Ajker Patrika

নয়াপল্টনে স্কুলে শিশু নির্যাতনের ঘটনায় শারমিন একাডেমির ব্যবস্থাপক গ্রেপ্তার

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১১: ১৭
নয়াপল্টনে স্কুলে শিশু নির্যাতনের ঘটনায় শারমিন একাডেমির ব্যবস্থাপক গ্রেপ্তার
শারমিন একাডেমির ব্যবস্থাপক পবিত্র কুমার বড়ুয়া। ছবি: পুলিশের কাছ থেকে পাওয়া

রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকায় স্কুলে শিশু নির্যাতনের ঘটনায় স্কুলের ব্যবস্থাপক পবিত্র কুমার বড়ুয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার ভোরে রাজধানীর মিরপুর এলাকার একটি বাসা থেকে পল্টন থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পবিত্র কুমার বড়ুয়া শারমিন একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা স্কুলের প্রধান শিক্ষক শারমিন জাহানের স্বামী।

মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার শিশু নির্যাতনের ঘটনায় মামলা হওয়ার পর ভোরে অভিযান চালিয়ে পবিত্র কুমার বড়ুয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

হারুন অর রশিদ আরও বলেন, পল্টন থানা-পুলিশের আরেকটি দল আরেক আসামি শারমিন জাহানকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।

নয়াপল্টন এলাকার মসজিদ রোডে শারমিন একাডেমি নামের একটি স্কুলে ১৮ জানুয়ারি এক শিশুকে নির্যাতন করা হয়। চার বছরের কম বয়সী এই শিশু শারমিন একাডেমিতে প্রি-প্লে শ্রেণিতে পড়ত। স্কুলটির অফিস কক্ষে ওই শিশু নির্যাতনের ভিডিওটি ভাইরাল হয়। এই ঘটনায় রাজধানীর পল্টন থানায় মামলা করেন শিশুটির মা। দুজনকে আসামি করে শিশু আইনের ৭০ ধারায় মামলাটি করা হয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (মতিঝিল জোন) হুসাইন মুহাম্মদ ফারাবী বলেন, নির্যাতনের ভিডিও ফুটেজ নিয়ে শিশুটির মা-বাবা ঘটনার পরদিন ১৯ জানুয়ারি থানায় অভিযোগ জানান। ভিডিওতে নির্যাতনের বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ায় পুলিশ সেদিনই স্কুল পরিদর্শন করে। পরে আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা হয়।

এদিকে শিশু নির্যাতনের ওই ভিডিও ফুটেজে থাকা নারী শারমিন একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক শারমিন জাহান এবং পুরুষটি হলেন স্কুলের ব্যবস্থাপক পবিত্র কুমার।

বিদ্যালয় কক্ষে একটি শিশুকে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ছবি: স্ক্রিনশট
বিদ্যালয় কক্ষে একটি শিশুকে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ছবি: স্ক্রিনশট

ভিডিওতে দেখা যায়, অফিস কক্ষে স্কুলের পোশাক পরা একটি শিশুকে নিয়ে ঢুকলেন এক নারী। প্রথমে ওই নারী চড় দেন শিশুটিকে। এরপর শিশুটির ওপর চড়াও হলেন আগে থেকেই অফিস কক্ষে থাকা এক পুরুষ। কখনো শিশুটির গলা চেপে ধরছিলেন ওই পুরুষ, কখনো আবার মুখ চেপে ধরছিলেন। তাঁর হাতে ছিল স্ট্যাপলার। তখন শিশুটি কাঁদছিল, আবার অস্থিরও হচ্ছিল। এ সময় হাত ধরে তাকে আটকে রাখছিল ওই নারী। একপর্যায়ে ওই নারীর শাড়িতে থুতু ফেলে শিশুটি। তখন ওই পুরুষ শিশুটির মাথা শাড়িতে থুতু ফেলার জায়গায় চেপে ধরেন। আবার কয়েকবার শিশুর মাথায় ঝাঁকি দেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

ফিরে এসেছে শৈত্যপ্রবাহ, কোথায় কত দিন চলবে

কারাগারেই প্রেম দুই ভয়ংকর খুনির, বিয়ের জন্য প্যারোলে মুক্তি দিল আদালত

জঙ্গল সলিমপুর: ‘জনবিস্ফোরণ’-এর হুঁশিয়ারি র‍্যাব কর্মকর্তা হত্যা মামলার প্রধান আসামির

বিশ্বকাপ না খেললে কত কোটি টাকার রাজস্ব হারাবে বাংলাদেশ

‘পাকিস্তানের উসকানিতেই বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের’

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত