অষ্টগ্রাম (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

হাজারো মানুষের ভালোবাসা ও সম্মানে নিজ গ্রাম আদমপুরে চিরশায়িত হলেন ‘হাওর বীর’ খ্যাত সাবিকুল ইসলাম (২৫)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে নিয়ে বইছে প্রশংসার ঝড়। অন্যের জীবন বাঁচাতে প্রাণ দেওয়া এই বীরের নামে একটি সেতুর নামকরণের দাবি সাধারণ মানুষের।
গত সোমবার দুপুরে সাবিকুলসহ তিন বন্ধু মিলে মোটরসাইকেলে করে ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়ক দেখতে আসেন। এ সময় অষ্টগ্রাম হাওরে ভাতশালা এলাকায় শিশুসহ ৭ জন নারী-পুরুষ নিয়ে একটি ডিঙি নৌকা ডুবতে দেখে যাত্রীদের বাঁচাতে পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি। দুই যাত্রীকে বাঁচিয়ে নিজেই স্রোতের টানে পানিতে তলিয়ে মারা যান পর্যটক সাবিকুল।
এই ঘটনায় শিশুসহ সব যাত্রী বেঁচে যান। ছয় ঘণ্টা পর ফয়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল মরদেহ উদ্ধার করে। আজ সকালে উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের বরাগীরকান্দি গ্রামে তাঁকে দাফন করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনরা দুর্ঘটনাস্থলের সেতুটি ‘হাওর বীর সাবিকুল সেতু’ নামকরণের দাবি করেন।
গত সোমবার রাত ১১টায় সাবিকুলের মরদেহ বাড়ি পৌঁছালে তাঁকে দেখতে ভিড় করে হাজারো মানুষ। কান্নার রোল পড়ে স্বজনদের।
প্রতিবেশী সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘অতি সরল মানসিকতার ছেলে ছিল সাবিকুল। সব সময় মানুষের বিপদে এগিয়ে যেত। মানুষের প্রাণ বাঁচাতে নিজের প্রাণ বিলিয়ে দিয়ে প্রমাণ করল সে কতটা বড় মনের মানুষ ছিল। আমরা তাঁর নামে সেতুটির নামকরণ চাই।’
সাবিকুলের বড় ভাই আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ভাই হারানোর যন্ত্রণা ভুলতে পারব না। তার ছোট্ট শিশু সন্তানের জন্য আরও বেশি দুঃখ হচ্ছে। মানুষের জীবন বাঁচাতে নিজের জীবন দিল। দুঃখের সঙ্গে গর্বও হচ্ছে ছোট ভাইয়ের জন্য। সাবিকুলের নামে সেতুটির নামকরণ হলে তার স্মৃতি থাকবে।’
কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের বরাগিরকান্দি গ্রামের আবদুর রহিমের ৬ ছেলে ও ২ মেয়ের মধ্যে সাবিকুল সবার ছোট।

হাজারো মানুষের ভালোবাসা ও সম্মানে নিজ গ্রাম আদমপুরে চিরশায়িত হলেন ‘হাওর বীর’ খ্যাত সাবিকুল ইসলাম (২৫)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে নিয়ে বইছে প্রশংসার ঝড়। অন্যের জীবন বাঁচাতে প্রাণ দেওয়া এই বীরের নামে একটি সেতুর নামকরণের দাবি সাধারণ মানুষের।
গত সোমবার দুপুরে সাবিকুলসহ তিন বন্ধু মিলে মোটরসাইকেলে করে ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়ক দেখতে আসেন। এ সময় অষ্টগ্রাম হাওরে ভাতশালা এলাকায় শিশুসহ ৭ জন নারী-পুরুষ নিয়ে একটি ডিঙি নৌকা ডুবতে দেখে যাত্রীদের বাঁচাতে পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি। দুই যাত্রীকে বাঁচিয়ে নিজেই স্রোতের টানে পানিতে তলিয়ে মারা যান পর্যটক সাবিকুল।
এই ঘটনায় শিশুসহ সব যাত্রী বেঁচে যান। ছয় ঘণ্টা পর ফয়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল মরদেহ উদ্ধার করে। আজ সকালে উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের বরাগীরকান্দি গ্রামে তাঁকে দাফন করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনরা দুর্ঘটনাস্থলের সেতুটি ‘হাওর বীর সাবিকুল সেতু’ নামকরণের দাবি করেন।
গত সোমবার রাত ১১টায় সাবিকুলের মরদেহ বাড়ি পৌঁছালে তাঁকে দেখতে ভিড় করে হাজারো মানুষ। কান্নার রোল পড়ে স্বজনদের।
প্রতিবেশী সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘অতি সরল মানসিকতার ছেলে ছিল সাবিকুল। সব সময় মানুষের বিপদে এগিয়ে যেত। মানুষের প্রাণ বাঁচাতে নিজের প্রাণ বিলিয়ে দিয়ে প্রমাণ করল সে কতটা বড় মনের মানুষ ছিল। আমরা তাঁর নামে সেতুটির নামকরণ চাই।’
সাবিকুলের বড় ভাই আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ভাই হারানোর যন্ত্রণা ভুলতে পারব না। তার ছোট্ট শিশু সন্তানের জন্য আরও বেশি দুঃখ হচ্ছে। মানুষের জীবন বাঁচাতে নিজের জীবন দিল। দুঃখের সঙ্গে গর্বও হচ্ছে ছোট ভাইয়ের জন্য। সাবিকুলের নামে সেতুটির নামকরণ হলে তার স্মৃতি থাকবে।’
কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের বরাগিরকান্দি গ্রামের আবদুর রহিমের ৬ ছেলে ও ২ মেয়ের মধ্যে সাবিকুল সবার ছোট।

অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, ‘এই গণভোট শত বছরের দিকনির্দেশনা দেবে। জুলাই শহীদদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যাতে ফ্যাসিবাদ আর ফিরে না আসে, আয়নাঘরের মতো নিপীড়নের পুনরাবৃত্তি না হয়, লুটপাট ও বিদেশে অর্থ পাচার বন্ধ হয়।’
৯ মিনিট আগে
পারিবারিক কলহের জেরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করে স্ত্রীর নামে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন রাজধানীর উত্তরায় বসবাসরত এক পাকিস্তানি নাগরিক। পুলিশ জানায়, ওই ব্যক্তি আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন বলে ফোনে জানিয়েছিলেন।
১২ মিনিট আগে
কুলকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, আনন্দ বাজার এলাকায় দেশীয় অস্ত্রসহ ঘোরাফেরা করতে দেখে আনোয়ারকে আটক করে স্থানীয় লোকজন ইউপি কার্যালয়ে এনে গ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বদলি করা হয়। আজ বুধবার সকালে ইউএনও মাসুদুর রহমান নিজেই বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে