নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর শাহ আলী থানার পুলিশ মো. এনামুল হক মনির (৩০) নামে ভুয়া এক গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তি নিজেকে ডিবির এএসআই পরিচয় দিয়ে রেশনের তেল কম দামে বিক্রির কথা বলে এক ব্যক্তির ৩০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তির গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায়।
আজ শুক্রবার বিকেলে শাহ আলী থানার পুলিশ এনামুল হক মনিরকে গ্রেপ্তার করেন। শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত ১৪ এপ্রিল শাহ আলী মাজারে বসে এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে মনিরের পরিচয় হয়। মনির নিজেকে ডিবির এএসআই পরিচয় দেন। এমনকি পুলিশের ভুয়া ভিজিটিং কার্ড ও পুলিশের আইডি কার্ড দেখান।’
‘তাদের মধ্যে কথাবার্তার একপর্যায়ে মনির ওই ব্যবসায়ীকে জানান, তার কাছে চার টনের মতো রেশনের ডাল, চিনি ও তেল আছে। এগুলো বিক্রি করে দিতে পারলে তাঁকে লভ্যাংশ দেওয়া হবে। মালামাল দোকানে ডেলিভারি দেওয়ার পর তাঁকে লভ্যাংশ দিয়ে বাকি টাকা তিনি নিয়ে যাবেন বলে জানান।’
‘গত ১৫ এপ্রিল বিকেলে মনির ওই ব্যবসায়ীকে ফোন দিয়ে জানান, তাঁর রেশনের ডাল ও চিনি বিক্রি হয়ে গেছে। শুধু ১ হাজার ৫০০ লিটার তেল আছে। ঈদের আগে এই তেল দিতে পারবে এবং তেল ডেলিভারি নেওয়ার সময় রেশন স্টোর ইনচার্জকে কেজিপ্রতি ১২০ টাকা করে মোট ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিতে হবে। তার কাছে দেড় লাখ টাকা আছে, আরও ৩০ হাজার টাকা দরকার। টাকা দিলে তিনি রেশনের মালগুলো ডেলিভারি দিতে পারবেন। মনিরের কথা শুনে ব্যবসায়ী ১৬ এপ্রিল রাত সাড়ে ১০টার দিকে দুটি বিকাশ নম্বরে ৩০ হাজার টাকা পাঠান।’
পরে মনির রেশনের তেল দেই-দিচ্ছি বলে কালক্ষেপণ করলে ব্যবসায়ী একপর্যায়ে বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। পরে শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) শাহ আলী থানায় ভুক্তভোগী মামলা করলে পুলিশ মনিরকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার মনিরের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহ সদর থানায় ডাকাতির মামলা রয়েছে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

রাজধানীর শাহ আলী থানার পুলিশ মো. এনামুল হক মনির (৩০) নামে ভুয়া এক গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তি নিজেকে ডিবির এএসআই পরিচয় দিয়ে রেশনের তেল কম দামে বিক্রির কথা বলে এক ব্যক্তির ৩০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তির গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায়।
আজ শুক্রবার বিকেলে শাহ আলী থানার পুলিশ এনামুল হক মনিরকে গ্রেপ্তার করেন। শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত ১৪ এপ্রিল শাহ আলী মাজারে বসে এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে মনিরের পরিচয় হয়। মনির নিজেকে ডিবির এএসআই পরিচয় দেন। এমনকি পুলিশের ভুয়া ভিজিটিং কার্ড ও পুলিশের আইডি কার্ড দেখান।’
‘তাদের মধ্যে কথাবার্তার একপর্যায়ে মনির ওই ব্যবসায়ীকে জানান, তার কাছে চার টনের মতো রেশনের ডাল, চিনি ও তেল আছে। এগুলো বিক্রি করে দিতে পারলে তাঁকে লভ্যাংশ দেওয়া হবে। মালামাল দোকানে ডেলিভারি দেওয়ার পর তাঁকে লভ্যাংশ দিয়ে বাকি টাকা তিনি নিয়ে যাবেন বলে জানান।’
‘গত ১৫ এপ্রিল বিকেলে মনির ওই ব্যবসায়ীকে ফোন দিয়ে জানান, তাঁর রেশনের ডাল ও চিনি বিক্রি হয়ে গেছে। শুধু ১ হাজার ৫০০ লিটার তেল আছে। ঈদের আগে এই তেল দিতে পারবে এবং তেল ডেলিভারি নেওয়ার সময় রেশন স্টোর ইনচার্জকে কেজিপ্রতি ১২০ টাকা করে মোট ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিতে হবে। তার কাছে দেড় লাখ টাকা আছে, আরও ৩০ হাজার টাকা দরকার। টাকা দিলে তিনি রেশনের মালগুলো ডেলিভারি দিতে পারবেন। মনিরের কথা শুনে ব্যবসায়ী ১৬ এপ্রিল রাত সাড়ে ১০টার দিকে দুটি বিকাশ নম্বরে ৩০ হাজার টাকা পাঠান।’
পরে মনির রেশনের তেল দেই-দিচ্ছি বলে কালক্ষেপণ করলে ব্যবসায়ী একপর্যায়ে বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। পরে শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) শাহ আলী থানায় ভুক্তভোগী মামলা করলে পুলিশ মনিরকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার মনিরের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহ সদর থানায় ডাকাতির মামলা রয়েছে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে