
গাজীপুরে সাবেক মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের বাড়িতে মারধরের শিকার হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছাত্র-জনতাকে দেখতে গিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম। খবর পেয়ে গতকাল শুক্রবার রাতেই আহত ব্যক্তিদের গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দেখতে যান তাঁরা।
এ সময় সারজিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহ আহত ব্যক্তিদের খোঁজখবর নেন এবং হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন।
এ সময় সেখানে উপস্থিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের গাজীপুরের সমন্বয়ক আব্দুল্লাহ মোহিত আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘খবর আসে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নাম ভাঙিয়ে মোজাম্মেল হকের বাড়িতে দুর্বৃত্তরা লুটপাট করতে যায়। তাদের থামাতে যায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরা। পরে মাইকে ঘোষণা দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়।’
এদিকে আজ শনিবার সকালে আহতদের হাসপাতালে দেখতে যান গাজীপুর জেলা প্রশাসক (ডিসি) নাফিসা আরিফিন। এ সময় তার সাথে ছিলেন গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সালমা আক্তার। তাঁরা আহতদের খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসায় সব রকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

গাজীপুর সদর মেট্রো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, সাবেক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের বাড়িতে স্থানীয়দের হামলায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে পাঁচ বছরের এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে জিসান (২০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে উপজেলার বীরতারা ইউনিয়নের চারিগাঁও গ্রামে এই পাশবিকতার ঘটনা ঘটে।
১১ মিনিট আগে
ঈদযাত্রায় কোনো অবস্থাতেই যাত্রী হয়রানি করা যাবে না। ইতিমধ্যে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঈদযাত্রার সময় ফিটনেসবিহীন কোনো বাস সড়কে চলতে দেওয়া হবে না। দুর্ঘটনা এড়াতে নির্ধারিত গতির বেশি...
১৭ মিনিট আগে
নীলফামারীর ডোমারে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের সঙ্গে সংঘর্ষে মজনু মিয়া (৫০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার সকালে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
২৯ মিনিট আগে
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিকে ভিন্ন ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডেরও আদেশ দেওয়া হয়েছে। তবে রায় ঘোষণার সময় তাঁরা আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। তাঁরা পলাতক রয়েছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। ২০২৩ সালের ৭ জুলাই ভুক্তভোগী গৃহবধূ ও তাঁর স্বামী ব্যবসায়িক কাজে একটি বাড়িতে যান।
৪৪ মিনিট আগে