গাজীপুর (শ্রীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের শ্রীপুরে ইজারা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত আটজন আহত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে শ্রীপুর পৌরসভার সিঅ্যান্ডবি বাজারে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয় দুটি মোটরসাইকেল। ভাঙচুর করা হয় বেশ কিছু দোকানপাট। এ ঘটনায় থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ জানানো হয়েছে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন, মানিক (৫৫), নূরুল আমিন (৪৩), আলফাতুন (৩৮), আফতাবউদ্দিন (৪৮), সাব্বির হোসেন (২৫), সোহান (২২), শুভ (২৮) ও আজমল হোসেন সাব্বির (২৬)।
স্থানীয় বাসিন্দা আমজাদ হোসেন বলেন, বাজার ইজারা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। পূর্ব বিরোধের কারণে গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাজারে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
আহত আফতাবউদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, প্রতিপক্ষ শাকিলের সঙ্গে সিঅ্যান্ডবি বাজার নিয়ে বিরোধ রয়েছে। অভিযুক্তরা বাজারের ব্যবসায়ীদের নির্যাতন করে থাকে। প্রতিবাদ করায় শাকিল তার ভাড়াটে বাহিনী নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় আমাদের চারজনকে দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
শাকিল অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি সিঅ্যান্ডবি বাজারের বৈধ ইজারাদার। তারা আমার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। আমি এ বিষয়ে পৌরসভা ও ইউএনও অফিসে অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারা আমার ছোট ভাই সনিকে আটকে রাখে। তাকে উদ্ধার করতে গেলে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে চারজনকে গুরুতর আহত করে। ছয়টি দোকান ভাঙচুর করে কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি করে। মহাসড়কে ফেলে দুটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয়। রাতে এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ দিয়েছি।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন মণ্ডল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ বিষয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

গাজীপুরের শ্রীপুরে ইজারা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত আটজন আহত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে শ্রীপুর পৌরসভার সিঅ্যান্ডবি বাজারে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয় দুটি মোটরসাইকেল। ভাঙচুর করা হয় বেশ কিছু দোকানপাট। এ ঘটনায় থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ জানানো হয়েছে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন, মানিক (৫৫), নূরুল আমিন (৪৩), আলফাতুন (৩৮), আফতাবউদ্দিন (৪৮), সাব্বির হোসেন (২৫), সোহান (২২), শুভ (২৮) ও আজমল হোসেন সাব্বির (২৬)।
স্থানীয় বাসিন্দা আমজাদ হোসেন বলেন, বাজার ইজারা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। পূর্ব বিরোধের কারণে গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাজারে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
আহত আফতাবউদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, প্রতিপক্ষ শাকিলের সঙ্গে সিঅ্যান্ডবি বাজার নিয়ে বিরোধ রয়েছে। অভিযুক্তরা বাজারের ব্যবসায়ীদের নির্যাতন করে থাকে। প্রতিবাদ করায় শাকিল তার ভাড়াটে বাহিনী নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় আমাদের চারজনকে দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
শাকিল অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি সিঅ্যান্ডবি বাজারের বৈধ ইজারাদার। তারা আমার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। আমি এ বিষয়ে পৌরসভা ও ইউএনও অফিসে অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারা আমার ছোট ভাই সনিকে আটকে রাখে। তাকে উদ্ধার করতে গেলে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে চারজনকে গুরুতর আহত করে। ছয়টি দোকান ভাঙচুর করে কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি করে। মহাসড়কে ফেলে দুটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয়। রাতে এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ দিয়েছি।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন মণ্ডল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ বিষয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে