
গতকাল রোববার দিবাগত রাতে ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে খবর আসে পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়া ডিস্টিলারি রোডে অজ্ঞাত এক যুবক ৪০ ফুট গভীরে পড়ে আটকে আছে। ওই যুবককে উদ্ধারে সিনিয়র স্টেশন অফিসার সাইফুলের নেতৃত্বে সূত্রাপুর রেসকিউ ইউনিটকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। তারা ঢাকা হেড কোয়ার্টারের সহযোগিতা চায়। ডিএডি বজলুর রশিদের নেতৃত্বে স্টেশন অফিসার শহিদুল ইসলাম সুমনসহ ছয়জনের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে যায়।
অ্যাম্বুলেন্সসহ সদর দপ্তরের রেসকিউ ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারে চার তলা ভবনের পাশে একটি ভয়েড স্পেস দিয়ে এক যুবক নিচে পড়ে গেছেন। উদ্ধারকারীরা ভবনের ছাদে গিয়ে ঘুটঘুটে অন্ধকার সুড়ঙ্গে লাইটের আলো ফেলে অস্পষ্টভাবে দেখতে পান পড়ে থাকা যুবককে। চারটি ভবনের সংযোগস্থলে ৩ ফুট বাই ২ ফুটের অপ্রশস্ত ভয়েড স্পেসটি ওপর থেকে দেখলে মনে হয় মাটির নিচে চলে যাওয়া কোনো অন্ধকার সুড়ঙ্গ বা গর্ত। নিচে পড়ে থাকা ব্যক্তির তখনো চেতনা আছে, আহত অবস্থায় কাতরাচ্ছেন। উদ্ধারকারীদের প্রশ্নে রেসপন্স করতে পারছেন তিনি। উদ্ধারকারীদের কাছে নিশ্চিত হয় তার জীবিত থাকার বিষয়টি।
ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় তথ্য জানার পর উদ্ধার কৌশল নির্ধারণ করা হয়। শুরু হয় শ্বাসরুদ্ধকর উদ্ধার অভিযান। ডিএডি বজলুর রশিদের নির্দেশনায় স্টেশন অফিসার শহিদুল ইসলাম সুমন দায়িত্ব বণ্টন করেন উদ্ধারকারীদের। চৌকস উদ্ধারকর্মী মুক্তারকে ব্রিদিং অ্যাপরেটাস পরিয়ে আর ফুলবডি হারনেস বেঁধে নামানো হয় অন্ধকার সুড়ঙ্গে, সঙ্গে দেওয়া হয় অতিরিক্ত আরেকটি ফুলবডি হারনেস। ওপর থেকে হারনেসের প্রান্ত ধরে রাখেন অপর উদ্ধারকর্মীরা।
ফায়ার সার্ভিস মিডিয়া সেল জানায়, দুরন্ত সাহস আর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অন্ধকারের ভয়কে জয় করে সহকর্মীদের সহায়তায় মুক্তার পৌঁছে যান সুড়ঙ্গের শেষ প্রান্তে, আহত অবস্থায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে পড়ে থাকা যুবকের কাছে। উদ্ধারকর্মীকে কাছে পেয়ে বিচলিত যুবক বেঁচে থাকার আকুতি জানায়। তাকে অভয় বাণী শুনিয়ে ফায়ার ফাইটার মুক্তার সঙ্গে নেওয়া অতিরিক্ত ফুলবডি হারনেসে সুরক্ষিত করে বেঁধে ফেলে আহত ব্যক্তিকে। এবার ওপরে সংকেত পাঠান আহত ব্যক্তিকে টেনে তোলার। সকলের সহযোগিতায় চারতলা থেকে পড়ে যাওয়া এবং সুড়ঙ্গের নিচে আটকে থাকা ‘সালমান’ নামের ২৪ বছরের সেই যুবককে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে আনেন ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা।
ফায়ার সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্সে করে সালমানকে পৌঁছে দেওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। উদ্ধারকৃত সালমানের কোমরের হাড় ভেঙে গেছে। তিনি কীভাবে সেখানে পড়লেন, কেন সেখানে এসেছিলেন, পড়ার পর তার অবস্থা কি হয়েছিল এসব বিষয়ে জানা যায়নি।
উদ্ধার অভিযানের ভিডিও দেখে উদ্ধারকারীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এমফিল মহোদয় এবং পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লে. কর্নেল জিল্লুর রহমান, পিএসসি মহোদয়।

গতকাল রোববার দিবাগত রাতে ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে খবর আসে পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়া ডিস্টিলারি রোডে অজ্ঞাত এক যুবক ৪০ ফুট গভীরে পড়ে আটকে আছে। ওই যুবককে উদ্ধারে সিনিয়র স্টেশন অফিসার সাইফুলের নেতৃত্বে সূত্রাপুর রেসকিউ ইউনিটকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। তারা ঢাকা হেড কোয়ার্টারের সহযোগিতা চায়। ডিএডি বজলুর রশিদের নেতৃত্বে স্টেশন অফিসার শহিদুল ইসলাম সুমনসহ ছয়জনের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে যায়।
অ্যাম্বুলেন্সসহ সদর দপ্তরের রেসকিউ ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারে চার তলা ভবনের পাশে একটি ভয়েড স্পেস দিয়ে এক যুবক নিচে পড়ে গেছেন। উদ্ধারকারীরা ভবনের ছাদে গিয়ে ঘুটঘুটে অন্ধকার সুড়ঙ্গে লাইটের আলো ফেলে অস্পষ্টভাবে দেখতে পান পড়ে থাকা যুবককে। চারটি ভবনের সংযোগস্থলে ৩ ফুট বাই ২ ফুটের অপ্রশস্ত ভয়েড স্পেসটি ওপর থেকে দেখলে মনে হয় মাটির নিচে চলে যাওয়া কোনো অন্ধকার সুড়ঙ্গ বা গর্ত। নিচে পড়ে থাকা ব্যক্তির তখনো চেতনা আছে, আহত অবস্থায় কাতরাচ্ছেন। উদ্ধারকারীদের প্রশ্নে রেসপন্স করতে পারছেন তিনি। উদ্ধারকারীদের কাছে নিশ্চিত হয় তার জীবিত থাকার বিষয়টি।
ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় তথ্য জানার পর উদ্ধার কৌশল নির্ধারণ করা হয়। শুরু হয় শ্বাসরুদ্ধকর উদ্ধার অভিযান। ডিএডি বজলুর রশিদের নির্দেশনায় স্টেশন অফিসার শহিদুল ইসলাম সুমন দায়িত্ব বণ্টন করেন উদ্ধারকারীদের। চৌকস উদ্ধারকর্মী মুক্তারকে ব্রিদিং অ্যাপরেটাস পরিয়ে আর ফুলবডি হারনেস বেঁধে নামানো হয় অন্ধকার সুড়ঙ্গে, সঙ্গে দেওয়া হয় অতিরিক্ত আরেকটি ফুলবডি হারনেস। ওপর থেকে হারনেসের প্রান্ত ধরে রাখেন অপর উদ্ধারকর্মীরা।
ফায়ার সার্ভিস মিডিয়া সেল জানায়, দুরন্ত সাহস আর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অন্ধকারের ভয়কে জয় করে সহকর্মীদের সহায়তায় মুক্তার পৌঁছে যান সুড়ঙ্গের শেষ প্রান্তে, আহত অবস্থায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে পড়ে থাকা যুবকের কাছে। উদ্ধারকর্মীকে কাছে পেয়ে বিচলিত যুবক বেঁচে থাকার আকুতি জানায়। তাকে অভয় বাণী শুনিয়ে ফায়ার ফাইটার মুক্তার সঙ্গে নেওয়া অতিরিক্ত ফুলবডি হারনেসে সুরক্ষিত করে বেঁধে ফেলে আহত ব্যক্তিকে। এবার ওপরে সংকেত পাঠান আহত ব্যক্তিকে টেনে তোলার। সকলের সহযোগিতায় চারতলা থেকে পড়ে যাওয়া এবং সুড়ঙ্গের নিচে আটকে থাকা ‘সালমান’ নামের ২৪ বছরের সেই যুবককে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে আনেন ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা।
ফায়ার সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্সে করে সালমানকে পৌঁছে দেওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। উদ্ধারকৃত সালমানের কোমরের হাড় ভেঙে গেছে। তিনি কীভাবে সেখানে পড়লেন, কেন সেখানে এসেছিলেন, পড়ার পর তার অবস্থা কি হয়েছিল এসব বিষয়ে জানা যায়নি।
উদ্ধার অভিযানের ভিডিও দেখে উদ্ধারকারীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এমফিল মহোদয় এবং পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লে. কর্নেল জিল্লুর রহমান, পিএসসি মহোদয়।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৬ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে