সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

সাভারের বিরুলিয়ায় মৃত ব্যক্তিসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি করে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে এক প্রবাসী নাগরিক ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে। হয়রানির অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধেও। মৃত্যুবরণ করার এক বছরেরও বেশি সময়ের পর চাঁদাবাজির মামলা হওয়ায় হয়রানির বিষয়টি নিশ্চিত বলে দাবি ভুক্তভোগীদের। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাভারের বিরুলিয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তুলে ধরে ভুক্তভোগীর পরিবার ও এলাকাবাসী।
মৃত এই ব্যক্তির নাম আমিনুল ইসলাম। তিনি সাভারের বিরুলিয়ার আকরাইন এলাকার মৃত সুরুজ মিয়ার ছেলে। মারা গিয়েও হয়রানি তার পিছু ছাড়েনি। এই মামলার জের টানতে হচ্ছে মৃত আমিনুলের সন্তান ও পরিবারকে। মৃত ব্যক্তিকেও মামলার আসামি করায় এই মামলাকে সাজানো ও হয়রানিমূলক বলে দাবি ভুক্তভোগীদের। এই মামলা দিয়েই জমি দখলের পাঁয়তারা করা হচ্ছে বলে জোরালো অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
ভুক্তভোগী রোজি বলেন, ‘আমরা বিরুলিয়া মৌজায় ১৬ শতাংশ জমি প্রায় ১২ বছর আগে কিনি। কিন্তু তাসলিমা আহমেদ নামের এক নারী আমাদের জমিসহ এলাকাবাসীর মোট ৪০ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখল করে প্রাচীর নির্মাণ করার চেষ্টা করছেন। এলাকাবাসী তাদের বাধা দিলে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৪ থেকে ৫ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন তাসলিমার স্বামী বিদেশি নাগরিক সামির এমএম হাড্ডি। এই মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তারও করেছিল পুলিশ। বর্তমানে গ্রেপ্তার আতঙ্কে এলাকার লোকজন গ্রাম ছাড়া।’
ভুক্তভোগী রোজি আরও বলেন, ‘আমি জমির বৈধ মালিক, সব কাগজপত্র আমাদের রয়েছে। আমরা নিয়মিত জমির খাজনা পরিশোধ করে আসছি। কিন্তু অজানা ক্ষমতার দাপটে আমাদের জমি দখল করছেন তারা। আমরা কোন প্রতিকার পাচ্ছি না। উল্টো আমাদের মামলা দিয়ে হয়রানি করছে তারা। তারা মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধেও মামলা দিয়েছেন। আমরা এই হয়রানির প্রতিকার চাই।’
থানায় মামলা নেয়নি উল্লেখ করে ভুক্তভোগী রোজি বলেন, ‘সাভার থানায় আমরা মামলা করতে গেলে আমাদের মামলা নেয় না। এসআই সজল এইখানে আসেন আমাদের জিজ্ঞেস করে, আমরা কেন কাজে বাধা দিচ্ছি? আমার জমি ১ যুগ আগে কেনা। আমার জায়গায় আমি আসবোনা? থানা তো রায় দিতে পারে না, রায় দিতে পারে কোর্ট। এএসপি কাফী সাহেব আমাদের ওই জমিতে যেতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেছেন এ জমিতে হাড্ডি কাজ করবেন। তিনি তো আমাকে এ কথা বলতে পারেন না।’
এ মামলায় ৯ নং আসামি আমিনুল ইসলাম মামলা হওয়ার প্রায় বছর খানেক আগে মারা গেছেন। তবুও এ মামলার আসামি তিনি। তার ছেলে সাকিব বলেন, ‘আমার বাবা মারা গেছেন ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে। এটা একটা হয়রানিমূলক মামলা। আমাদের বাসায় পুলিশ যায়, আমরাও হয়রানির শিকার।’
হয়রানিমূলক মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামি মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমার এখানে কোন জমি নাই। আমি কিছুই জানি না। আমার বয়স হয়েছে, আর আমাকে রড, সিমেন্ট ও ইট চুরি ও চাঁদাবাজির মামলা দিয়েছে। তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।’
স্থানীয় নারী রাবেয়া আক্তার বলেন, ‘এই জায়গায় কোন রড কিংবা সিমেন্ট আমরা দেখি নাই। সারা দিন ওই জমির পাশে আমরা ছাগলকে খাস খাওয়াই। তাদের দিনে যতটুকু ইট ও সিমেন্ট দরকার ততটুকু ইট ও সিমেন্ট নিয়ে এসে কাজ করতে দেখেছি। এর চেয়ে বেশি কিছু দেখি নাই।’
এ বিষয়ে তাছলিমা আহমেদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা বৈধ ভাবে জমি কিনেছি। ব্যাংকে এই কেনা জমি মর্টগেজ দিয়েছি। ২৮ শতাংশ জমি ক্রয় করেছি ও বাকি ১২ শতাংশ বায়না সূত্র মালিক। এত দিন কোন সমস্যা ছিল না। হঠাৎ করে একটি দালাল চক্র আমাদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিতে এমন কাজ করছে।’
মৃত ব্যক্তি কীভাবে মামলার আসামি হলো এর জবাবে তিনি বলেন, ‘ওয়ারিশ সার্টিফিকেট ও নাম শুনে অভিযোগপত্রে নাম দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেই ব্যক্তি মারা গেছেন সেটা জানতাম না। ভুল বশত নামটি লেখা হয়েছিল।’
এ ব্যাপারে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা বিরুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আব্দুল কুদ্দুস আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছি। দুজনই জমির মালিক দাবি করছেন। যার কাগজ সঠিক রয়েছে তিনিই মূলত জমির মালিক। জমির মালিক কে তা তো আমরা নির্ধারণ করতে আসিনি। আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করতেই আমি এসেছি।’
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাভার থানার এসআই সজল খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ ব্যাপারে সামির এমএম হাড্ডি নামের এক ব্যক্তি ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছেন। আমরা দুজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছিলাম। তারা বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। আমি ফৌজদারি মামলার তদন্ত করছি, জমি কার বা কে পাবে তা তো আদালত দেখবে। মৃত ব্যক্তির নামে যে মামলা হয়েছে তা আমি মামলা হওয়ার পর জেনেছি। তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় আমি এ ব্যাপারে উল্লেখ করব। আমি অভিযোগের তদন্ত করছি কাউকে হয়রানি করার উদ্দেশ্য আমার নেই।’
উল্লেখ্য, গত ২ ফেব্রুয়ারি সাভার থানায় মামলা দায়ের করেন ফিলিস্তিনি নাগরিক সামির এমএম হাড্ডি। সেই মামলায় ১২ জন ও অজ্ঞাত ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, চুরি, মারপিট ও ভয়ভীতি দেখানোসহ কয়েকটি অভিযোগ তোলা হয়।

সাভারের বিরুলিয়ায় মৃত ব্যক্তিসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি করে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে এক প্রবাসী নাগরিক ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে। হয়রানির অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধেও। মৃত্যুবরণ করার এক বছরেরও বেশি সময়ের পর চাঁদাবাজির মামলা হওয়ায় হয়রানির বিষয়টি নিশ্চিত বলে দাবি ভুক্তভোগীদের। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাভারের বিরুলিয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তুলে ধরে ভুক্তভোগীর পরিবার ও এলাকাবাসী।
মৃত এই ব্যক্তির নাম আমিনুল ইসলাম। তিনি সাভারের বিরুলিয়ার আকরাইন এলাকার মৃত সুরুজ মিয়ার ছেলে। মারা গিয়েও হয়রানি তার পিছু ছাড়েনি। এই মামলার জের টানতে হচ্ছে মৃত আমিনুলের সন্তান ও পরিবারকে। মৃত ব্যক্তিকেও মামলার আসামি করায় এই মামলাকে সাজানো ও হয়রানিমূলক বলে দাবি ভুক্তভোগীদের। এই মামলা দিয়েই জমি দখলের পাঁয়তারা করা হচ্ছে বলে জোরালো অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
ভুক্তভোগী রোজি বলেন, ‘আমরা বিরুলিয়া মৌজায় ১৬ শতাংশ জমি প্রায় ১২ বছর আগে কিনি। কিন্তু তাসলিমা আহমেদ নামের এক নারী আমাদের জমিসহ এলাকাবাসীর মোট ৪০ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখল করে প্রাচীর নির্মাণ করার চেষ্টা করছেন। এলাকাবাসী তাদের বাধা দিলে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৪ থেকে ৫ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন তাসলিমার স্বামী বিদেশি নাগরিক সামির এমএম হাড্ডি। এই মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তারও করেছিল পুলিশ। বর্তমানে গ্রেপ্তার আতঙ্কে এলাকার লোকজন গ্রাম ছাড়া।’
ভুক্তভোগী রোজি আরও বলেন, ‘আমি জমির বৈধ মালিক, সব কাগজপত্র আমাদের রয়েছে। আমরা নিয়মিত জমির খাজনা পরিশোধ করে আসছি। কিন্তু অজানা ক্ষমতার দাপটে আমাদের জমি দখল করছেন তারা। আমরা কোন প্রতিকার পাচ্ছি না। উল্টো আমাদের মামলা দিয়ে হয়রানি করছে তারা। তারা মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধেও মামলা দিয়েছেন। আমরা এই হয়রানির প্রতিকার চাই।’
থানায় মামলা নেয়নি উল্লেখ করে ভুক্তভোগী রোজি বলেন, ‘সাভার থানায় আমরা মামলা করতে গেলে আমাদের মামলা নেয় না। এসআই সজল এইখানে আসেন আমাদের জিজ্ঞেস করে, আমরা কেন কাজে বাধা দিচ্ছি? আমার জমি ১ যুগ আগে কেনা। আমার জায়গায় আমি আসবোনা? থানা তো রায় দিতে পারে না, রায় দিতে পারে কোর্ট। এএসপি কাফী সাহেব আমাদের ওই জমিতে যেতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেছেন এ জমিতে হাড্ডি কাজ করবেন। তিনি তো আমাকে এ কথা বলতে পারেন না।’
এ মামলায় ৯ নং আসামি আমিনুল ইসলাম মামলা হওয়ার প্রায় বছর খানেক আগে মারা গেছেন। তবুও এ মামলার আসামি তিনি। তার ছেলে সাকিব বলেন, ‘আমার বাবা মারা গেছেন ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে। এটা একটা হয়রানিমূলক মামলা। আমাদের বাসায় পুলিশ যায়, আমরাও হয়রানির শিকার।’
হয়রানিমূলক মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামি মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমার এখানে কোন জমি নাই। আমি কিছুই জানি না। আমার বয়স হয়েছে, আর আমাকে রড, সিমেন্ট ও ইট চুরি ও চাঁদাবাজির মামলা দিয়েছে। তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।’
স্থানীয় নারী রাবেয়া আক্তার বলেন, ‘এই জায়গায় কোন রড কিংবা সিমেন্ট আমরা দেখি নাই। সারা দিন ওই জমির পাশে আমরা ছাগলকে খাস খাওয়াই। তাদের দিনে যতটুকু ইট ও সিমেন্ট দরকার ততটুকু ইট ও সিমেন্ট নিয়ে এসে কাজ করতে দেখেছি। এর চেয়ে বেশি কিছু দেখি নাই।’
এ বিষয়ে তাছলিমা আহমেদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা বৈধ ভাবে জমি কিনেছি। ব্যাংকে এই কেনা জমি মর্টগেজ দিয়েছি। ২৮ শতাংশ জমি ক্রয় করেছি ও বাকি ১২ শতাংশ বায়না সূত্র মালিক। এত দিন কোন সমস্যা ছিল না। হঠাৎ করে একটি দালাল চক্র আমাদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিতে এমন কাজ করছে।’
মৃত ব্যক্তি কীভাবে মামলার আসামি হলো এর জবাবে তিনি বলেন, ‘ওয়ারিশ সার্টিফিকেট ও নাম শুনে অভিযোগপত্রে নাম দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেই ব্যক্তি মারা গেছেন সেটা জানতাম না। ভুল বশত নামটি লেখা হয়েছিল।’
এ ব্যাপারে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা বিরুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আব্দুল কুদ্দুস আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছি। দুজনই জমির মালিক দাবি করছেন। যার কাগজ সঠিক রয়েছে তিনিই মূলত জমির মালিক। জমির মালিক কে তা তো আমরা নির্ধারণ করতে আসিনি। আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করতেই আমি এসেছি।’
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাভার থানার এসআই সজল খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ ব্যাপারে সামির এমএম হাড্ডি নামের এক ব্যক্তি ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছেন। আমরা দুজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছিলাম। তারা বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। আমি ফৌজদারি মামলার তদন্ত করছি, জমি কার বা কে পাবে তা তো আদালত দেখবে। মৃত ব্যক্তির নামে যে মামলা হয়েছে তা আমি মামলা হওয়ার পর জেনেছি। তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় আমি এ ব্যাপারে উল্লেখ করব। আমি অভিযোগের তদন্ত করছি কাউকে হয়রানি করার উদ্দেশ্য আমার নেই।’
উল্লেখ্য, গত ২ ফেব্রুয়ারি সাভার থানায় মামলা দায়ের করেন ফিলিস্তিনি নাগরিক সামির এমএম হাড্ডি। সেই মামলায় ১২ জন ও অজ্ঞাত ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, চুরি, মারপিট ও ভয়ভীতি দেখানোসহ কয়েকটি অভিযোগ তোলা হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে