নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ধর্ষণ, নিপীড়ন ও সহিংসতার বিরুদ্ধে রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন একদল নারী। আজ শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে অংশ নেন দুই শতাধিক নারী। সমাবেশে তাঁরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার অপসারণসহ পাঁচটি দাবি তুলে ধরেন।
সমাবেশে মূল বার্তা পড়ে শোনান নারী অধিকার কর্মী নাসরিন সিরাজ। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সব নারীর নিরাপত্তা এখন একটি প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দেশজুড়ে সমাজের সব স্তরের নারীদের বিরুদ্ধে হয়রানি, নির্যাতন, ধর্ষণ, গণপিটুনি ও সাইবার বুলিংয়ের উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটছে। এগুলোকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; বরং এটি নারীদের বিরুদ্ধে একটি সুপরিকল্পিত সহিংসতা ও ভয় দেখানোর ধারাবাহিক প্যাটার্নের অংশ।’
মূল বার্তায় আরও বলা হয়, ‘অন্তর্বর্তী সরকার, যা গণ-আন্দোলন এবং জনগণের বিচার, স্বাধীনতা ও বৈষম্যহীনতার দাবির মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে, এখন পর্যন্ত তাদের প্রতিশ্রুতি ও আকাঙ্ক্ষা রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে। নারীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক হামলার বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ তারা গ্রহণ করেনি, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনেনি; বরং তাদের নিষ্ক্রিয়তা এসব অপরাধকে আরও উসকে দিয়েছে। সরকারের এই নিষ্ক্রিয়তা খুবই উদ্বেগজনক, যেন নারীদের ওপর হামলা ও ভয় দেখানো স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য ঘটনা।’

নারী অধিকার কর্মী নাসরিন সিরাজ বলেন, ‘এ সরকারের প্রতিক্রিয়াগুলো কেবল মুখের কথায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের বিবৃতিগুলো নারীদের আশ্বস্ত করার পরিবর্তে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। ভুল তথ্য, আইন ও বাস্তবতা সম্পর্কে বিভ্রান্তি তাঁদের বক্তব্যে স্পষ্ট, যা কিনা ঘটনার বিচার না করে বরং অপরাধীদের রক্ষা করেছে। নারী এবং অন্যান্য প্রান্তিক গোষ্ঠীর ওপর এই সংঘবদ্ধ হামলা, প্রকাশ্য বিদ্বেষমূলক প্রচারণা ও উসকানিমূলক কার্যক্রম অবিলম্বে অবসানের দাবি জানাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাংবাদিকতার নৈতিকতার পরোয়া না করা গণমাধ্যমের দায়িত্বহীন আচরণ—নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা আর এর প্রতিবাদ ভুলভাবে দেখানো অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। সর্বোপরি সহিংসতাকে স্বাভাবিক হিসেবে দেখানোর চেষ্টা চলছে, যা আমরা কখনো মেনে নেব না।’

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার অপসারণের দাবি জানিয়ে বার্তায় বলা হয়, ‘তাঁর (স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা) দায়িত্বহীন ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য জনমানুষের আস্থা নষ্ট করেছে। আমাদের দাবি, সব শ্রেণি, ধর্ম, জাতি ও পরিচয়ের নারী যেন নিরাপদে ও নির্ভয়ে তাদের অধিকার চর্চা করতে পারে। আমরা চুপ থাকব না। আমরা আমাদের প্রতিবাদ চালিয়ে যাব, যতক্ষণ না আমরা একটি নিরাপদ, স্বাধীন ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে পারি।’
নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে অন্তর্বর্তী সরকারকে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া, গণমাধ্যমে ভুল তথ্য প্রচার বন্ধ করা, সাইবার বুলিং বন্ধ এবং অপরাধীদের শাস্তির ব্যবস্থা করাসহ সমাবেশে পাঁচ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়।

ধর্ষণ, নিপীড়ন ও সহিংসতার বিরুদ্ধে রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন একদল নারী। আজ শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে অংশ নেন দুই শতাধিক নারী। সমাবেশে তাঁরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার অপসারণসহ পাঁচটি দাবি তুলে ধরেন।
সমাবেশে মূল বার্তা পড়ে শোনান নারী অধিকার কর্মী নাসরিন সিরাজ। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সব নারীর নিরাপত্তা এখন একটি প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দেশজুড়ে সমাজের সব স্তরের নারীদের বিরুদ্ধে হয়রানি, নির্যাতন, ধর্ষণ, গণপিটুনি ও সাইবার বুলিংয়ের উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটছে। এগুলোকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; বরং এটি নারীদের বিরুদ্ধে একটি সুপরিকল্পিত সহিংসতা ও ভয় দেখানোর ধারাবাহিক প্যাটার্নের অংশ।’
মূল বার্তায় আরও বলা হয়, ‘অন্তর্বর্তী সরকার, যা গণ-আন্দোলন এবং জনগণের বিচার, স্বাধীনতা ও বৈষম্যহীনতার দাবির মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে, এখন পর্যন্ত তাদের প্রতিশ্রুতি ও আকাঙ্ক্ষা রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে। নারীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক হামলার বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ তারা গ্রহণ করেনি, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনেনি; বরং তাদের নিষ্ক্রিয়তা এসব অপরাধকে আরও উসকে দিয়েছে। সরকারের এই নিষ্ক্রিয়তা খুবই উদ্বেগজনক, যেন নারীদের ওপর হামলা ও ভয় দেখানো স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য ঘটনা।’

নারী অধিকার কর্মী নাসরিন সিরাজ বলেন, ‘এ সরকারের প্রতিক্রিয়াগুলো কেবল মুখের কথায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের বিবৃতিগুলো নারীদের আশ্বস্ত করার পরিবর্তে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। ভুল তথ্য, আইন ও বাস্তবতা সম্পর্কে বিভ্রান্তি তাঁদের বক্তব্যে স্পষ্ট, যা কিনা ঘটনার বিচার না করে বরং অপরাধীদের রক্ষা করেছে। নারী এবং অন্যান্য প্রান্তিক গোষ্ঠীর ওপর এই সংঘবদ্ধ হামলা, প্রকাশ্য বিদ্বেষমূলক প্রচারণা ও উসকানিমূলক কার্যক্রম অবিলম্বে অবসানের দাবি জানাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাংবাদিকতার নৈতিকতার পরোয়া না করা গণমাধ্যমের দায়িত্বহীন আচরণ—নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা আর এর প্রতিবাদ ভুলভাবে দেখানো অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। সর্বোপরি সহিংসতাকে স্বাভাবিক হিসেবে দেখানোর চেষ্টা চলছে, যা আমরা কখনো মেনে নেব না।’

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার অপসারণের দাবি জানিয়ে বার্তায় বলা হয়, ‘তাঁর (স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা) দায়িত্বহীন ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য জনমানুষের আস্থা নষ্ট করেছে। আমাদের দাবি, সব শ্রেণি, ধর্ম, জাতি ও পরিচয়ের নারী যেন নিরাপদে ও নির্ভয়ে তাদের অধিকার চর্চা করতে পারে। আমরা চুপ থাকব না। আমরা আমাদের প্রতিবাদ চালিয়ে যাব, যতক্ষণ না আমরা একটি নিরাপদ, স্বাধীন ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে পারি।’
নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে অন্তর্বর্তী সরকারকে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া, গণমাধ্যমে ভুল তথ্য প্রচার বন্ধ করা, সাইবার বুলিং বন্ধ এবং অপরাধীদের শাস্তির ব্যবস্থা করাসহ সমাবেশে পাঁচ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়।

রাঙামাটির আসাম বস্তি-কাপ্তাই সড়কের কামিল্লাছড়ি মগবান এলাকায় গাছবোঝাই একটি মিনি পিকআপ খাদে পড়ে দুই শ্রমিক নিহত এবং একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তিরা হলেন সাদেক চাকমা (৩৮) ও মিলন চাকমা (৫০)। আহত শ্রমিক বিনয় চাকমা (৩৫) বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
৮ মিনিট আগে
রাত ১টার দিকে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থেকে তাঁরা নোয়াখালী সদর উপজেলার বিনোদপুরের উদ্দেশে রওনা হন। সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসের সামনে ফোর লেন সড়কের টার্নিং থেকে ইউটার্ন নেওয়ার সময় একটি মুরগিবাহী পিকআপ মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে অভি দেবনাথ ঘটনাস্থলেই...
২৪ মিনিট আগে
নোয়াখালী সদর উপজেলার ডাক্তার বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬২ মণ ২০ কেজি জাটকা ইলিশ জব্দ করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ছয়জনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
২৭ মিনিট আগে
রাজধানীর উত্তরা সেক্টর-১১-এর রোড-১৮-এর একটি সাততলা ভবনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বেড়ে ৫ জন হয়েছে। এ ছাড়া অন্তত ১৩ জনকে উদ্ধার করে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে