
জুলাই আন্দোলনের সময়কার এক ছবি নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা দেশকে। প্রিজন ভ্যান থেকে নামানো এক কিশোর, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জার্সি গায়ে, দুই হাত সাদা রশিতে বাঁধা, হাতে কাপড়ের ব্যাগ। ছবির সেই কিশোর হাসনাতুল ইসলাম ফাইয়াজ তখন ছিলেন মাত্র ১৭ বছরের, ঢাকা কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
ফাইয়াজ তিন ভাইয়ের মেজো। বড় ভাই মাজহারুল ইসলাম (ডাক নাম ফাহিম) এবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে বিজয়ী হয়েছেন।
ভাইয়ের এ অর্জনে উচ্ছ্বসিত ফাইয়াজ নিজের ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ‘একদিন আমি আম্মুকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আম্মু, আপনার সবচেয়ে প্রিয় মানুষ কে? কোনো দ্বিধা না করে তিনি বলেছিলেন, ‘‘ফাহিম।” সেই আম্মুর সবচেয়ে প্রিয় মানুষ আজ জাকসুর জিএস নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন।’
ফাইয়াজ বিশ্বাস করেন, তাঁর ভাই শিক্ষার্থীদের জন্য শান্তিপূর্ণ ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠা, অধিকার রক্ষায় আপসহীন ভূমিকা এবং মতামতের বৈচিত্র্যকে অগ্রাধিকার দেবেন।
ফাইয়াজ উল্লেখ করেন, মাজহারুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে বিএনসিসি জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি প্লাটুনের সিইউও ও ক্যাডেট ইনচার্জ, বিতর্ক সংগঠন জেইউডিওর সহসাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন সামাজিক ও একাডেমিক প্ল্যাটফর্মে দায়িত্ব পালন করেছেন।
জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণা করে ফাইয়াজ লিখেছেন, ‘ভাইয়া সেই সময় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। আমাকে টর্চার করে ভাইয়ার লোকেশন জানতে চেয়েছিল। আমার কাছ থেকে না পেয়ে তারা ভাইয়ার মোবাইল ট্র্যাক করেছিল, কিন্তু কৌশলী হওয়ায় ভাইয়াকে ধরতে পারেনি।’
পোস্টে আরও লেখা ছিল, ‘সবাই দোয়া করবেন, আমার আম্মুর সবচেয়ে প্রিয় মানুষকে যেন জাকসুতেও শিক্ষার্থীরা তাদের প্রিয় হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন। আল্লাহ যেন ভাইয়ার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কবুল করেন।’
১১ সেপ্টেম্বর জাকসুতে ভোট গ্রহণ হয়। টানা ৪৪ ঘণ্টা গণনার পর আজ শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এতে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মাজহারুল ইসলাম ৩ হাজার ৯৩০ ভোট পেয়ে জিএস নির্বাচিত হন।
আরও খবর পড়ুন:

রাজধানীর ডেমরা এলাকা থেকে একটি দেশীয় ওয়ান শুটার গান, গুলি ও বিপুল মাদকসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১০)। একই সময়ে পৃথক অভিযানে যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে এক ছিনতাইকারীকে আটক করা হয়েছে।
১ মিনিট আগে
বাগেরহাট জেলার রামপালের বেলাইব্রিজ নামক স্থানে খুলনা-মোংলা মহাসড়কে নৌবাহিনীর বাস-মাইক্রোবাসের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে দুটি শিশুসহ ১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের ১০ জন রয়েছেন।
২৬ মিনিট আগে
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার বলেছেন, আসন্ন ঈদে শহরে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করার জন্য পুলিশকে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, বেশির ভাগ মানুষ ঈদে ঢাকা ছেড়ে যাবে। এ সময়ে কোনো অপরাধ, ছিনতাই, অজ্ঞান/মলম পার্টি কিংবা অন্য কোনো অপতৎপরতা ঘটতে দেওয়া যাবে না।
৩৯ মিনিট আগে
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী, ছেলে, ছেলের বউ, মেয়ে তিন ও নাতি। আব্দুর রাজ্জাকের ভাই সাজ্জাক আজকের পত্রিকাকে এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে