নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

করোনা সংক্রমণ রোধে দেশে চলছে লকডাউন। লকডাউনের মধ্যেও প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। গতকাল সোমবার (২৬ জুলাই) করোনায় সর্বোচ্চ ২৪৭ জন মৃত্যুর সংবাদ জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শনাক্তেও ছিল রেকর্ড। তবে এত ভয়াবহ অবস্থার পরও মানুষের মাঝে তেমন সচেতনতা নেই বললেই চলে।
লকডাউনের পঞ্চম দিন আজ মঙ্গলবার রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে ব্যক্তিগত গাড়ি ও মানুষের চলাচল দুটোই আগের তুলনায় বেড়েছে। রাজধানীর বেশ কিছু সড়কে যানবাহনের চাপে যানজটও লক্ষ করা গেছে।
সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে রাস্তায় যানবাহন ও মানুষের চলাচল বেড়েছে। বেশির ভাগ মানুষই মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি।
বেসরকারি ব্যাংকে চাকরি করা রিয়াজুল হক নামের এক ব্যক্তি আজকের পত্রিকাকে বলেন, 'আমি তো ব্যাংকে চাকরি করি। তাই প্রতিদিনই বাইরে বের হচ্ছি। লকডাউন দিয়েও মানুষের চলাচল থামেনি। গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও ব্যক্তিগত গাড়ি, রিকশায় চড়ে ঠিকই মানুষ চলাচল করছে। এতে সংক্রমণ কমবে না। লকডাউন কার্যকর করতে হলে সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে। তাহলে মানুষের চলাচল বন্ধ হবে।’
জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অনেককেই রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে দেখা গেছে। ইসমাইল আলী নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘সিগারেট কিনতে এবং মোবাইলে রিচার্জ করার জন্য বাইরে বের হয়েছি।’
রামপুরা এলাকায় ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্বে থাকা পুলিশের কর্মকর্তা মো. আরিফ বলেন, 'সকালের দিকে ব্যাংকে যাওয়া মানুষের সংখ্যাই বেশি থাকে। বেশির ভাগ গাড়িতে জরুরি সেবার সঙ্গে জড়িত নানা ধরনের স্টিকার লাগানো থাকে। যাঁদের সন্দেহ হচ্ছে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করছি। যথাযথ কারণ বলতে পারলে তাঁদের আমরা যেতে দিচ্ছি। অন্যথায় মামলা দেওয়া হচ্ছে।’

করোনা সংক্রমণ রোধে দেশে চলছে লকডাউন। লকডাউনের মধ্যেও প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। গতকাল সোমবার (২৬ জুলাই) করোনায় সর্বোচ্চ ২৪৭ জন মৃত্যুর সংবাদ জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শনাক্তেও ছিল রেকর্ড। তবে এত ভয়াবহ অবস্থার পরও মানুষের মাঝে তেমন সচেতনতা নেই বললেই চলে।
লকডাউনের পঞ্চম দিন আজ মঙ্গলবার রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে ব্যক্তিগত গাড়ি ও মানুষের চলাচল দুটোই আগের তুলনায় বেড়েছে। রাজধানীর বেশ কিছু সড়কে যানবাহনের চাপে যানজটও লক্ষ করা গেছে।
সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে রাস্তায় যানবাহন ও মানুষের চলাচল বেড়েছে। বেশির ভাগ মানুষই মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি।
বেসরকারি ব্যাংকে চাকরি করা রিয়াজুল হক নামের এক ব্যক্তি আজকের পত্রিকাকে বলেন, 'আমি তো ব্যাংকে চাকরি করি। তাই প্রতিদিনই বাইরে বের হচ্ছি। লকডাউন দিয়েও মানুষের চলাচল থামেনি। গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও ব্যক্তিগত গাড়ি, রিকশায় চড়ে ঠিকই মানুষ চলাচল করছে। এতে সংক্রমণ কমবে না। লকডাউন কার্যকর করতে হলে সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে। তাহলে মানুষের চলাচল বন্ধ হবে।’
জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অনেককেই রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে দেখা গেছে। ইসমাইল আলী নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘সিগারেট কিনতে এবং মোবাইলে রিচার্জ করার জন্য বাইরে বের হয়েছি।’
রামপুরা এলাকায় ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্বে থাকা পুলিশের কর্মকর্তা মো. আরিফ বলেন, 'সকালের দিকে ব্যাংকে যাওয়া মানুষের সংখ্যাই বেশি থাকে। বেশির ভাগ গাড়িতে জরুরি সেবার সঙ্গে জড়িত নানা ধরনের স্টিকার লাগানো থাকে। যাঁদের সন্দেহ হচ্ছে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করছি। যথাযথ কারণ বলতে পারলে তাঁদের আমরা যেতে দিচ্ছি। অন্যথায় মামলা দেওয়া হচ্ছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে