষ্টীয় নববর্ষ উদ্যাপন করেছে নগরবাসী। খ্রিষ্টীয় নববর্ষ ২০২৬-এর প্রথম প্রহরে নগরজুড়ে বাসাবাড়ির ছাদে ছাদে আতশবাজি ফোটানো ও ফানুস ওড়ানোর দৃশ্য দেখা যায়। এ সময় চারপাশে বিকট শব্দ শোনা যায়।
৮ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের মোট সম্পদের পরিমাণ ৮৯ লাখ ৮২ হাজার ৮৪১ টাকা। তাঁর স্ত্রী মারিয়া আক্তারের সম্পদের পরিমাণ ২ লাখ ৬৬ হাজার ৮১৮ টাকা। তাঁদের কোনো স্বর্ণালংকার নেই।
৯ ঘণ্টা আগে