প্রতিনিধি, শিবচর (মাদরীপুর)

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাইরে বসে আচার, ঝালমুড়ি, আইসক্রিম, ফুচকা আর ভেলপুরি বিক্রি করে থাকেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। স্বাস্থ্যগত দিক নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও শিক্ষার্থীদের পছন্দের শীর্ষেই রয়েছে এসব মুখরোচক খাবার। করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এই ব্যবসায়ও নেমেছে ধস। ক্ষুদ্র এই ব্যবসায়ীরা করোনার সময়ে দিনমজুরি করে কোনোমতে চালিয়েছেন সংসার। প্রায় দেড় বছর পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু হওয়ায় স্বস্তি এসেছে তাঁদের মনেও। মুখরোচক খাবার নিয়ে নতুন করে পসরা সাজিয়ে বসেছেন বিদ্যালয়ের প্রাচীরের বাইরে।
শিবচর উপজেলার শিরুয়াইল ইউনিয়নের উৎরাইল হাইস্কুলের প্রবেশপথে রাস্তার পাশে বসে ফুচকা বিক্রি করা মো. জুয়েল মাতুব্বরের বক্তব্য অনেকটা এমনই। আলাপচারিতায় তিনি জানান, তিন ভাইয়ের মধ্যে বয়সে ছোট জুয়েল মাতুব্বর করোনার আগে ঢাকায় রঙের কাজ করতেন। ওই সময় রঙের কাজ না থাকলে ঢাকাতেই ফুচকা-ভেলপুরি বিক্রি করতেন স্কুলের আশপাশে। করোনাকালে কাজ না থাকায় গত বছর বাড়ি চলে আসেন। এরই মধ্যে বাবা বজলু মাতুব্বরের মৃত্যুর পর মা-ও রোগাক্রান্ত হয়ে পড়েন। ঢাকায় ফিরে যাওয়া হয়নি আর। গত তিন মাস ধরে গ্রামে ঘুরে ঘুরে ফুচকা-ভেলপুরি বিক্রি করেছেন। তবে আয়রোজগার তেমন হতো না। মূলত স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাই ফুচকা-ভেলপুরি বেশি কেনে। ঢাকার পুরোনো অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে অপেক্ষায় ছিলেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার।
ফুচকা বিক্রেতা জুয়েল বলেন, `ভাই, স্কুল-কলেজ খোলার খবরে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে যেরকম আনন্দ কাজ করছে, আমার ভেতরও ঠিক তেমনই আনন্দ। শুধু বিষয়টা ভিন্ন। স্কুল চালু থাকলে আমার বিক্রি ভালো হয়। গত রোববার এই স্কুলের বাইরে রাস্তায় বসেছি ফুচকা-ভেলপুরি নিয়ে। আলহামদুলিল্লাহ, বেশ ভালো বিক্রি হয়েছে। বাড়িতে মা অসুস্থ। ওষুধপত্রের জন্য বেশ টাকাপয়সা খরচ হয়। সব মিলিয়ে বেচাকেনা ভালো হলে মনে শান্তি লাগে।’
প্রতিদিন গড়ে ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা আয় হয় জানিয়েছে এই বিক্রেতা বলেন, `ফুচকা, ভেলপুরি স্থানীয় বাজার থেকে কিনে আনি। এ ছাড়া সব মসলা, ঘুমনি (ডালের মিশ্রণ), আর টক পানি নিজের বাড়িতে তৈরি করা। টক পানি তেঁতুল দিয়ে তৈরি করা হয়। কোনো ভেজাল কিছু মেশানো হয় না।'
শিক্ষার্থীরা জানান, ‘স্কুলে আসার পর কিছু খেতে ইচ্ছে করে। এর মধ্যে ফুচকা আর ভেলপুরি বেশ মজার। ঝালমুড়িও ভালো লাগে। বন্ধুরা একজন অন্যজনকে কিনে দেয়। পরস্পর একসঙ্গে কিছু কিনে খাওয়ার আনন্দই অন্যরকম।’
শিবচর উপজেলার পার্শ্ববর্তী ভাঙ্গা উপজেলার দীঘিরপাড় এলাকার এই ফুচকা-ভেলপুরি বিক্রেতার মতো অসংখ্য ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন মুখরোচক খাবার বিক্রি করে দিব্যি চলে যাচ্ছে তাঁদের সংসার। আর যেন বন্ধ না হয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—এমনটাই প্রত্যাশা তাঁদের।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাইরে বসে আচার, ঝালমুড়ি, আইসক্রিম, ফুচকা আর ভেলপুরি বিক্রি করে থাকেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। স্বাস্থ্যগত দিক নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও শিক্ষার্থীদের পছন্দের শীর্ষেই রয়েছে এসব মুখরোচক খাবার। করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এই ব্যবসায়ও নেমেছে ধস। ক্ষুদ্র এই ব্যবসায়ীরা করোনার সময়ে দিনমজুরি করে কোনোমতে চালিয়েছেন সংসার। প্রায় দেড় বছর পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু হওয়ায় স্বস্তি এসেছে তাঁদের মনেও। মুখরোচক খাবার নিয়ে নতুন করে পসরা সাজিয়ে বসেছেন বিদ্যালয়ের প্রাচীরের বাইরে।
শিবচর উপজেলার শিরুয়াইল ইউনিয়নের উৎরাইল হাইস্কুলের প্রবেশপথে রাস্তার পাশে বসে ফুচকা বিক্রি করা মো. জুয়েল মাতুব্বরের বক্তব্য অনেকটা এমনই। আলাপচারিতায় তিনি জানান, তিন ভাইয়ের মধ্যে বয়সে ছোট জুয়েল মাতুব্বর করোনার আগে ঢাকায় রঙের কাজ করতেন। ওই সময় রঙের কাজ না থাকলে ঢাকাতেই ফুচকা-ভেলপুরি বিক্রি করতেন স্কুলের আশপাশে। করোনাকালে কাজ না থাকায় গত বছর বাড়ি চলে আসেন। এরই মধ্যে বাবা বজলু মাতুব্বরের মৃত্যুর পর মা-ও রোগাক্রান্ত হয়ে পড়েন। ঢাকায় ফিরে যাওয়া হয়নি আর। গত তিন মাস ধরে গ্রামে ঘুরে ঘুরে ফুচকা-ভেলপুরি বিক্রি করেছেন। তবে আয়রোজগার তেমন হতো না। মূলত স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাই ফুচকা-ভেলপুরি বেশি কেনে। ঢাকার পুরোনো অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে অপেক্ষায় ছিলেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার।
ফুচকা বিক্রেতা জুয়েল বলেন, `ভাই, স্কুল-কলেজ খোলার খবরে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে যেরকম আনন্দ কাজ করছে, আমার ভেতরও ঠিক তেমনই আনন্দ। শুধু বিষয়টা ভিন্ন। স্কুল চালু থাকলে আমার বিক্রি ভালো হয়। গত রোববার এই স্কুলের বাইরে রাস্তায় বসেছি ফুচকা-ভেলপুরি নিয়ে। আলহামদুলিল্লাহ, বেশ ভালো বিক্রি হয়েছে। বাড়িতে মা অসুস্থ। ওষুধপত্রের জন্য বেশ টাকাপয়সা খরচ হয়। সব মিলিয়ে বেচাকেনা ভালো হলে মনে শান্তি লাগে।’
প্রতিদিন গড়ে ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা আয় হয় জানিয়েছে এই বিক্রেতা বলেন, `ফুচকা, ভেলপুরি স্থানীয় বাজার থেকে কিনে আনি। এ ছাড়া সব মসলা, ঘুমনি (ডালের মিশ্রণ), আর টক পানি নিজের বাড়িতে তৈরি করা। টক পানি তেঁতুল দিয়ে তৈরি করা হয়। কোনো ভেজাল কিছু মেশানো হয় না।'
শিক্ষার্থীরা জানান, ‘স্কুলে আসার পর কিছু খেতে ইচ্ছে করে। এর মধ্যে ফুচকা আর ভেলপুরি বেশ মজার। ঝালমুড়িও ভালো লাগে। বন্ধুরা একজন অন্যজনকে কিনে দেয়। পরস্পর একসঙ্গে কিছু কিনে খাওয়ার আনন্দই অন্যরকম।’
শিবচর উপজেলার পার্শ্ববর্তী ভাঙ্গা উপজেলার দীঘিরপাড় এলাকার এই ফুচকা-ভেলপুরি বিক্রেতার মতো অসংখ্য ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন মুখরোচক খাবার বিক্রি করে দিব্যি চলে যাচ্ছে তাঁদের সংসার। আর যেন বন্ধ না হয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—এমনটাই প্রত্যাশা তাঁদের।

রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া সেই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ভাটারা থানা-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের নাম ইব্রাহিম (২৮) ও রহমতুল্লাহ (২২)।
৬ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর ও ছিন্নমূল; এসব এলাকার হাজারো পাহাড় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস, কাজী মশিউর রহমান, ইয়াসিন মিয়া, গোলাম গফুর, রোকন উদ্দিন ওরফে রোকন মেম্বার, রিদোয়ান ও গাজী সাদেকের নাম ঘুরেফিরে আসে। চার দশক ধরে ওই সব এলাকার সরকারি পাহাড় কেটে আবাসন...
৭ ঘণ্টা আগে
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যায়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে আগামীকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
৭ ঘণ্টা আগে
মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে পাচারের অপেক্ষায় জড়ো করে রাখা হয়েছে অন্তত ৭ হাজার বার্মিজ গরু। এর মধ্যে গত কয়েক দিনে বাংলাদেশে অন্তত ৫০০ গরু ঢুকিয়েছে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত ঘিরে সক্রিয় চোরাকারবারি চক্র। আর গত পাঁচ দিনে অভিযান চালিয়ে ৫৫টি জব্দ করেছে বিজিবি সদস্যরা।
৭ ঘণ্টা আগে