নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ও সিরাজদিখান (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি

মুন্সিগঞ্জ-৩ (সদর এবং গজারিয়া) আসনে ভোটকেন্দ্রের বাইরে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মৃণাল কান্তি দাসের এক সমর্থককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আজ রোববার সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার মিরকাদিম পৌরসভার টেঙ্গর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মুন্সিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসলাম খান আজকের পত্রিকাকে জানান, নিহত মো. জিল্লুর রহমান ঢাকায় থাকতেন। তিনি ভোট দিতে মুন্সিগঞ্জে গিয়েছিলেন। তিনি একাধিক মামলার আসামি।
জিল্লুর রহমান (৪৫) টেঙ্গর এলাকার শরিতল মুন্সীর ছেলে।
নিহত জিল্লুর রহমানের স্ত্রী রেহেনা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী নৌকার সমর্থক। শনিবার রাতে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফয়সাল বিপ্লবের (কাঁচি প্রতীক) সমর্থক মীরকাদিম পৌরসভার সাবেক মেয়র শহীদুল ইসলাম শাহীনের নির্দেশে বিপ্লবের লোকজন হুমকি দিয়ে যায়। আজ সকালে ওরাই আমার স্বামীকে রামদা দিয়া কুপিয়ে হত্যা করে।’
নিহত জিল্লুর রহমানের মেয়ে মৌমিতা বলেন, ‘আমার বাবাকে বেশ কিছু দিন ধরে হুমকি-ধামকি দিচ্ছিল মেয়র শাহিনসহ তার লোকজন। আমাদের বাড়িতে কয়েকবার হামলা চালিয়েছিল। কারণ আমার বাবা নৌকার সমর্থক ছিল। এজন্যই কাঁচির সমর্থক শাহিনের নির্দেশে আমার বাবাকে হত্যা করে সম্পদ মিয়া, লিটন মিয়া, রাহাদসহ আরও অনেকেই। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
এ ব্যাপারে মীরকাদিম পৌরসভার সাবেক মেয়র শহীদুল ইসলাম শাহীন বলেন, ‘এ ঘটনার সময় আমি ছিলাম না। আমি জড়ি নই।’
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আবু জাফর রিপন, পুলিশ সুপার আসলাম খানসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসলাম খান বলেন, ‘ঘটনাটি ভোটকেন্দ্রের বাইরে ঘটেছে। এটি অপ্রত্যাশিত ছিল। সেখানে অনেক ফোর্স (আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য) মোতায়েন রয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। নিহত ব্যক্তি একটি হত্যা মামলার আসামি। তিনি জামিনে ছিলেন। সবদিক বিবেচনা করে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আবু জাফর রিপন বলেন, ‘ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। কিছু কিছু ঘটনায় তদন্তাধীন।’

মুন্সিগঞ্জ-৩ (সদর এবং গজারিয়া) আসনে ভোটকেন্দ্রের বাইরে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মৃণাল কান্তি দাসের এক সমর্থককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আজ রোববার সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার মিরকাদিম পৌরসভার টেঙ্গর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মুন্সিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসলাম খান আজকের পত্রিকাকে জানান, নিহত মো. জিল্লুর রহমান ঢাকায় থাকতেন। তিনি ভোট দিতে মুন্সিগঞ্জে গিয়েছিলেন। তিনি একাধিক মামলার আসামি।
জিল্লুর রহমান (৪৫) টেঙ্গর এলাকার শরিতল মুন্সীর ছেলে।
নিহত জিল্লুর রহমানের স্ত্রী রেহেনা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী নৌকার সমর্থক। শনিবার রাতে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফয়সাল বিপ্লবের (কাঁচি প্রতীক) সমর্থক মীরকাদিম পৌরসভার সাবেক মেয়র শহীদুল ইসলাম শাহীনের নির্দেশে বিপ্লবের লোকজন হুমকি দিয়ে যায়। আজ সকালে ওরাই আমার স্বামীকে রামদা দিয়া কুপিয়ে হত্যা করে।’
নিহত জিল্লুর রহমানের মেয়ে মৌমিতা বলেন, ‘আমার বাবাকে বেশ কিছু দিন ধরে হুমকি-ধামকি দিচ্ছিল মেয়র শাহিনসহ তার লোকজন। আমাদের বাড়িতে কয়েকবার হামলা চালিয়েছিল। কারণ আমার বাবা নৌকার সমর্থক ছিল। এজন্যই কাঁচির সমর্থক শাহিনের নির্দেশে আমার বাবাকে হত্যা করে সম্পদ মিয়া, লিটন মিয়া, রাহাদসহ আরও অনেকেই। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
এ ব্যাপারে মীরকাদিম পৌরসভার সাবেক মেয়র শহীদুল ইসলাম শাহীন বলেন, ‘এ ঘটনার সময় আমি ছিলাম না। আমি জড়ি নই।’
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আবু জাফর রিপন, পুলিশ সুপার আসলাম খানসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসলাম খান বলেন, ‘ঘটনাটি ভোটকেন্দ্রের বাইরে ঘটেছে। এটি অপ্রত্যাশিত ছিল। সেখানে অনেক ফোর্স (আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য) মোতায়েন রয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। নিহত ব্যক্তি একটি হত্যা মামলার আসামি। তিনি জামিনে ছিলেন। সবদিক বিবেচনা করে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আবু জাফর রিপন বলেন, ‘ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। কিছু কিছু ঘটনায় তদন্তাধীন।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
১ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
২ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
২ ঘণ্টা আগে