নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দৈনিক আমাদের নতুন সময়ের প্রধান প্রতিবেদক আবুল বাশার নুরু নামাজে জানাজা জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজা শেষে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সাংবাদিকেরা। আজ শুক্রবার বিকেল ৫টা ২৫ মিনিটে জাতীয় প্রেস ক্লাবের টেনিস গ্রাউন্ডে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
সাংবাদিক আবুল বাশারের জানাজা নামাজ পড়ান সেগুনবাগিচা মসজিদের ইমাম মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন। এর আগে বিকেল ৫টা ৮ মিনিটে তাঁর মরদেহ জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে আনা হয়।
জানাজার আগে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘আবুল বাশার নুরু ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ সাংবাদিক ছিলেন। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে নির্বাচন করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষের একজন সাংবাদিক ছিলেন। তাঁর জন্য দোয়া করি আল্লাহ যেন তাঁকে বেহেশত নসিব করেন।’
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান বলেন, ‘নুরু একজন অজাতশত্রু সাংবাদিক ছিলেন। তিনি খুব সহজ-সরল মানুষ ছিলেন। তাঁর সঙ্গে দুদিন আগেও আলাপ হয়েছে। তার মৃত্যুতে সাংবাদিক অঙ্গনে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। আমি তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। একই সঙ্গে তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।’
পরিবারের পক্ষ থেকে আবুল বাশারের মেয়ের জামাতা শিবলী সাদিক বলেন, ‘আমার শ্বশুর আজ দুপুরে আল্লাহ তালা ডাকে সাড়া দিয়ে পরপারে চলে গিয়েছেন। তাঁকে আপনারা সবাই ভালো করে চেনেন, জানেন। চলার পথে অনেক কথা-কাটাকাটি হতে পারে। তাঁর কথায় কেউ যদি কষ্ট পেয়ে থাকেন, তবে তাঁকে ক্ষমা করে দেবেন। আর আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন, যেন তাঁকে জান্নাত নসিব করেন।’
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন বিএফইউজের সভাপতি ওমর ফারুক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ, সাবেক সভাপতি সোহেল হায়দার চৌধুরী, আবুল বাশার নুরুর ভাই হেমায়েত ও তাঁর সহকর্মীরা।
জানাজা শেষে ৫টা ৪০ মিনিটে আবুল বাশার নুরুর মরদেহ তাঁর ফরিদপুরের নিজ গ্রামে পারিবারিক গোরস্থানে দাফনের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।

দৈনিক আমাদের নতুন সময়ের প্রধান প্রতিবেদক আবুল বাশার নুরু নামাজে জানাজা জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজা শেষে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সাংবাদিকেরা। আজ শুক্রবার বিকেল ৫টা ২৫ মিনিটে জাতীয় প্রেস ক্লাবের টেনিস গ্রাউন্ডে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
সাংবাদিক আবুল বাশারের জানাজা নামাজ পড়ান সেগুনবাগিচা মসজিদের ইমাম মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন। এর আগে বিকেল ৫টা ৮ মিনিটে তাঁর মরদেহ জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে আনা হয়।
জানাজার আগে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘আবুল বাশার নুরু ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ সাংবাদিক ছিলেন। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে নির্বাচন করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষের একজন সাংবাদিক ছিলেন। তাঁর জন্য দোয়া করি আল্লাহ যেন তাঁকে বেহেশত নসিব করেন।’
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান বলেন, ‘নুরু একজন অজাতশত্রু সাংবাদিক ছিলেন। তিনি খুব সহজ-সরল মানুষ ছিলেন। তাঁর সঙ্গে দুদিন আগেও আলাপ হয়েছে। তার মৃত্যুতে সাংবাদিক অঙ্গনে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। আমি তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। একই সঙ্গে তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।’
পরিবারের পক্ষ থেকে আবুল বাশারের মেয়ের জামাতা শিবলী সাদিক বলেন, ‘আমার শ্বশুর আজ দুপুরে আল্লাহ তালা ডাকে সাড়া দিয়ে পরপারে চলে গিয়েছেন। তাঁকে আপনারা সবাই ভালো করে চেনেন, জানেন। চলার পথে অনেক কথা-কাটাকাটি হতে পারে। তাঁর কথায় কেউ যদি কষ্ট পেয়ে থাকেন, তবে তাঁকে ক্ষমা করে দেবেন। আর আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন, যেন তাঁকে জান্নাত নসিব করেন।’
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন বিএফইউজের সভাপতি ওমর ফারুক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ, সাবেক সভাপতি সোহেল হায়দার চৌধুরী, আবুল বাশার নুরুর ভাই হেমায়েত ও তাঁর সহকর্মীরা।
জানাজা শেষে ৫টা ৪০ মিনিটে আবুল বাশার নুরুর মরদেহ তাঁর ফরিদপুরের নিজ গ্রামে পারিবারিক গোরস্থানে দাফনের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে